কাশিমপুর কারাগারে সাংবাদিকদের ওপর চলছে ‘মধ্যযুগীয় বর্বরতা’: সিপিজের লোমহর্ষক রিপোর্ট – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১০ ডিসেম্বর, ২০২৫
     ৭:০৬ পূর্বাহ্ণ

আরও খবর

‘বঙ্গবন্ধু শান্তি পদযাত্রা’ থেকে আটক ঢাবি অধ্যাপক জামালকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেপ্তার দেখাল পুলিশ

মানবাধিকার লঙ্ঘনের সকল দায় থেকে জুলাইযোদ্ধাদের মুক্তি দিয়ে জাতীয়ভাবে সম্মতি চাইলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ড. ইউনূসের পাকিস্তানপ্রেমের খেসারত, নিরাপত্তা সংকটে দক্ষিণ এশিয়া: স্পেনের বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা

চার মামলায় জামিন হলেও মুক্তি মিলছে না সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হকের

১১ মার্চ: বঙ্গবন্ধুর আহ্বানে অচল হয়েছিল পাকিস্তানি শাসনযন্ত্র

সার্কাসে পরিণত হয়েছে ইউনূসের বানানো আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল

যে প্রকল্পকে বলা হয়েছিল ‘দেশ বিক্রি’, সেই পাইপলাইনই আজ জ্বালানির শক্ত ভিত্তি

কাশিমপুর কারাগারে সাংবাদিকদের ওপর চলছে ‘মধ্যযুগীয় বর্বরতা’: সিপিজের লোমহর্ষক রিপোর্ট

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১০ ডিসেম্বর, ২০২৫ | ৭:০৬ 75 ভিউ
আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবসের ঠিক আগ মুহূর্তে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে পাঠানো এক কড়া চিঠিতে কারাবন্দি সাংবাদিকদের ওপর চলা অমানবিক নির্যাতনের চিত্র তুলে ধরেছে কমিটি টু প্রোটেক্ট জার্নালিস্টস (সিপিজে)। আজ সোমবার (৮ ডিসেম্বর) পাঠানো এই চিঠিতে নিউইয়র্কভিত্তিক সংগঠনটি সরকারের কঠোর সমালোচনা করে জানিয়েছে, সংস্কার ও মানবাধিকারের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় আসা এই সরকারের আমলেই সাংবাদিকদের মিথ্যা হত্যা মামলায় জড়িয়ে কারাগারে তিলে তিলে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে। চিঠিতে সিপিজে দাবি করেছে, বর্তমানে বাংলাদেশে চারজন সাংবাদিককে হত্যা মামলায় আটক রাখা হয়েছে, যার কোনো বিশ্বাসযোগ্য ভিত্তি নেই। বরং সাংবাদিকতা ও ভিন্ন রাজনৈতিক মতাদর্শের কারণে প্রতিহিংসাবশত এসব মামলা করা হয়েছে বলে

উল্লেখ করেছে সংস্থাটি। কারাগার নাকি নির্যাতন কেন্দ্র? সিপিজের চিঠিতে কাশিমপুর কারাগারে বন্দি সাংবাদিকদের ভয়াবহ পরিস্থিতির বর্ণনা দেওয়া হয়েছে। এতে বলা হয়, সাংবাদিকদের মাত্র ৩৬ বর্গফুটের (৩.৩৪ বর্গমিটার) ক্ষুদ্র সেলে আটকে রাখা হচ্ছে। দরজার বদলে সেখানে রয়েছে লোহার শিক, যার ফলে কনকনে শীতেও তারা সরাসরি হিমেল হাওয়া ও মশার উপদ্রবের শিকার হচ্ছেন। ঘুমানোর জন্য তাদের কোনো তোষক বা বিছানা দেওয়া হয়নি, ঘুমাতে হয় ফ্লোরের ঠাণ্ডা কংক্রিটের ওপর। খাবারের মান নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে। বলা হয়েছে, কারাগার থেকে যে খাবার দেওয়া হয় তা অপর্যাপ্ত এবং অখাদ্য। চিকিৎসা ব্যবস্থার করুণ দশা তুলে ধরে চিঠিতে বলা হয়, কারাগারে কোনো স্থায়ী ডাক্তার নেই। বন্দি সাংবাদিকদের মধ্যে যারা ক্যানসার,

