কর্মকর্তা-কর্মচারিরা একই চেয়ারে ১০ থেকে ১৮ বছর – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১৩ ডিসেম্বর, ২০২৪
     ৬:২৪ অপরাহ্ণ

কর্মকর্তা-কর্মচারিরা একই চেয়ারে ১০ থেকে ১৮ বছর

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১৩ ডিসেম্বর, ২০২৪ | ৬:২৪ 170 ভিউ
চাঁদপুর জেলা পরিষদের নির্বাচিত প্রতিনিধি নির্বাচনের মাধ্যমে পরিবর্তন, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার বদলী হলেও কিছু কর্মকর্তা ও কর্মচারী দীর্ঘ বছর বহাল তবিয়তে। নিজ জেলায় চাকরি করছেন ১০ থেকে ১৮ বছর পর্যন্ত। দীর্ঘ বছর একই জেলায় চাকরি করার কারণে এসব কর্মকর্তা ও কর্মচারিদের বিরুদ্ধে নানা সময় অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। কিন্তু তারা নানাভাবে কৌশল অবলম্বন করে নিজ জেলায় চাকরি করছেন। তদ্বির করার কারণে তাদের বদলি করে কোন কাজ হচ্ছে না। জেলা পরিষদ মূলত সামাজিক কল্যাণ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, ক্ষুদ্র অবকাঠামো নির্মাণ, ক্ষমতায়ন এবং উন্নয়নের মাধ্যমে জেলার জনগনের জীবনমান উন্নয়ন নিয়ে কাজ করছে। আর এই কাজগুলোর সাধারণত প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে শুরু করে শহর অঞ্চলের লোকদের সাথে সম্পর্কিত। কিন্তু কর্মকর্তা

কর্মচারিরা দীর্ঘ বছর একই স্থানে চাকরি করার কারণে উন্নয়ন কাজের সঠিক বাস্তবায়ন বাঁধাগ্রস্ত হচ্ছে। সঠিকভাবে তত্ত্বাবধান হচ্ছেনা জেলা পরিষদের উন্নয়নমূলক ও রুটিন কাজ। এসব কর্মচারিরা দীর্ঘ বছর একই চেয়ারে থাকার কারণে জেলা পরিষদের কাজের সাথে সংশ্লিষ্টদের সাথে সখ্যতা গড়ে তুলেছেন। এছাড়া রাজনৈতিক দলের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের সাথে নানাভাবে জড়িয়ে পড়েছেন। এতে কেউ কেউ আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হয়েছেন। আবার কেউ না পাওয়ার হতাশা ব্যক্ত করেছেন। এসব তথ্য জেলা পরিষদের নির্ভরযোগ্য সূত্র নিশ্চিত করেছে। জানা গেছে, ৫ আগস্টের পর কর্মস্থলে না থাকায় দায়িত্ব থেকে বাদ পড়েছেন জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান। তার পরিবর্তে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনার আলোকে প্রশাসকের দায়িত্বে আছেন জেলা প্রশাসক। প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জেলা পরিষদে

যোগদান করেছেন এক বছরের অধিক সময়। কিন্তু বাকী কর্মকর্তা কর্মচারী একজন একই কর্মস্থলে আছেন ১০ থেকে ১৮ বছর। জেলা পরিষদের ওয়েব সাইট ও প্রাপ্ত তথ্যে জানা গেছে, সহকারী প্রকৌশলী (চলতি দায়িত্ব) মো: ইকবাল হোসেন এই পদে যোগদান করেছেন ২০১৫ সালের ৯ জুলাই। তার বদলির আদেশ হলেও তদ্বির করে একই স্থানে আছেন। এরপর সাঁটলিপিকার শেখ মিহউদ্দিন আহমেদ তিনি ২০০৬ সালের ১০ জুন থেকে এখানে আছেন। যদিও উনার পদবি জেলা পরিষদ এর প্রশাসনিক কর্মকর্তা হিসেবে প্রচার হয়। হিসাবরক্ষক মো: ইকবাল হোসেন ২০০৮ সালের ১১ নভেম্বর থেকে একই চেয়ারে। প্রধান সহকারী মো: মজিবুর রহমান ২০০৬ সালের ১০ মে যোগদান করেছেন এবং সার্ভেয়ার মো: নাছির উদ্দিন

