ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ইরানের কাছে পাঁচ অসম্ভব দাবি যুক্তরাষ্ট্রের
নতুন করে ১৫ প্রতিষ্ঠান ও দুই ব্যক্তির ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা
ইউক্রেনে ন্যাটোর সামরিক হস্তক্ষেপের প্রস্তুতি চলছে : রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী
চীনের বিরুদ্ধে মার্কিন দাবির প্রমাণ মেলেনি: পর্যবেক্ষক
ট্রাম্পের সমর্থন সত্ত্বেও কেন বিটকয়েনের দাম কমছে?
গাজায় ইসরায়েলি হামলায় আরও ২০ জন নিহত
অনলাইনে গেম খেলতে নিষেধ করায় ভারতে ৩ বোনের আত্মহত্যা
ইসরাইল ভাবছে তাদের থামানোর কোনো শক্তি নেই: এরদোগান
দক্ষিণ লেবাননের শহর ও গ্রামগুলোতে হিজবুল্লাহর অবস্থান লক্ষ্য করে ব্যাপক বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরাইল। হামলা থেকে বাঁচতে আতঙ্কে বাড়িঘর ছেড়ে দেশটির উত্তরের দিকে যাচ্ছে হাজার হাজার মানুষ।
সোমবার জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৯তম অধিবেশনের ফাঁকে তুর্কি হাউসে এক বৈঠকে তিনি এই অভিযোগ করেন।
এরদোগান বলেন, ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সরকার গাজায় আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করতে দ্বিধা করেনি। গাজায় কমপক্ষে ৪১ হাজার ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।
তিনি উল্লেখ করেন, ইসরাইল বেপরোয়া নতুন করে গণহত্যা চালানোর পরিকল্পনা করছে, তারা ভাবছে যে তাদের থামানোর কোনো শক্তি নেই।
তুরস্কের প্রেসিডেন্ট বলেন, ইসরাইল যে অপরাধ করছে তার জন্য তাকে জবাবদিহি করতে হবে এবং ইসরাইলি গণহত্যার বিষয়ে আইসিসির মামলাটি অবশ্যই শেষ
করতে হবে। গণহত্যার অপরাধীদের অবশ্যই তাদের অপরাধ অনুযায়ী শাস্তি দিতে হবে, যাতে আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি সবার আস্থা বেড়ে যায়। এরদোগান করিম খানকে বলেন, ইসরাইলের গণহত্যামূলক অপরাধগুলোকে সুনির্দিষ্ট প্রমাণসহ নির্ণয় করার জন্য তুরস্ক তার সর্বোচ্চ ক্ষমতা দিয়ে চেষ্টা চালিয়ে যাবে। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, গত ৭ অক্টোবর থেকে প্রায় এক বছর ধরে গাজায় ইসরাইলি হামলায় ৪১ হাজার ৪০০ জনেরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন, যাদের বেশিরভাগই নারী এবং শিশু। এই সময়ের মধ্যে আহত হয়েছেন ৯৫ হাজার ৫০০ জনের বেশি মানুষ।
করতে হবে। গণহত্যার অপরাধীদের অবশ্যই তাদের অপরাধ অনুযায়ী শাস্তি দিতে হবে, যাতে আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি সবার আস্থা বেড়ে যায়। এরদোগান করিম খানকে বলেন, ইসরাইলের গণহত্যামূলক অপরাধগুলোকে সুনির্দিষ্ট প্রমাণসহ নির্ণয় করার জন্য তুরস্ক তার সর্বোচ্চ ক্ষমতা দিয়ে চেষ্টা চালিয়ে যাবে। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, গত ৭ অক্টোবর থেকে প্রায় এক বছর ধরে গাজায় ইসরাইলি হামলায় ৪১ হাজার ৪০০ জনেরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন, যাদের বেশিরভাগই নারী এবং শিশু। এই সময়ের মধ্যে আহত হয়েছেন ৯৫ হাজার ৫০০ জনের বেশি মানুষ।



