কারাগারে মৃত্যুর মিছিল: ঈদের দিন কারাগারে আওয়ামী লীগ নেতা আলী আজগরের মৃত্যু – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১৩ June, ২০২৫

কারাগারে মৃত্যুর মিছিল: ঈদের দিন কারাগারে আওয়ামী লীগ নেতা আলী আজগরের মৃত্যু

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১৩ June, ২০২৫ |
ঢাকার কেরানীগঞ্জে অবস্থিত কেন্দ্রীয় কারাগারে ঈদুল আযহার দিন (৭ই জুন) মো. আলী আজগর নামে এক আওয়ামী লীগ নেতা মৃত্যুবরণ করেছেন। তিনি ঢাকা মহানগর দক্ষিণের ৫৮ নম্বর ওয়ার্ডের বউবাজার ইউনিট আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। তার মৃত্যু ঘিরে পরিবার ও সহকর্মীদের মধ্যে গভীর শোকের পাশাপাশি ক্ষোভও ছড়িয়ে পড়েছে। পরিবারের দাবি, আলী আজগরকে রিমান্ডে নেওয়ার পর নির্মম নির্যাতন করা হয়েছিল এবং গুরুতর অসুস্থ অবস্থায়ও কারা কর্তৃপক্ষ যথাযথ চিকিৎসা না দিয়ে তাকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেয়। তাদের অভিযোগ, এটি নিছক অবহেলা নয়—বরং পরিকল্পিত হত্যার অংশ। কারা কর্তৃপক্ষে দাবি, আলী আজগরের মৃত্যু হয়েছে হার্ট অ্যাটাকে। কিন্তু পরিবারের সদস্যরা এই ব্যাখ্যা মেনে নিতে রাজি নন। আলী আজগরের বড় ভাই বলেন,

“রিমান্ডে নেওয়ার পর থেকেই নির্যাতনে ওর শরীর ভেঙে পড়েছিল। আমরা বারবার চিকিৎসার অনুরোধ করেছি, কেউ শোনেনি। ওর শরীর ছিল সুস্থ, এই মৃত্যু স্বাভাবিক নয়।” আলী আজগর ইউনূস সরকারের আমলে দ্বিতীয়বারের মতো গ্রেপ্তার হয়ে কারাবন্দি ছিলেন। প্রথমবার জামিনে মুক্তি পেলেও, এবার তিনি জীবিত ফিরতে পারলেন না। এই মৃত্যুর মধ্য দিয়ে ৫ই আগস্টের পর থেকে আওয়ামী লীগের ২৩ জন নেতাকর্মী কারা হেফাজতে প্রাণ হারালেন। প্রত্যেক মৃত্যুর ক্ষেত্রেই অভিযোগ উঠেছে নির্যাতন ও চিকিৎসাবিহীন মৃত্যুর বিষয়ে, যদিও কারা কর্তৃপক্ষ প্রতিবারই ‘হার্ট অ্যাটাক’ বা ‘স্বাভাবিক মৃত্যু’র ব্যাখ্যা দিয়েছে। আলী আজগরের মৃত্যুর ঘটনায় দলীয়ভাবে আওয়ামী লীগের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়েছে। এছাড়াও স্থানীয় পর্যায়ে ক্ষোভ দানা বাঁধছে। বউবাজার

ইউনিটের এক নেতা বলেন, “রাজনীতি করতে গিয়ে এখন জীবন দিতে হচ্ছে। অথচ আমাদের বাঁচাতে কেউ নেই। শুধু কাঁদার মতো পরিবার রেখে যেতে হচ্ছে।” এই মৃত্যু আরও একবার প্রশ্ন তোলে: কারাগারে বন্দিদের নিরাপত্তা, চিকিৎসা ও মানবাধিকার কি রয়ে গেছে কেবল নীতিগত কাগজে? নাকি এসব মৃত্যু এক ধরনের নিরব রাজনৈতিক প্রতিহিংসারই প্রতিফলন? আলী আজগরের পরিবার সেই প্রশ্নের উত্তর চায়—যার শেষ কোথায়, কেউ জানে না।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
জবি ক্যাম্পাসে পশু জবাই গরুভোজ কর্মসূচি পালিত ৪৫তম বিসিএসের প্রজ্ঞাপন জারি, ৫৫ জন বাদ এনবিআরের ২ কর্মীর কাছে আসে প্রশ্নপত্র, পরে ছড়িয়ে দেওয়া হয় উত্তরসহ: এসআরবি যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ এড়িয়ে জ্বালানি রপ্তানি করছে ইরান বাসা থেকে সিজেপির দীপকে আটক, নেহাকে তুলে নিয়ে গেছে পুলিশ ইরান যুদ্ধে ইউরোপের ক্ষতি ১০০ বিলিয়ন ইউরোর বেশি: স্পেনের প্রধানমন্ত্রী চুয়েটে অনলাইনে সিন্ডিকেট সভা, অনুপস্থিত বিশ্ববিদ্যালয়ের সব সদস্য শেরপুরে নকলায় মাজারে ভাঙচুর সৌদি আরবে পৌঁছতে বিকল্প পথ ব্যবহার করছেন অনেকেই মেসির নামে নতুন ফুল, পাপড়িতে আর্জেন্টিনার রং দায়িত্ব নেওয়ার ৫ দিনেরও কম সময়ে পদ ছাড়ছেন কেটি জাকারিয়া বাজারে ক্রেতাদের ক্ষোভ: “আলহামদুলিল্লাহ, পেঁপে-কুমড়া এখনও ৮০ টাকার নিচে, তারেক ভাইয়াকে ধন্যবাদ” ‘ব্লাডমানি’ দিয়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ছয় বাংলাদেশির জীবন রক্ষা করেছিল শেখ হাসিনার সরকার, অথচ অলক্ষ্যে সৌদিতে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর সরকারি জমি দখল করে জামায়াত আমির বললেন, “এখন আমাদের সময়” ‘জুলাইবিরোধী’ ভূমিকায় অভিযুক্ত, ১৪৭ পুলিশ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর পর্তুগাল দলে রোনালদোর ফেরা অনিশ্চিত, জানালেন বোন বিশ্বকাপের প্রস্তুতি: ত্রিদেশীয় সিরিজ দিয়ে মাঠে ফিরছে বাংলাদেশ শ্রীলঙ্কার তৎপরতায় সৌদিতে নবী অবমাননায় লংকান যুবকের মৃত্যুদণ্ড রদ, অথচ বাংলাদেশি প্রেমিক যুগলের মৃত্যুদণ্ডে বেখবর মিশন ও দুই মন্ত্রণালয় সৌদি আরবে নিরাপত্তাঝুঁকি, রেমিট্যান্স প্রবাহে নতুন শঙ্কা জামায়াত নেতাদের হাত ধরে সংসদে যেতে চান হিন্দু নেতারা, মন্দিরের সুরক্ষায় জামায়াতের প্রশংসা