ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
এলপিজির দাম বাড়ানো হলো ২৫২ টাকা, বাজারে এমনিতেও পাওয়া যায় না সরকার নির্ধারিত দামে!
জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব পেঁয়াজের বাজারে: ‘আমরা দিনে এনে দিনে খাওয়া মানুষ, দাম বাড়লে কীভাবে বাঁচবো?’
জ্বালানির দামের সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে চালের দাম: পাইকারিতে বস্তাপ্রতি ১০০-২০০৳ বাড়তি
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন
গোয়েন্দা সংস্থা এনএসআই’র প্রতিবেদন: ৫টি এলপিজি কোম্পানির সিন্ডিকেট, পকেট কাটছে ভোক্তার
দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে জনগণের নাভিশ্বাস চরমে, জুলাই যোদ্ধাদের জন্য ২১০৫ কোটি টাকার বিলাসবহুল আবাসন প্রকল্প!
আবারো সরবরাহ সংকটে বোতলজাত সয়াবিন, লিটারপ্রতি ৬-১০ টাকা বেশি নিচ্ছেন বিক্রেতারা
পাঁচ দিনে রেমিট্যান্স এলো ৫ হাজার ৯৬ কোটি টাকা
অক্টোবর মাসের প্রথম পাঁচ দিনে দেশে প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স এসেছে ৪২ কোটি ৫০ লাখ ডলার। এই হিসাবে প্রতিদিন গড়ে দেশে এসেছে ৮ কোটি ৫ লাখ ডলার রেমিট্যান্স। যা বাংলাদেশি মুদ্রায় (ডলার ১২০ টাকা ধরে) পাঁচ হাজার ৯৬ কোটি টাকা।
উল্লেখ্য, সেপ্টেম্বরের একই সময়ে দেশে এসেছিল ৪১ কোটি ৭৫ লাখ ডলার। সে হিসাবে চলতি মাসে বেড়েছে প্রবাসীদের রেমিট্যান্সপ্রবাহ। রোববার (৬ অক্টোবর) এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যে জানা যায়, চলতি অক্টোবর মাসের প্রথম ৫ দিনে দেশে যে পরিমাণ রেমিট্যান্স এসেছে এর মধ্যে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ১০ কোটি ৮০ লাখ ২০ হাজার ডলার, বিশেষায়িত একটি ব্যাংকের মাধ্যমে ১ কোটি ৫০ লাখ
২০ হাজার মার্কিন ডলার, বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৩০ কোটি ২ লাখ ডলার এবং বিদেশি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ১৪ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তিন মাসে দেশে ৬৫৪ কোটি ৩০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। আগের অর্থবছরে একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ৪৯০ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলার। এর আগে, গত জুন মাসে ২৫৩ কোটি ৮৬ লাখ ডলার রেমিট্যান্স আসার পর চলতি অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে প্রবাসী আয় এসেছিল প্রায় ১৯১ কোটি মার্কিন ডলার, যা গত ১০ মাসের মধ্যে সবচেয়ে কম আয় ছিল। তবে অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে শুরু করে। এর ধারাবাহিকতায়
গত আগস্টে ২২২ কোটি ১৩ লাখ ২০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স দেশে পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। আর সেপ্টেম্বরে এসেছে চলতি অর্থবছরের সর্বোচ্চ ২৪০ কোটি ৪৭ লাখ ৯০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স। প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সর্ববৃহৎ শ্রমবাজার হলো সৌদি আরব। মধ্যপ্রাচ্যের এ দেশটি থেকেই সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স আসত একটি সময়। কিন্তু গত দুই বছর বেশি প্রবাসী আয় আসছে সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে। রেমিট্যান্স আসার ক্ষেত্রে এ মুহূর্তে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। আর সৌদি আরব থেকে আসছে তৃতীয় সর্বোচ্চ।
২০ হাজার মার্কিন ডলার, বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৩০ কোটি ২ লাখ ডলার এবং বিদেশি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ১৪ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তিন মাসে দেশে ৬৫৪ কোটি ৩০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। আগের অর্থবছরে একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ৪৯০ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলার। এর আগে, গত জুন মাসে ২৫৩ কোটি ৮৬ লাখ ডলার রেমিট্যান্স আসার পর চলতি অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে প্রবাসী আয় এসেছিল প্রায় ১৯১ কোটি মার্কিন ডলার, যা গত ১০ মাসের মধ্যে সবচেয়ে কম আয় ছিল। তবে অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে শুরু করে। এর ধারাবাহিকতায়
গত আগস্টে ২২২ কোটি ১৩ লাখ ২০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স দেশে পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। আর সেপ্টেম্বরে এসেছে চলতি অর্থবছরের সর্বোচ্চ ২৪০ কোটি ৪৭ লাখ ৯০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স। প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সর্ববৃহৎ শ্রমবাজার হলো সৌদি আরব। মধ্যপ্রাচ্যের এ দেশটি থেকেই সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স আসত একটি সময়। কিন্তু গত দুই বছর বেশি প্রবাসী আয় আসছে সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে। রেমিট্যান্স আসার ক্ষেত্রে এ মুহূর্তে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। আর সৌদি আরব থেকে আসছে তৃতীয় সর্বোচ্চ।



