ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি পিয়াল আটক
সরকারি চাল পাচারের অভিযোগে বিএনপি নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার
৭২ বছর বয়সে মৃত্যুর তিন বছর পরে ছাত্রদলের কমিটিতে পদ পেলেন বিএনপি নেতা!
বৈছাআ নেতা মাহদীসহ আটক ৩
ঢাকার বসুন্ধরা আবাসিক থেকে আওয়ামী লীগের ৫৩ নেতাকর্মীকে আটক
বাড়িতে ঢুকে যুবদল নেতাকে গুলি, অভিযোগ জামায়াত-শিবিরের বিরুদ্ধে
আওয়ামী লীগের সময়ে বরাদ্দকৃত সোহেল তাজের রাজউকের প্লট বাতিল করছে বিএনপি সরকার
গোপালগঞ্জে বিএনপির ব্যানারে আগুন দিল ছাত্রলীগ
গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলায় রাতের আধাঁরে বিএনপির ব্যানারে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে ফেলেছে ছাত্রলীগের কর্মীরা।
ব্যানারে আগুন দিয়ে সেই দৃশ্য ভিডিও করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়েছে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের ৩ কর্মী। গত বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার আমতলী পরিষদ ভবনের সামনে এমন ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, উপজেলার আমতলী গ্রামের নুরুল ইসলামের ছেলে মুনিম ইসলাম, লিঠু খানের ছেলে সিয়াম খান, মনির মিয়ার ছেলে রনি মিয়া আমতলী ইউনিয়ন পরিষদের সামনে টানানো বিএনপির একটি ব্যানার আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয়।
এ ঘটনা তারা ভিডিও করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দিলে মুহুর্তেই ভিডিওটি ভাইরাল হয়ে যায়। নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের এই তিনকর্মী স্থানীয় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে লেখাপড়া করছে।
ঘটনাটি জানার পর
উপজেলা বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তারা এ ঘটনার নিন্দা জানিয়ে দোষীদের শাস্তি দাবি করেন। আমতলী ইউনিয়নের বিএনপি নেতা তুহিন খান বলেন, সম্প্রতি আমি আমতলী ইউনিয়ন পরিষদের সামনে এলাকাবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া, বিএনপির সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট তারেক রহমান ও স্বেচ্ছাসেবক দল কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি এসএম জিলানীর ছবি সম্বলিত একটি ব্যানার টানিয়েছিলাম। স্থানীয় কয়েকজন ছাত্রলীগ কর্মী রাতের আধাঁরে ব্যানারটি আগুন দিয়ে পুড়িয়ে ফেলেছে। এঘটনা তারা ভিডিও করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়েছে। আমি এই ঘটনার তীব্র নিন্দা ও দোষীদের শাস্তি দাবী করছি। এ বিষয়ে মুনিম ইসলামের বাবা নুরল ইসলাম বলেন, আমার ছেলে
যে কাজটি করেছে তা খুবই নিন্দনীয়। তার এই কাজের জন্য আমি উপজেলা বিএনপির সকল নেতা কর্মীর কাছে ক্ষমা চাচ্ছি। উপজেলা বিএনপির সভাপতি এসএম মহিউদ্দিন বলেন, ঘটনাটি আমরা জানার সাথে সাথে কোটালীপাড়া থানা পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বিএনপির নেতৃবৃন্দকে জানিয়েছি। কেন্দ্রীয় বিএনপির নেতৃবৃন্দের নির্দেশ মতো পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। কোটালীপাড়া থানার ওসি মো. আবুল কালাম আজাদ বলেন, এ ঘটনায় বিএনপি থেকে আমাদের কাছে এখনও পর্যন্ত লিখিত কোনো অভিযোগ করা হয়নি। তবে তাদের পক্ষ থেকে মৌখিক ভাবে আমাদেরকে জানানো হয়েছে। আমরা আমাদের মতো করে ব্যবস্থা গ্রহণ করছি।
উপজেলা বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তারা এ ঘটনার নিন্দা জানিয়ে দোষীদের শাস্তি দাবি করেন। আমতলী ইউনিয়নের বিএনপি নেতা তুহিন খান বলেন, সম্প্রতি আমি আমতলী ইউনিয়ন পরিষদের সামনে এলাকাবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া, বিএনপির সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট তারেক রহমান ও স্বেচ্ছাসেবক দল কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি এসএম জিলানীর ছবি সম্বলিত একটি ব্যানার টানিয়েছিলাম। স্থানীয় কয়েকজন ছাত্রলীগ কর্মী রাতের আধাঁরে ব্যানারটি আগুন দিয়ে পুড়িয়ে ফেলেছে। এঘটনা তারা ভিডিও করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়েছে। আমি এই ঘটনার তীব্র নিন্দা ও দোষীদের শাস্তি দাবী করছি। এ বিষয়ে মুনিম ইসলামের বাবা নুরল ইসলাম বলেন, আমার ছেলে
যে কাজটি করেছে তা খুবই নিন্দনীয়। তার এই কাজের জন্য আমি উপজেলা বিএনপির সকল নেতা কর্মীর কাছে ক্ষমা চাচ্ছি। উপজেলা বিএনপির সভাপতি এসএম মহিউদ্দিন বলেন, ঘটনাটি আমরা জানার সাথে সাথে কোটালীপাড়া থানা পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বিএনপির নেতৃবৃন্দকে জানিয়েছি। কেন্দ্রীয় বিএনপির নেতৃবৃন্দের নির্দেশ মতো পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। কোটালীপাড়া থানার ওসি মো. আবুল কালাম আজাদ বলেন, এ ঘটনায় বিএনপি থেকে আমাদের কাছে এখনও পর্যন্ত লিখিত কোনো অভিযোগ করা হয়নি। তবে তাদের পক্ষ থেকে মৌখিক ভাবে আমাদেরকে জানানো হয়েছে। আমরা আমাদের মতো করে ব্যবস্থা গ্রহণ করছি।