ডায়াবেটিস, হার্টের সমস্যা এবং স্লিপ অ্যাপনিয়ার মতো জটিল রোগে ভুগছেন, তারা মাসের পর মাস কোনো চিকিৎসা পাচ্ছেন না। এমনকি জীবনরক্ষাকারী ওষুধ সরবরাহ করা হচ্ছে না, পরিবারের পক্ষ থেকে ওষুধ পৌঁছানোর ক্ষেত্রেও তৈরি করা হচ্ছে প্রতিবন্ধকতা। প্রতিশ্রুতির নামে প্রহসন চিঠিতে ড. ইউনূসের অতীত প্রতিশ্রুতির কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে সরকারের দ্বিমুখী আচরণের তীব্র সমালোচনা করা হয়। সিপিজে উল্লেখ করে, ২০২৪ সালের নভেম্বরে ‘দ্য ডেইলি স্টার’কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ড. ইউনূস স্বীকার করেছিলেন যে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে তড়িঘড়ি করে ভিত্তিহীন হত্যা মামলা দেওয়া হয়েছে। সে সময় তিনি এসব মামলা পর্যালোচনার জন্য কমিটি গঠনের কথাও বলেছিলেন। কিন্তু সিপিজে ক্ষোভ প্রকাশ করে জানায়, প্রধান উপদেষ্টার সেই আশ্বাসের কোনো প্রতিফলন

বাস্তবে দেখা যায়নি। উল্টো গত বছরের ৮ আগস্ট তিনি দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে কারাবন্দি এই চার সাংবাদিকের বিরুদ্ধে নতুন করে আরও হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। একে সরকারের ‘প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ’ এবং বিচার ব্যবস্থাকে ব্যবহার করে সংবাদপত্রের কণ্ঠরোধের অপচেষ্টা হিসেবে অভিহিত করেছে সংস্থাটি। ১০ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস পালনের আগে নোবেলজয়ী প্রধান উপদেষ্টার নেতৃত্বাধীন সরকারের আমলে সাংবাদিকদের এমন মানবেতর দশা আন্তর্জাতিক মহলে সরকারের ভাবমূর্তিকে চরম সংকটে ফেলেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
ব্রুকলিনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে শিল্প ভবন ধস কুইন্সে নারীর বিচ্ছিন্ন দেহ উদ্ধার, স্বামীকে গ্রেপ্তার টাইটানিকের রোমান্টিক দৃশ্যের আদলে ট্রাম্প-এপস্টিনের ভাস্কর্য ‘বঙ্গবন্ধু শান্তি পদযাত্রা’ থেকে আটক ঢাবি অধ্যাপক জামালকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেপ্তার দেখাল পুলিশ মানবাধিকার লঙ্ঘনের সকল দায় থেকে জুলাইযোদ্ধাদের মুক্তি দিয়ে জাতীয়ভাবে সম্মতি চাইলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ড. ইউনূসের পাকিস্তানপ্রেমের খেসারত, নিরাপত্তা সংকটে দক্ষিণ এশিয়া: স্পেনের বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা চার মামলায় জামিন হলেও মুক্তি মিলছে না সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হকের হাওরের বাঁধের অর্থে শিবির নেতার বাড়ির সড়ক সংস্কারে ২৩ লাখ টাকার প্রকল্প উপহার সুনামগঞ্জের ডিসির! ১১ মার্চ: বঙ্গবন্ধুর আহ্বানে অচল হয়েছিল পাকিস্তানি শাসনযন্ত্র সার্কাসে পরিণত হয়েছে ইউনূসের বানানো আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল যে প্রকল্পকে বলা হয়েছিল ‘দেশ বিক্রি’, সেই পাইপলাইনই আজ জ্বালানির শক্ত ভিত্তি বিএনপি ক্ষমতা নিলেই দানবীয় হয়ে ওঠে পুলিশ তোফাজ্জল হত্যা মামলা: প্রধান দুই অভিযুক্ত বাকের ও আব্দুল কাদেরকে বাদ দিয়েই মামলার চার্জশিট ভারত থেকে আসা ৫ হাজার টন ডিজেল খালাস শেষ হচ্ছে বুধবার হঠাৎ রডের মূল্যবৃদ্ধি কার স্বার্থে? একদিনেই টনপ্রতি বাড়ল ১০ হাজার টাকা ইরানে ফিরতে চান না নারী ফুটবলাররা, নতুন ২ জনসহ সাতজনের আশ্রয় অস্ট্রেলিয়ায় বুলবুলের কমিটি ভেঙে দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু অতিমাত্রায় ‘তেলবাজি’, জয়নুল আবদিন ফারুককে সতর্ক করল বিএনপি পাতাল রেল হচ্ছে না আগামী ৫ বছরেও, আটকে গেছে প্রকল্প সহকর্মীদের আইডি-পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে অগ্রণী ব্যাংকের ৪৩ কোটি টাকা হাপিশ, অভিযুক্ত পগার পার দুবাইতে