ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ফের ইরানে যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসরায়েল!
চুক্তিতে রাজি না হলে আবারও ইরানে হামলা করবে যুক্তরাষ্ট্র
লেবাননে যুদ্ধ বন্ধের পক্ষে স্পষ্ট বার্তা যুক্তরাজ্যের
হরমুজে পা রাখলেই সব যুদ্ধজাহাজ ডুবিয়ে দেওয়ার হুঁশিয়ারি ইরানের
ইরানকে সাহায্যকারী জাহাজেও হামলা করার হুমকি যুক্তরাষ্ট্রের
‘যুক্তরাষ্ট্রের বার্তা নিয়ে’ ইরানে পাকিস্তানের সেনাপ্রধান
ইরানকে অস্ত্র না দিতে সি চিন পিংকে চিঠি ট্রাম্পের
ইরানে ইসরাইলি হামলার সমালোচনায় যেসব দেশ
ইরানে হামলা করেছে ইসরাইল। দেশটির ইলাম, খুজেস্তান ও তেহরান প্রদেশের কয়েকটি সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে এ হামলা চালানো হয়েছে। ইসরাইল জানিয়েছে, ইরান ও এর মিত্রদের হামলার প্রতিবাদে এ হামলা চালানো হলো।
ইরান বলছে, ইসরাইলের এ হামলায় দেশটির দুজন সেনার মৃত্যু হয়েছে। দেশটির গণমাধ্যম ইরনা নিউজের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ইসরাইলের এ হামলার সমালোচনা করেছে সৌদি আরব, ওমান, মালয়েশিয়া, পাকিস্তান, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ইরাক, ইয়েমেন ও কাতার।
এ ছাড়াও ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠী হামাস এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফও এ হামলার নিন্দা জানিয়েছেন।
সৌদি আরব ইরানের ওপর ইসরাইলের সামরিক হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে একে ‘ইরানের সার্বভৌমত্বের লঙ্ঘন’ ও আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন বলে অভিহিত করেছে।
এক বিবৃতিতে সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এটি ইরানের আঞ্চলিক অখণ্ডতার মারাত্মক লঙ্ঘন এবং প্রতিষ্ঠিত আন্তর্জাতিক রীতিনীতি ও আইনের বিরোধী। তাসনিম নিউজের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের সামরিক বাহিনীর আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তেহরানের আশপাশের তিনটি স্থানে চালানো ইসরাইলি হামলা রুখে দিয়েছে। তবে অল্প কিছু ক্ষতিও হয়েছে। এর আগে, গত ১ অক্টোবর হামাসের রাজনৈতিক ব্যুরো প্রধান ইসমাইল হানিয়া, হিজবুল্লাহর প্রধান হাসান নাসরুল্লাহ এবং আইআরজিসি (ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস) জেনারেল আব্বাস নিলফোরোশানের হত্যার জবাবে ইসরাইলের সামরিক এবং গোয়েন্দা ঘাঁটিতে প্রায় ২০০টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে ইরান। এ হামলার পর ইরানি কর্মকর্তারা সতর্ক করে দিয়ে বলেছিলেন, ইসরাইল কোনো পদক্ষেপ নিলে ইরান আরও কঠোর প্রতিক্রিয়া দেখাবে।
এক বিবৃতিতে সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এটি ইরানের আঞ্চলিক অখণ্ডতার মারাত্মক লঙ্ঘন এবং প্রতিষ্ঠিত আন্তর্জাতিক রীতিনীতি ও আইনের বিরোধী। তাসনিম নিউজের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের সামরিক বাহিনীর আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তেহরানের আশপাশের তিনটি স্থানে চালানো ইসরাইলি হামলা রুখে দিয়েছে। তবে অল্প কিছু ক্ষতিও হয়েছে। এর আগে, গত ১ অক্টোবর হামাসের রাজনৈতিক ব্যুরো প্রধান ইসমাইল হানিয়া, হিজবুল্লাহর প্রধান হাসান নাসরুল্লাহ এবং আইআরজিসি (ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস) জেনারেল আব্বাস নিলফোরোশানের হত্যার জবাবে ইসরাইলের সামরিক এবং গোয়েন্দা ঘাঁটিতে প্রায় ২০০টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে ইরান। এ হামলার পর ইরানি কর্মকর্তারা সতর্ক করে দিয়ে বলেছিলেন, ইসরাইল কোনো পদক্ষেপ নিলে ইরান আরও কঠোর প্রতিক্রিয়া দেখাবে।



