ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ওবায়দুল কাদের: শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন ঠেকাতে মরিয়া হয়ে বিদেশিদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছে বিএনপি
নকল টিভিসহ বিভিন্ন ধান্দায় কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে পলাতক গুপ্ত সংগঠন শিবির নেতা এক যুগ পর গ্রেপ্তার
জামায়াত নেতাদের হাত ধরে সংসদে যেতে চান হিন্দু নেতারা, মন্দিরের সুরক্ষায় জামায়াতের প্রশংসা
এনসিপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে মধ্যরাতে ককটেল বিস্ফোরণ
বিশ্বের যে প্রান্তেই যাবে ইউনূস, নিজের কুকর্মের জন্য অপমানিত হবে: ওবায়দুল কাদের
কুমিল্লায় মহানগর জামায়াতের দুগ্রুপের সংঘর্ষ, ভাঙচুর
ঢাকা মেডিকেলে নেওয়া হলো হাসানুল হক ইনুকে
অ্যাডভোকেট পাপিয়া: মমতা-রাহুল কিংবা মোদি সবাই শেখ হাসিনার নিরাপত্তার ব্যাপারে একমত
চারবারের প্রধানমন্ত্রী এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ভারতে অবস্থান ও কূটনৈতিক মর্যাদা নিয়ে বিএনপি সরকারের বিভিন্ন বক্তব্যের সম্পূর্ণ বিপরীত অবস্থান নিলেন সাবেক সংসদ সদস্য, বিএনপির সহ-মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট সৈয়দা আসিফা আশরাফ পাপিয়া।
একটি বেসরকারি টেলিভিশনের লাইভ টকশোতে অংশ নিয়ে তিনি এক চাঞ্চল্যকর মন্তব্য এবং রাজনৈতিক বিশ্লেষণ তুলে ধরেছেন।
অ্যাডভোকেট পাপিয়া স্বীকার করেছেন, ভারতের জাতীয় রাজনীতিতে বিজেপি ও কংগ্রেসের মধ্যে যতো মতভেদই থাক না কেন, বাংলাদেশের চারবারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিরাপত্তা দেওয়া এবং তাঁর পাশে থাকার ইস্যুতে ভারতের সকল প্রধান রাজনৈতিক দল এক ও অভিন্ন অবস্থানে রয়েছে।
টিভি টকশোতে বিএনপির এই নেত্রী বলেন, বিএনপি যে আশায় বসে আছে যে ভারতের সরকার
পরিবর্তন হলে কিংবা অভ্যন্তরীণ চাপ বাড়লে শেখ হাসিনার অবস্থান সংকটে পড়বে—এটি সম্পূর্ণ ভুল ও অবাস্তব এক ধারণা। ভারতের মূলধারার রাজনীতির অভ্যন্তরীণ সমীকরণ তুলে ধরে তিনি বলেন, “ভারতে নরেন্দ্র মোদি, লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী কিংবা পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মধ্যে অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকতে পারে। কিন্তু চারবারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিরাপত্তা, আবাসন এবং তাঁর মর্যাদা রক্ষা করার ব্যাপারে নরেন্দ্র মোদি, রাহুল গান্ধী ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়—সবাই একমত।” তিনি আরও বলেন, “ভারতের কোনো দলই শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দেওয়ার বিরোধিতা করেনি এবং ভবিষ্যতেও করবে না।” ৫ই আগস্টের পটপরিবর্তনের পর বিএনপি-জামায়াত চক্র ও অন্তর্বর্তীকালীন প্রশাসনের কর্তাব্যক্তিরা প্রচার চালিয়েছিল যে, ভারত সরকার হয়তো বেশিদিন শেখ হাসিনাকে আশ্রয়
