আগ্নেয়াস্ত্র জমা দেননি শামীম ওসমান ও তার পরিবারের সদস্যরা – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
     ৮:০৮ অপরাহ্ণ

আগ্নেয়াস্ত্র জমা দেননি শামীম ওসমান ও তার পরিবারের সদস্যরা

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ | ৮:০৮ 251 ভিউ
গত ৩ সেপ্টেম্বরের মধ্যে আগ্নেয়াস্ত্র ও গোলাবারুদ জমা দিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা থাকলেও নারায়ণগঞ্জ জেলায় অন্তত ৫৫টি আগ্নেয়াস্ত্র জমা পড়েনি। এরমধ্যে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য এ কে এম শামীম ওসমান ও তার পরিবারের সদস্যদের কাছে রয়েছে অন্তত আটটি আগ্নেয়াস্ত্র, যা তারা জমা দেননি। এসব অস্ত্র অবৈধ ঘোষণা করেছে জেলা প্রশাসন। জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, স্বাধীনতার পর থেকে নারায়ণগঞ্জ জেলায় ৭৩৭টি অস্ত্রের লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ২০০৯ সালের জানুয়ারিতে আওয়ামী লীগ সরকার গঠনের পর ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত টানা চার মেয়াদে মোট ৩২১টি অস্ত্রের লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বেসামরিক নাগরিকদের মধ্যে দেওয়া ১৯১টি অস্ত্রের

লাইসেন্স স্থগিত করেছে জেলা প্রশাসন। এরমধ্যে ১০২টি শটগান ও বন্দুক, ৬৭টি পিস্তল, ১৪টি রাইফেল ও আটটি রিভলভার। এই সরকারের বেঁধে দেওয়া সময়ের মধ্যে জেলার বিভিন্ন থানায় ১৩৬টি অস্ত্র জমা দেওয়া হয়েছে। এখনো ৫৫টি অস্ত্র জমা পড়েনি। অস্ত্র জমা না দেওয়া ব্যক্তিদের তালিকায় রয়েছেন শামীম ওসমান, তার ভাই সেলিম ওসমান, ছেলে ইমতিনান ওসমান অয়ন ও শ্যালক তানভীর আহম্মেদ টিটু। অস্ত্র জমা না দেওয়ার তালিকায় নাম রয়েছে এই আসনের প্রয়াত সংসদ সদস্য সারাহ বেগম কবরীরও। নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের ১৮ অক্টোবর শামীম ওসমানের নামে পয়েন্ট ২২ বোরের একটি রাইফেলের লাইসেন্স দেওয়া হয়। তিনি এই রাইফেলের লাইসেন্স একই বছরের

৩১ ডিসেম্বর নবায়নও করেছেন। গত বছরের ২৬ অক্টোবর একটি এনপিবি পিস্তলের লাইসেন্স নেন তিনি। কিন্তু অন্তর্বর্তী সরকারের ঘোষণার পর বেঁধে দেওয়া সময়ের মধ্যে তিনি অস্ত্র দুটি জমা দেননি। সেই কারণে তার অস্ত্র দুটি অবৈধ হিসেবে বর্তমানে জেলা প্রশাসনের তালিকায় তালিকাভুক্ত হয়েছে। তার ভাই নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এ কে এম সেলিম ওসমানও তার আগ্নেয়াস্ত্র জমা দেননি। ২০২০ সালের ১ মার্চ তার নামে একটি পিস্তল ইস্যু করা হয়। তার নামে ২০২৩ সালের ১২ সেপ্টেম্বর আরেকটি পিস্তলের লাইসেন্সও দেওয়া হয়। সেটিও তিনি জমা দেননি। শামীম ওসমানের ছেলে ইমতিনান ওসমান অয়ন এখনো তার শটগানটি জমা দেননি। তার শ্যালক ও বিসিবির সাবেক পরিচালক তানভীর আহম্মেদ টিটুর

নামে ২০১৫ সালের ১৫ নভেম্বর পয়েন্ট ২২ বোরের একটি রাইফেলের লাইসেন্স দেওয়া হয়। গত বছরের ৫ নভেম্বর পয়েন্ট ২২ বোরের একটি এনপিবি পিস্তলেরও লাইসেন্স পান তিনি। অস্ত্র দুটি তিনি এখনো জমা দেননি। নারায়ণগঞ্জের জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাহমুদুল হক বলেন, যারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আগ্নেয়াস্ত্র জমা দেননি, তাদের ওই অস্ত্রগুলো অবৈধ হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। অস্ত্র উদ্ধারে যৌথ অভিযান চলছে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
ঐশ্বরিয়াকে বিয়ে করতে চান পাকিস্তানি মুফতি ডেঙ্গুতে আরও ৫ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৬৩৬ জমি নিয়ে দুপক্ষের সংঘর্ষে নিহত ৩ মাদক রাখার দায়ে ২ জনের মৃত্যুদণ্ড ক্যালিফোর্নিয়ায় বন্দুক হামলায় নিহত ৪, আহত ১০ ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ডিটওয়াহ আদালত চত্বরে দুর্বৃত্তের গুলিতে নিহত ২ দেশে সরকারি ইসলামী ব্যাংকের কার্যক্রম শুরু শুরু হলো বিপিএলের নিলাম, মোবাইলে দেখবেন যেভাবে সরকারি হাসপাতালে পরীক্ষা-নিরীক্ষা বন্ধ ঘূর্ণিঝড় : ১১ নম্বর বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে যা জানা গেল সচিবালয়ে আগুন ‘মিনিস্ট্রি অডিটে’ ঘুষের রেট এক মাসের বেতন সার না পেয়ে মহাসড়ক অবরোধ একযোগে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ৫০ নেতার পদত্যাগ ৫টি বিদেশি পিস্তলসহ যুবক আটক বিএনপি-জামায়াতের আক্রমনে নির্মমভাবে আহত বরিশালের এক যুবলীগ নেতা বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ এর নির্দেশনা মোতাবেক অবৈধ ক্যাঙ্গারু কোর্টের প্রহসনের রায়ের যুবলীগ ও ছাত্রলীগের বিক্ষোভ মিছিল শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মিথ্যা রায়, ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি, বাংলাদেশের নতুন জাগরণ বিজয় দিবসে কুচকাওয়াজ বাতিল : পাকিস্তানপন্থীদের কাছে বাপের পরাজয় উদযাপন বিব্রতকর!