পানির নিচে একসঙ্গে ১১৬ ড্রোন চালিয়ে বিশ্ব রেকর্ড গড়ল চীন – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ২ October, ২০২৬

পানির নিচে একসঙ্গে ১১৬ ড্রোন চালিয়ে বিশ্ব রেকর্ড গড়ল চীন

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২ October, ২০২৬ |
পানির নিচে একসঙ্গে ছুটল ১১৬টি স্বয়ংক্রিয় ড্রোন—আর তাতেই বিশ্ব রেকর্ড গড়ল চীন। সুইমিং পুলে চালানো এক পরীক্ষায় কোনো মানুষের সরাসরি নিয়ন্ত্রণ ছাড়াই শতাধিক ড্রোনকে নির্ধারিত পথে সমন্বিতভাবে পরিচালনা করে নতুন গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড গড়েছে চীনের একটি গবেষক দল। প্রযুক্তিটির এই সাফল্য পানির নিচে বৃহৎ পরিসরে মানবহীন যান পরিচালনার ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলেছে। উত্তর-পশ্চিম পলিটেকনিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় ও শিয়ান তিয়ানহে মেরিটাইম টেকনোলজিসের যৌথ উদ্যোগে এ পরীক্ষা চালানো হয়। বিশ্ববিদ্যালয়টি সেপ্টেম্বরের শেষে এক বিবৃতিতে জানায়, পরীক্ষায় ‘টিএইচ-৬১৮’ নামের ১১৬টি স্বয়ংক্রিয় পানির নিচের যান বা ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছে। গত ২৯ আগস্ট ৫০ মিটার দীর্ঘ ও ২০ মিটার প্রশস্ত একটি সুইমিং পুলে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত

হয়। গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের কর্মকর্তাদের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত পরীক্ষাটি পরে সংস্থাটির ওয়েবসাইটে রেকর্ড হিসেবে অনুমোদিত ও প্রকাশ করা হয়। পরীক্ষায় ড্রোনগুলো ধারাবাহিকভাবে পানিতে নামানো হয়। কোনো মানুষের সরাসরি নিয়ন্ত্রণ ছাড়াই তারা ৩৪ মিনিট ধরে ৫০০ মিটার পথ অতিক্রম করে নির্ধারিত পথে সমন্বিতভাবে চলাচল করে। এ সময় ড্রোনগুলো বাস্তব সময়ের তথ্য ব্যবহার করে নিজেদের গতিপথ ঠিক রাখে। বিশ্ববিদ্যালয়টি বলেছে, একই পরিবেশে কয়েক ডজন, এমনকি শত শত পানির নিচের যানকে দীর্ঘ সময় ধরে সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয় ও স্থিতিশীলভাবে সমন্বিতভাবে পরিচালনা করা পানির নিচের বুদ্ধিমান প্রযুক্তির ক্ষেত্রে দীর্ঘদিনের বড় চ্যালেঞ্জ। চীন স্থল, আকাশ ও সমুদ্রপথে স্বয়ংক্রিয় যান এবং ড্রোনের সমন্বিত ব্যবহারে দ্রুত অগ্রসর হচ্ছে। বিশ্বজুড়ে সামরিক প্রযুক্তিতে চালক

বা মানবনির্ভর প্ল্যাটফর্মের পরিবর্তে মানবহীন ব্যবস্থার ব্যবহার বাড়ায় এসব প্রযুক্তির গুরুত্বও বাড়ছে। বিশ্ববিদ্যালয় জানিয়েছে, পরীক্ষায় ব্যবহৃত টিএইচ-৬১৮ ড্রোনগুলোর দৈর্ঘ্য ৬১ দশমিক ৫ সেন্টিমিটার এবং প্রস্থ ২০ সেন্টিমিটার। প্রতিটির ওজন ৫ দশমিক ১৪ কেজি। এগুলোর সর্বোচ্চ পাল্লা ৩০ কিলোমিটার এবং একটানা আট ঘণ্টার বেশি কাজ করার সক্ষমতা রয়েছে। ড্রোনগুলো চলাচলের জন্য মোবাইল ফোনভিত্তিক ক্যামেরা ব্যবস্থা ব্যবহার করে। নির্ধারিত পথে কোনো বাধা বা পরিবর্তন দেখা দিলে সেগুলো নিজে থেকেই গতিপথ সংশোধন করতে পারে। বিশ্ববিদ্যালয়টি জানিয়েছে, পানির নিচে চলাচলে বাস্তব সময়ে যোগাযোগের জটিলতা ও পরিবেশগত নানা বাধা রয়েছে। দুই দশকের বেশি সময় ধরে পানির নিচে লক্ষ্য শনাক্তকরণ, তথ্য সংগ্রহ, শব্দতরঙ্গভিত্তিক যোগাযোগ ও দৃশ্যগত প্রযুক্তি নিয়ে গবেষণার

ফলে এ রেকর্ড অর্জন সম্ভব হয়েছে। ড্রোন সরবরাহকারী শিয়ান তিয়ানহে মেরিটাইম টেকনোলজিস জানিয়েছে, স্বয়ংক্রিয় পানির নিচের যান এখন সমুদ্রতলের বিস্তারিত মানচিত্র তৈরি ও তেল-গ্যাসের পাইপলাইন পরিদর্শনসহ গবেষণা ও অবকাঠামোগত বিভিন্ন কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে। সূত্র: সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
বঙ্গোপসাগরের ভূরাজনীতিতে ডিপি ওয়ার্ল্ড-এনসিটি চুক্তির অর্থ কী? চিঠির আবেগ থেকে ডিজিটাল বার্তা: আজ বিশ্ব ডাক দিবস ভারতে ক্যানসার ওষুধের দাম কমতে পারে ৭০ শতাংশ ইরানে ফের মার্কিন হামলার শঙ্কায় বেড়েছে তেলের দাম লোডশেডিং আড়াই হাজার মেগাওয়াট, জ্বালানি সংকটে বন্ধ ৩৫ বিদ্যুৎকেন্দ্র জলপরী দেখতে চলল পুজো-অর্চনা, জালে মিলল সিলভার কার্প মাছ এলপিজি কারসাজির শেষ কোথায় নতুন আলোচনা রিকনসিলিয়েশন অক্টোবরে দিনে আক্রান্ত ২০৯৯, মৃত্যু ৭ জন ১০ উড়োজাহাজ কিনতে এয়ারবাসের সঙ্গে বিমান বাংলাদেশের চুক্তি সই বিশৃঙ্খলা মোকাবিলায় সতর্ক পুলিশ জ্বালানি তেলের প্রভাবে বেড়েছে মূল্যস্ফীতি আসন্ন নির্বাচনে যেসব কারণে হেরে যেতে পারেন নেতানিয়াহু সংকটে রাশিয়া, কপাল খুলছে ইরানের মালয়েশিয়ায় বিনা খরচে ১০ হাজার কর্মী পাঠানোর উদ্যোগ ২৭০০ বিড়াল চুরি করে মাংস বিক্রি! মহানবীকে নিয়ে কটূক্তি, সৌদিতে মৃত্যুদণ্ডের মুখে শ্রীলংকান যুবক মহাকাশে বড় বিপদ থেকে যেভাবে রক্ষা পেল বাংলাদেশের স্যাটেলাইট তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী সেচ্ছাসেবক দলের নেতা বগাকে ধরতে অভিযানে বাধা ডা. শাহাদাতের বিআইডিএস-এর প্রতিবেদন: বিদেশি অনুদানে টান পড়ায় ধুঁকছে ছোট ও মাঝারি এনজিও