ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বাংলাদেশে ইয়াবা আসক্তি নিয়ে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে ভয়ঙ্কর তথ্য
টাকায় মেলে বিচারকের স্বাক্ষর
কোটা সংস্কারের পর বিসিএসে নারীদের নিয়োগে বড় পতন, প্রশ্নের মুখে সংস্কার
ছাত্রলীগ কর্মীদের হাতে মার খাননি দাবি করে আম্মার- ‘আমরা মাইর খাইনি, মাইর দিয়েছি’
জঙ্গল সলিমপুরে নাশকতা: যৌথ বাহিনীর পানির পাইপ কেটে ঢালা হয় বিষ, ঝুঁকিতে স্কুলশিশুরাও
ঢাকায় বিদ্যুৎ বিলের ভয়াবহ বৃদ্ধি: একই ব্যবহারে আগের মাসের চেয়ে আসছে দ্বিগুণ-তিনগুণ বিল!
মুক্তিযুদ্ধের সরাসরি বিরোধিতা করা যুক্তরাষ্ট্র এবার বীর মুক্তিযোদ্ধাদের ডাটাবেজ তৈরিতে আগ্রহী!
নাফ নদী থেকে ২০ বাংলাদেশি জেলেকে ধরে নিয়ে গেল আরাকান আর্মি
কক্সবাজারের টেকনাফের নাফ নদীর মোহনা নাইক্ষ্যংদিয়া থেকে ১৫টি ছোট কাঠের নৌকাসহ ২০ বাংলাদেশি জেলেকে ধরে নিয়ে গেছে আরাকান আর্মি।
মঙ্গলবার (৫ নভেম্বর) সন্ধ্যায় তাদের আরকান আর্মি ধরে নিয়ে যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন স্থানীয় ইউপি সদস্য আব্দুস সালাম।
তিনি জানান, আজ সন্ধ্যায় শাহপরীর দ্বীপের ২০ জেলে ১৫টির মতো নৌকা নিয়ে নাফ নদীতে নাইক্ষ্যং দিয়া নামক স্থানে মাছ ধরতে যান। এ সময় আরকান আর্মি তাদের অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে মিয়ানমারে ধরে নিয়ে যায়। তারা সবাই বাংলাদেশি এবং টেকনাফের স্থানীয় বাসিন্দা। বিষয়টি বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) শাহপরীর দ্বীপ বিওপির কোম্পানি কমান্ডারকে অবগত করা হয়েছে।
এ বিষয়ে টেকনাফ-২ বিজিবি অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মহিইদ্দীন আহমেদ বলেন, মাছ ধরার
ট্রলারসহ ২০ মাঝিমল্লাকে ধরে নিয়ে যাওয়ার বিষয়টি আমাদের জানানো হয়েছে। এ ঘটনায় আমরা মিয়ানমার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করছি। তাদের ফেরত আনার চেষ্টা চলছে। এর আগে গত ৯ অক্টোবর সেন্টমার্টিন দ্বীপ ও মিয়ানমার মধ্যবর্তী বঙ্গোপসাগরের বাংলাদেশ অংশ থেকে ছয় ট্রলারসহ ৫৮ জেলেকে ধরে নিয়ে যায় মিয়ানমার নৌবাহিনী। তাদের মধ্যে মিয়ানমারের নৌবাহিনীর গুলিতে একজনের মৃত্যু হয় এবং দুজন আহত হয়। পরে ১০ অক্টোবর একজনের মরদেহসহ দুই দফায় জেলেদের ফিরিয়ে দিয়েছিল মিয়ানমার নৌবাহিনী।
ট্রলারসহ ২০ মাঝিমল্লাকে ধরে নিয়ে যাওয়ার বিষয়টি আমাদের জানানো হয়েছে। এ ঘটনায় আমরা মিয়ানমার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করছি। তাদের ফেরত আনার চেষ্টা চলছে। এর আগে গত ৯ অক্টোবর সেন্টমার্টিন দ্বীপ ও মিয়ানমার মধ্যবর্তী বঙ্গোপসাগরের বাংলাদেশ অংশ থেকে ছয় ট্রলারসহ ৫৮ জেলেকে ধরে নিয়ে যায় মিয়ানমার নৌবাহিনী। তাদের মধ্যে মিয়ানমারের নৌবাহিনীর গুলিতে একজনের মৃত্যু হয় এবং দুজন আহত হয়। পরে ১০ অক্টোবর একজনের মরদেহসহ দুই দফায় জেলেদের ফিরিয়ে দিয়েছিল মিয়ানমার নৌবাহিনী।



