ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ট্রাইব্যুনালে নজিরবিহীন দৃশ্য: প্রিজন ভ্যান নয়, অ্যাম্বুলেন্সে শুয়েই হাজিরা দিলেন সাবেক এমপি
দুর্নীতির অভিযোগে বাসসের সাবেক এমডি মাহবুব মোর্শেদকে দুদকে তলব
অর্থমন্ত্রী: আওয়ামী লীগ সরকারের ১৩০০ প্রকল্পকে ফেলতে পারছি না, গিলতেও পারছি না
দেশের ৫ শহরের ভিসা কেন্দ্রে মিলবে ভারতীয় ট্যুরিস্ট ভিসা, জানালেন নতুন রাষ্ট্রদূত
কৃষকদের সাথে সরকারের প্রতারণা: জৈব সারের নামে মিললো পলিথিন-প্লাস্টিক বর্জ্য
বাংলাদেশ-চীনের মধ্যে ১৩টি সমঝোতা স্মারক সই
খাসজমিতে চার মাসেই উঠল বহুতল ভবন
নিউইয়র্কে অর্থ উপদেষ্টা ও গভর্নরের বিরুদ্ধে পরোয়ানার নেপথ্যে
যুক্তরাষ্ট্রের বিদ্যুৎ কোম্পানি স্মিথ কোজেনারেশনের একটি মামলায় বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ ও বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুরের বিরুদ্ধে একটি গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছিল। তবে সে পরোয়ানা স্থগিত করা হয়েছে।
সদ্য রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগ পাওয়া সাংবাদিক মুশফিকুল ফজল আনসারী এই পরোয়ানা স্থগিতের বিষয়টি জানিয়েছেন।
নিজের ফেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে তিনি লিখেছেন, ‘১৯৯৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকার কর্তৃক একটি চুক্তি বাতিলের দায়ে স্মিথ কোজেনারেশন ক্ষতিপূরণ দাবি করে যুক্তরাষ্ট্রের আদালতে একটি মামলা করে। ১৯৯৭ সালে স্মিথ কোজেনারেশন তৎকালীন বাংলাদেশের সরকারের সঙ্গে একটি বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তি স্বাক্ষর করেছিল এবং দেশের উত্তরাঞ্চলে একটি বার্জ-মাউন্টেড বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের জন্য অনুমতি প্রদান করেছিল সরকার। এই
মামলায় দীর্ঘ প্রায় ২৫ বছর পর ওয়াশিংটন ডিসি সার্কিট কোর্ট অনেকটা এখতিয়ার বহির্ভূত একটি রায় প্রদান করে, যা আজ শুক্রবার আদালত কর্তৃক স্থগিত করা হয়। যদিও বিষয়টির সাময়িক অবসান ঘটেছে, তবে লুটেরা সরকারের দায় রক্তস্নাত বিপ্লবের মাধ্যমে গঠিত এই অন্তর্বর্তীকালীন সরকার নিতে পারে না। বাংলাদেশ সরকারের সে সময়ে জড়িতদের বিরুদ্ধে এবং বিষয়টি বর্তমান সরকারের নজরে না এনে ধামাচাপাকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া জরুরি।’ উল্লেখ্য, ২০০৬ সালের মামলায় অর্ন্তবর্তীকালীন সরকারের অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুরকে ‘গ্রেফতারের জন্য বেঞ্চ ওয়ারেন্ট’ জারি করে একটি মার্কিন আদালত। বৃহস্পতিবার এই আদেশ জারি করা হয় বলে জানায় নিউইয়র্ক-ভিত্তিক একটি আইনি সংবাদমাধ্যম ল-৩৬০।
মামলায় দীর্ঘ প্রায় ২৫ বছর পর ওয়াশিংটন ডিসি সার্কিট কোর্ট অনেকটা এখতিয়ার বহির্ভূত একটি রায় প্রদান করে, যা আজ শুক্রবার আদালত কর্তৃক স্থগিত করা হয়। যদিও বিষয়টির সাময়িক অবসান ঘটেছে, তবে লুটেরা সরকারের দায় রক্তস্নাত বিপ্লবের মাধ্যমে গঠিত এই অন্তর্বর্তীকালীন সরকার নিতে পারে না। বাংলাদেশ সরকারের সে সময়ে জড়িতদের বিরুদ্ধে এবং বিষয়টি বর্তমান সরকারের নজরে না এনে ধামাচাপাকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া জরুরি।’ উল্লেখ্য, ২০০৬ সালের মামলায় অর্ন্তবর্তীকালীন সরকারের অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুরকে ‘গ্রেফতারের জন্য বেঞ্চ ওয়ারেন্ট’ জারি করে একটি মার্কিন আদালত। বৃহস্পতিবার এই আদেশ জারি করা হয় বলে জানায় নিউইয়র্ক-ভিত্তিক একটি আইনি সংবাদমাধ্যম ল-৩৬০।