আছেন ২০১২ সালের ১৮ মার্চ থেকে। জেলা পরিষদের ওয়েব সাইটে দেয়া তথ্য বলছে, জনবল সংখ্যা ২৯জন। তবে, এদের মধ্যে যারাই কর্মরত তারা কোনভাবেই বদলি হতে চান না। পরিষদের কর্মচারিরা একই চেয়ারে ১০ থেকে ১৮ বছর চাকরি করছেন। বদলি হলে তদ্বির। অভিযোগ উঠলে নানা ভাবে ধামাচাপা।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
ধানমন্ডি ৩২ শে যাওয়া কি অপরাধ? “আমার মা কখনও কাউকে প্রাণঘাতী শক্তি প্রয়োগের নির্দেশ দেননি, শুধুমাত্র যারা পুলিশ বা অন্যদের ওপর হামলা করছিল, তাদের ক্ষেত্রে ছাড়া।” – সজীব ওয়াজেদ নিরঙ্কুশ জয়, এখনো সরকার গঠন হয়নি: এর আগেই ধানমন্ডিতে ঢাবি শিক্ষক ও মুক্তিযোদ্ধার সন্তান লাঞ্ছিত, প্রশ্নবিদ্ধ ‘ভবিষৎ গণতন্ত্র’ ছয়বার জামিন পেয়েও মেলেনি মুক্তি, কারাগারে আ.লীগ নেতার মৃত্যু গণতন্ত্রের নতুন সমীকরণ: আওয়ামী লীগের নিষেধাজ্ঞা, আন্তর্জাতিক চাপ ও বিএনপির ‘কৌশলী’ দাবার চাল শেখ কবির হোসেনের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গভীর শোক বাংলাদেশের নির্বাচন এবং আস্থার সংকট দেশব্যাপী নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতার রক্তক্ষয়ী রুপ গণভোট ২০২৬: সংখ্যার রহস্য ও মনস্তাত্ত্বিক কারচুপির নেপথ্যে গণভোট ২০২৬: নম্বরের উপর প্রশ্ন হাইকোর্ট থেকে ৬ বার জামিন হলেও বারবার গ্রেফতার হয়েছেন জেল গেটে – আজ মৃত্যু। এটা হত্যাকান্ড! ৬ মাস ধরে কারাগারে ছাত্রলীগ কর্মী ফাইজা: দলের ‘নিষ্ক্রিয়তায়’ হতাশ পরিবার ইউনূস ও তাঁর সহযোগীদের বিরুদ্ধে তদন্ত করে বিচার করতে হবে’: মহসীন রশীদ নওগাঁয় আজব কাণ্ড: মোট ভোটারের চেয়ে ৮৩৬ ভোট বেশি! চাইলে অনেক আগেই প্রধানমন্ত্রী হতে পারতাম, ক্ষমতার লোভ নেই: সজীব ওয়াজেদ জয় প্রতারণা-প্রহসনের নির্বাচন জননেত্রী শেখ হাসিনার বিবৃতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের চাচতো ভাই শেখ কবির হোসেন এর মৃত্যুতে জননেত্রী শেখ হাসিনার শোক বার্তা angladesh’s Vote: A Mandate Under Scrutiny শুধু ভোটের হারে ‘অংশগ্রহণমূলক’ নির্বাচন বোঝায় না: ইইউ পর্যবেক্ষক দল ২০০১ থেকে ২০০৬ এই সময়কাল মানেই দেশের মানুষের স্মৃতিতে আতঙ্ক