ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
১৫ প্রতিষ্ঠানকে ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা জরিমানা করল ডিএনসিসি
যে দেশে মাইক্রোক্রেডিট ব্যবসায়ী প্রধান উপদেষ্টা, সেখানে মানুষ ঋণের দায়ে মরবেই
ইউনূস ম্যাজিকে এখন বিশ্বের সপ্তম দুর্বল পাসপোর্ট বাংলাদেশের
শেখ হাসিনার নেতৃত্বেই ক্ষমতায় ফিরবে আওয়ামী লীগ: হাসান মাহমুদ OHCHR প্রতিবেদনকে পক্ষপাতদুষ্ট’ আখ্যা
মাটিরাঙ্গায় বিএনপির অভ্যন্তরীণ সংঘর্ষ, পেছনে নেতৃত্বের দ্বন্দ্ব ও পুরনো অভিযোগ
দুর্নীতির পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন সময়ের নায়ক তারেক রহমান, এখন রাষ্ট্রনায়ক বানানোর অপচেষ্টা
৪০ বছরের রেকর্ড, রাজস্ব আয়ের চেয়ে ব্যয় বেশি, দেশ দেউলিয়া হওয়ার পথে
ডিসি নিয়োগে দুর্নীতির তদন্ত চেয়ে দুদকে আবেদন
সম্প্রতি ডিসি নিয়োগে কোটি কোটি টাকা লেনদেনের তথ্য ফাঁস হয়েছে। এতে নিয়োগবাণিজ্যের সঙ্গে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পাওয়া সিনিয়র সচিব মো. মোখলেস উর রহমান ছাড়াও আরও দুই যুগ্ম সচিবের সরাসরি জড়িত থাকার তথ্য সামনে এসেছে।
রোববার (৬ অক্টোবর) আইনজীবী নাদিম মাহমুদ দুদকের চেয়ারম্যান বরাবর এ আবেদন করেন।
আবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশকে একটি দুর্নীতিমুক্ত দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার জন্য আমি একজন বাংলাদেশের স্থায়ী ও সচেতন নাগরিক এবং বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবে ঘুষের মাধ্যমে অর্থাৎ দুর্নীতির মাধ্যমে পদে নিয়োগ সমর্থন করি না বিধায় জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট পদে বদলি ও পদায়ন করা জন্য চেক, ক্যাশ ও ডলারে ঘুষের টাকা লেনদেন করা এবং
ঘুষের টাকা বিদেশে পাচার করা ও ঘুষ লেনদেনে সহায়তার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে অনুসন্ধান করা একান্ত প্রয়োজন। দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত কেউ যাতে বিদেশে পালাতে না পারে এবং তাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে কোনো টাকা উত্তোলন করতে না পারে সেজন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা একান্ত আবশ্যক বলে মনে করি। অভিযোগের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে আগামী ৩ কার্যদিবসের মধ্যে অনুসন্ধান শুরু করা এবং অভিযুক্তদের কেউ যাতে বিদেশে পালাতে না পারে সেজন্য আদালতে বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণেরও অনুরোধ করা হয়েছে আবেদনে। প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার (৩ অক্টোবর) ‘আমার 5C হলেই চলবে, স্যার 10C রাখব’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। এ প্রতিবেদনে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব
মো. মোখলেস উর রহমান এবং একই মন্ত্রণালয়ের একজন যুগ্ম সচিবের হোয়াটসঅ্যাপে কথোপকথনে ঘুষের বিষয়টি এসেছে বলে অভিযোগ করা হয়। এদিকে, ডিসি নিয়োগে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিবের বিরুদ্ধে ওঠা ঘুষের অভিযোগ তদন্তে তিন উপদেষ্টাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ। বৃহস্পতিবার (৩ অক্টোবর) সচিবালয়ে দেওয়া এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান। ডিসি নিয়োগে ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ সরকার তদন্ত করবে কি না; জানতে চাইলে উপদেষ্টা বলেন, ‘অবশ্যই আমরা এটার তদন্ত করব, সরকার (তদন্ত) করবে। কিন্তু এখানে দুটি জিনিস মিডিয়াকে মাথায় নিতে হবে। এটাও কিন্তু আমরা তলিয়ে দেখছি যে, ক্লিপটা সোশ্যাল মিডিয়ায় বহুল প্রচারিত হয়ে