দেবে না বা কূটনৈতিক চাপ তৈরি করা যাবে। তবে টকশোতে দীর্ঘদিন রাজনীতি করা বিএনপি নেত্রী অ্যাডভোকেট পাপিয়ার এই বিশ্লেষণ সম্পূর্ণ বিপরীত একটি অবস্থান। অ্যাডভোকেট আসিফা আশরাফ পাপিয়া তার রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার আলোকে যে বিষয়টি বলতে চাইছেন, তা হলো, শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের সাথে সমগ্র ভারতবর্ষের বিভিন্ন পক্ষের সাথে যে সম্পর্ক তা কেবল কোনো বিশেষ ব্যক্তি বা দলের সাথে নয়, বরং তা পুরো ভারতের রাষ্ট্রীয় নীতির অংশ। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উচ্চপর্যায় থেকেও আশ্বস্ত করা হয়েছে, ভারতের ক্ষমতাসীন বিজেপি এবং প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেসসহ সকল রাজনৈতিক দলের এই শক্ত অবস্থানের কারণে শেখ হাসিনার নিরাপত্তা নিয়ে কোনো অনিশ্চয়তা নেই। এর ওপর ভিত্তি করেই তিনি আগামী
ডিসেম্বরে পূর্ণ রাষ্ট্রীয় শক্তিতে স্বদেশে বীরদর্পে ফেরার চূড়ান্ত রূপরেখা বাস্তবায়নে এগিয়ে যাচ্ছেন।
পরিবর্তন হলে কিংবা অভ্যন্তরীণ চাপ বাড়লে শেখ হাসিনার অবস্থান সংকটে পড়বে—এটি সম্পূর্ণ ভুল ও অবাস্তব এক ধারণা। ভারতের মূলধারার রাজনীতির অভ্যন্তরীণ সমীকরণ তুলে ধরে তিনি বলেন, “ভারতে নরেন্দ্র মোদি, লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী কিংবা পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মধ্যে অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকতে পারে। কিন্তু চারবারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিরাপত্তা, আবাসন এবং তাঁর মর্যাদা রক্ষা করার ব্যাপারে নরেন্দ্র মোদি, রাহুল গান্ধী ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়—সবাই একমত।” তিনি আরও বলেন, “ভারতের কোনো দলই শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দেওয়ার বিরোধিতা করেনি এবং ভবিষ্যতেও করবে না।” ৫ই আগস্টের পটপরিবর্তনের পর বিএনপি-জামায়াত চক্র ও অন্তর্বর্তীকালীন প্রশাসনের কর্তাব্যক্তিরা প্রচার চালিয়েছিল যে, ভারত সরকার হয়তো বেশিদিন শেখ হাসিনাকে আশ্রয়
দেবে না বা কূটনৈতিক চাপ তৈরি করা যাবে। তবে টকশোতে দীর্ঘদিন রাজনীতি করা বিএনপি নেত্রী অ্যাডভোকেট পাপিয়ার এই বিশ্লেষণ সম্পূর্ণ বিপরীত একটি অবস্থান। অ্যাডভোকেট আসিফা আশরাফ পাপিয়া তার রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার আলোকে যে বিষয়টি বলতে চাইছেন, তা হলো, শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের সাথে সমগ্র ভারতবর্ষের বিভিন্ন পক্ষের সাথে যে সম্পর্ক তা কেবল কোনো বিশেষ ব্যক্তি বা দলের সাথে নয়, বরং তা পুরো ভারতের রাষ্ট্রীয় নীতির অংশ। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উচ্চপর্যায় থেকেও আশ্বস্ত করা হয়েছে, ভারতের ক্ষমতাসীন বিজেপি এবং প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেসসহ সকল রাজনৈতিক দলের এই শক্ত অবস্থানের কারণে শেখ হাসিনার নিরাপত্তা নিয়ে কোনো অনিশ্চয়তা নেই। এর ওপর ভিত্তি করেই তিনি আগামী
ডিসেম্বরে পূর্ণ রাষ্ট্রীয় শক্তিতে স্বদেশে বীরদর্পে ফেরার চূড়ান্ত রূপরেখা বাস্তবায়নে এগিয়ে যাচ্ছেন।



