ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
যেসব কারণে রাষ্ট্রপতির পদ থেকে সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগ
২০ লাখ টাকা চাঁদা না পেয়ে নির্মাণাধীন ভবনে হামলা, ককটেল নিক্ষেপ
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ২২টি কম্পিউটারের হার্ডডিস্ক চুরি
গুরু পাপে লঘু দণ্ড পুঁজিবাজারে, উৎসাহিত হচ্ছে কারসাজি চক্র
সুন্দরবনে থামছে না হরিণ শিকার, ৩৪৫৩ কেজি মাংস উদ্ধার!
কে হচ্ছেন নতুন রাষ্ট্রপতি
আগস্টে পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন না হলে সরকারি কর্মচারীদের বৃহত্তর আন্দোলনের ঘোষণা
ছাত্র-জনতার আন্দোলনে আহত ৩০ জন পেলেন ৩০ লাখ টাকা
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন ৩০ জনকে আর্থিক অনুদান দিয়েছে জুলাই শহিদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন।এ সময় ছাত্র-জনতার আন্দোলনে আহত প্রত্যেকের হাতে এক লাখ টাকার চেক তুলে দেওয়া হয়।
রোববার দুপুরে বার্ন ইউনিটের ছয় তলায় ৬১৭ নম্বর রুমে এই চেক হস্তান্তর করা হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম, আসিফ মাহমুদ সজীব ও জুলাই শহিদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক শহিদ মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধর ভাই মীর মাহবুবুর রহমান স্নিগ্ধ।
জুলাই শহিদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক স্নিগ্ধ বলেন, আমরা একটি ফাউন্ডেশন করেছিলাম। সেখানে আমাদের ঘোষণা ছিল শহিদদের পরিবারকে ৫ লাখ টাকা এবং আহতদের প্রত্যেককে সর্বোচ্চ এক লাখ টাকা করে দেওয়া হবে। এ ছাড়া
তাদেরকে আরও আর্থিক অনুদান দেওয়া হবে। তিনি আরও জানান, জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটে ৩৩ জনকে ৩৩ লাখ টাকার চেক এবং পঙ্গু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ৫৯ জনের কাছে বিকাশের মাধ্যমে ৫৯ লাখ টাকা চলে যাবে। এখন পর্যন্ত আমরা এক কোটি ৭১ লাখ ৪২ হাজার ৫০ টাকা সহায়তা করেছি। গত ১২ সেপ্টেম্বর উপদেষ্টা পরিষদের সভা শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে এই ফাউন্ডেশন গঠনের কথা জানানো হয়। ফাউন্ডেশনের সভাপতি করা হয়েছে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে। আর সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আছেন শহিদ মুগ্ধর বড় ভাই মীর মাহবুবুর রহমান, কোষাধ্যক্ষ কাজী ওয়াকার আহমেদ, দপ্তর সম্পাদক তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মো. নাহিদ ইসলাম এবং সদস্য হিসেবে আছেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের
উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া, স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নুরজাহান বেগম ও সমাজকল্যাণ উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ। এ ছাড়া আরও ১৪ জন সাধারণ সদস্যসহ মোট ২১ সদস্যের এই ফাউন্ডেশন হবে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহিদ পরিবারকে দেখাশোনার যে দায়িত্ব সরকার নিয়েছে, তা এই ফাউন্ডেশন থেকে পরিচালিত হবে। একইসঙ্গে আহত ব্যক্তিদের দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসাসহ অন্যান্য সহযোগিতা নিশ্চিত করবে এই ফাউন্ডেশন।
তাদেরকে আরও আর্থিক অনুদান দেওয়া হবে। তিনি আরও জানান, জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটে ৩৩ জনকে ৩৩ লাখ টাকার চেক এবং পঙ্গু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ৫৯ জনের কাছে বিকাশের মাধ্যমে ৫৯ লাখ টাকা চলে যাবে। এখন পর্যন্ত আমরা এক কোটি ৭১ লাখ ৪২ হাজার ৫০ টাকা সহায়তা করেছি। গত ১২ সেপ্টেম্বর উপদেষ্টা পরিষদের সভা শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে এই ফাউন্ডেশন গঠনের কথা জানানো হয়। ফাউন্ডেশনের সভাপতি করা হয়েছে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে। আর সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আছেন শহিদ মুগ্ধর বড় ভাই মীর মাহবুবুর রহমান, কোষাধ্যক্ষ কাজী ওয়াকার আহমেদ, দপ্তর সম্পাদক তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মো. নাহিদ ইসলাম এবং সদস্য হিসেবে আছেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের
উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া, স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নুরজাহান বেগম ও সমাজকল্যাণ উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ। এ ছাড়া আরও ১৪ জন সাধারণ সদস্যসহ মোট ২১ সদস্যের এই ফাউন্ডেশন হবে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহিদ পরিবারকে দেখাশোনার যে দায়িত্ব সরকার নিয়েছে, তা এই ফাউন্ডেশন থেকে পরিচালিত হবে। একইসঙ্গে আহত ব্যক্তিদের দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসাসহ অন্যান্য সহযোগিতা নিশ্চিত করবে এই ফাউন্ডেশন।