গেল, সেটা কতখানি এআই (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা) প্রডিউসড। সেটা কতখানি রিয়েল, কতখানি ফেক- আমাদের মতো সাধারণ মানুষ বলতে পারে না। ইমিডিয়েটলি যে সিদ্ধান্তটা হয়েছে এটার টেকনিক্যাল ইন্টিগ্রিটিটা কী সেটা জানার জন্য কেবিনেটে (উপদেষ্টা পরিষদে) কথা হয়েছে।’ উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ বলেন, ‘সেটা ইনভেস্টিগেট করে ইমিডিয়েটলি দেখতে হবে। আমরা অবশ্যই তদন্ত করব।’ উপদেষ্টা বলেন, ‘অত্যন্ত দায়িত্বশীল জায়গায় প্রতিষ্ঠিত কর্মকর্তাদের কোনো ধরনের দায়িত্বহীনতা মেনে নেওয়া যাবে না। এটাও আমাদের অনুশাসনের অধীনে আনতে হবে।’
ঘুষের টাকা বিদেশে পাচার করা ও ঘুষ লেনদেনে সহায়তার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে অনুসন্ধান করা একান্ত প্রয়োজন। দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত কেউ যাতে বিদেশে পালাতে না পারে এবং তাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে কোনো টাকা উত্তোলন করতে না পারে সেজন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা একান্ত আবশ্যক বলে মনে করি। অভিযোগের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে আগামী ৩ কার্যদিবসের মধ্যে অনুসন্ধান শুরু করা এবং অভিযুক্তদের কেউ যাতে বিদেশে পালাতে না পারে সেজন্য আদালতে বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণেরও অনুরোধ করা হয়েছে আবেদনে। প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার (৩ অক্টোবর) ‘আমার 5C হলেই চলবে, স্যার 10C রাখব’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। এ প্রতিবেদনে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব
মো. মোখলেস উর রহমান এবং একই মন্ত্রণালয়ের একজন যুগ্ম সচিবের হোয়াটসঅ্যাপে কথোপকথনে ঘুষের বিষয়টি এসেছে বলে অভিযোগ করা হয়। এদিকে, ডিসি নিয়োগে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিবের বিরুদ্ধে ওঠা ঘুষের অভিযোগ তদন্তে তিন উপদেষ্টাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ। বৃহস্পতিবার (৩ অক্টোবর) সচিবালয়ে দেওয়া এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান। ডিসি নিয়োগে ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ সরকার তদন্ত করবে কি না; জানতে চাইলে উপদেষ্টা বলেন, ‘অবশ্যই আমরা এটার তদন্ত করব, সরকার (তদন্ত) করবে। কিন্তু এখানে দুটি জিনিস মিডিয়াকে মাথায় নিতে হবে। এটাও কিন্তু আমরা তলিয়ে দেখছি যে, ক্লিপটা সোশ্যাল মিডিয়ায় বহুল প্রচারিত হয়ে
গেল, সেটা কতখানি এআই (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা) প্রডিউসড। সেটা কতখানি রিয়েল, কতখানি ফেক- আমাদের মতো সাধারণ মানুষ বলতে পারে না। ইমিডিয়েটলি যে সিদ্ধান্তটা হয়েছে এটার টেকনিক্যাল ইন্টিগ্রিটিটা কী সেটা জানার জন্য কেবিনেটে (উপদেষ্টা পরিষদে) কথা হয়েছে।’ উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ বলেন, ‘সেটা ইনভেস্টিগেট করে ইমিডিয়েটলি দেখতে হবে। আমরা অবশ্যই তদন্ত করব।’ উপদেষ্টা বলেন, ‘অত্যন্ত দায়িত্বশীল জায়গায় প্রতিষ্ঠিত কর্মকর্তাদের কোনো ধরনের দায়িত্বহীনতা মেনে নেওয়া যাবে না। এটাও আমাদের অনুশাসনের অধীনে আনতে হবে।’



