ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস এর প্রতিবেদনঃ “কেন ডিসেম্বরেই ঢাকায় ফিরতে চান শেখ হাসিনা?”
‘নানা অজুহাতে’ ২ বছর অচল করে রাখা হয়েছে শেখ হাসিনা সরকারের গড়া মহেশখালীর পাইপলাইন, কিস্তি গুনছে বিপিসি
ভিসা সংকটে থমকে আছে শ্রমবাজার, তবুও ১ কোটি কর্মী পাঠানোর প্রতিশ্রুতি প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী নুরুর
কোথায় কোথায় শিক্ষা সফর করছেন জামায়াতের ৩৪ সাংসদ?
জুলাইয়ে থানা-ফাঁড়ি লুটের ১৪১৭টি অস্ত্র ও প্রায় ৩ লাখ গুলি এখনও চিহ্নিত সন্ত্রাসী-জঙ্গিদের হাতে
হামে একদিনে ঝরল আরও ১১ শিশুর প্রাণ: টিকাদানের ৩ সপ্তাহে অ্যান্টিবডি তৈরির কথা, ৬ মাসেও কমেনি সংক্রমণ, মান প্রশ্নবিদ্ধ
বাংলাদেশে স্ত্রীর অস্বাভাবিক মৃত্যু: তদন্ত প্রভাবিত করতে বাংলাদেশ পুলিশকে ৯০ হাজার ডলার ঘুষ অস্ট্রেলিয়ান স্বামীর
এনবিআরের আরও ৫ কর্মকর্তার দুর্নীতি অনুসন্ধানে দুদক
দুর্নীতির অভিযোগে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) আরও পাঁচ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনুসন্ধানে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বৃহস্পতিবার সংস্থাটির জনসংযোগ দপ্তরের সহকারী পরিচালক তানজির আহমেদ এ তথ্য জানান। এর আগেও দুদফায় ১১ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয় সংস্থাটি। এ নিয়ে তিন দফায় ১৬ কর্মকর্তার দুর্নীতি খুঁজতে কাজ শুরু হয়েছে। তাদের বেশির ভাগই এনবিআরের শাটডাউন কর্মসূচির নেতৃত্বে ছিলেন বলে জানা গেছে।
নতুন করে যাদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে তারা হলেন-কমিশনার কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাট (ঢাকা পূর্ব) কাজী মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন, বেনাপোল স্থলবন্দরের কমিশনার মো. কামরুজ্জামান, উপ-কর কমিশনার (সার্কেল-৭) মো. মামুন মিয়া, আয়কর গোয়েন্দা ইউনিটের অতিরিক্ত কর কমিশনার সেহেলা সিদ্দিকা ও কর অঞ্চল-২ ঢাকার
পরিদর্শক লোকমান আহমেদ। দুদক জানায়, এনবিআরের কিছু অসাধু সদস্য ও কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ঘুসের বিনিময়ে করদাতাদের কর ফাঁকির সুযোগ করে দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মালিক ও এনবিআরের কর্মকর্তারা নিজেরা লাভবান হতে করের পরিমাণ কমিয়ে দিতেন বলেও অভিযোগ আছে। এক্ষেত্রে প্রতিবছর সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। কিছু ক্ষেত্রে কর্মকর্তারা ঘুস না পেয়ে কর ফাঁকি দেওয়ার মিথ্যা মামলা করে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মালিককে হয়রানি করেন। এনবিআর চেয়ারম্যানের অপরসারণ দাবিতে এক সপ্তাহের কলম বিরতি, অবস্থান কর্মসূচি ও সবশেষ দুই দিনের ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ চলাকালে রোববার ছয় কর্মকর্তার দুর্নীতির অনুসন্ধানের ঘোষণা দেয় দুদক। এরপর সোমবার থেকে কাজে ফেরেন আন্দোলনকারীরা।
পরিদর্শক লোকমান আহমেদ। দুদক জানায়, এনবিআরের কিছু অসাধু সদস্য ও কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ঘুসের বিনিময়ে করদাতাদের কর ফাঁকির সুযোগ করে দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মালিক ও এনবিআরের কর্মকর্তারা নিজেরা লাভবান হতে করের পরিমাণ কমিয়ে দিতেন বলেও অভিযোগ আছে। এক্ষেত্রে প্রতিবছর সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। কিছু ক্ষেত্রে কর্মকর্তারা ঘুস না পেয়ে কর ফাঁকি দেওয়ার মিথ্যা মামলা করে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মালিককে হয়রানি করেন। এনবিআর চেয়ারম্যানের অপরসারণ দাবিতে এক সপ্তাহের কলম বিরতি, অবস্থান কর্মসূচি ও সবশেষ দুই দিনের ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ চলাকালে রোববার ছয় কর্মকর্তার দুর্নীতির অনুসন্ধানের ঘোষণা দেয় দুদক। এরপর সোমবার থেকে কাজে ফেরেন আন্দোলনকারীরা।



