ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
আরব আমিরাতে ৮২৩ খাদ্যপণ্যে বিশেষ ছাড়
ভেনেজুয়েলায় শত শত রাজনৈতিক বন্দির মুক্তির সম্ভাবনা
ট্রাম্পের বৈশ্বিক শুল্ক আরোপ অবৈধ : মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট
“বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক রাষ্ট্রদূত উইলিয়াম বি. “বিল” মিলামের মৃত্যুতে আমরা গভীর শোক প্রকাশ করছি
নিষিদ্ধ মারণাস্ত্রের ব্যবহার, নিমেষে নিশ্চিহ্ন হাজারো মানুষ
যুক্তরাষ্ট্রের জাহাজকে ইরানের জলসীমা এড়িয়ে চলার নির্দেশ
পর্তুগালের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অ্যান্টোনিও সেগুরোর জয়
আইএমএফ থেকে ৭ বিলিয়ন ডলারের ঋণ পাচ্ছে পাকিস্তান
নগদ অর্থ সংকটে পড়া পাকিস্তানের জন্য ৭ বিলিয়ন ডলারের ঋণ অনুমোদন করেছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। বৃহস্পতিবার এক প্রতিবেদনে এবিসি নিউজ জানিয়েছে, দুই মাসেরও বেশি সময় ধরে আলোচনার চুক্তির বিষয়ে একমত হয়েছে দুই পক্ষ।
এছাড়া প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, শিগগিরই এই ঋণের প্রথম কিস্তি এক বিলিয়ন ডলার দেওয়া হবে, বাকি অর্থ মিলবেন তিন বছরের মধ্যে। আইএমএফের এই সহায়তা প্যাকেজের মাধ্যমে পাকিস্তানের ভঙ্গুর অর্থনীতিকে চাঙ্গা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফ এক বিবৃতিতে এই চুক্তিকে স্বাগত জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, তার দল জুন থেকে আইএমএফের সাথে আলোচনা করছে। ঋণচুক্তি অনুমোদনের জন্য আইএমএফের প্রধান ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা এবং তার দলকে ধন্যবাদ জানান।
ওয়াশিংটনভিত্তিক বিশ্বব্যাপী
ঋণদাতা সংস্থাটি বলেছে, চুক্তির আওতায় ১ বিলিয়ন ডলার তাৎক্ষণিকভাবে বিতরণ করা হবে। চুক্তির অংশ হিসেবে পাকিস্তানের সাধারণ জনগণ এবং ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে সংগ্রহ করা করের পরিমাণ আরো বাড়বে। বিদেশি মুদ্রার প্রবাহ বাড়াতে এমন অজনপ্রিয় সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছে পাকিস্তান সরকার। বৃহস্পতিবার জারি করা এক বিবৃতিতে আইএমএফ, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা পুনরুদ্ধারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য পাকিস্তানের প্রশংসা করেছে। পাকিস্তানে সম্প্রতি প্রবৃদ্ধি আবার বেড়েছে, মুদ্রাস্ফীতি এক অঙ্কে নেমে এসেছে। এছাড়া বৈদেশিক মুদ্রা বাজার রিজার্ভ বাফারের পুনর্নির্মাণের অনুমতি দিয়েছে। তবে একইসঙ্গে পাকিস্তান কর্তৃপক্ষের সমালোচনাও করেছে সংস্থাটি। আইএমএফ সতর্ক করেছে যে, অগ্রগতি সত্ত্বেও, পাকিস্তানের দুর্বলতা এবং কাঠামোগত চ্যালেঞ্জগুলোর ভয়াবহ রয়ে গেছে। এদিকে বিবিসি এক
প্রতিবদেনে জানিয়েছে, পাকিস্তান আইএমএফের পঞ্চম বৃহত্তম ঋণগ্রহীতা দেশ। ইসলামাবাদ এখন পর্যন্ত ১৯৫৮ সাল থেকে আইএমএফ থেকে ২০টিরও বেশি ঋণ নিয়েছে।
ঋণদাতা সংস্থাটি বলেছে, চুক্তির আওতায় ১ বিলিয়ন ডলার তাৎক্ষণিকভাবে বিতরণ করা হবে। চুক্তির অংশ হিসেবে পাকিস্তানের সাধারণ জনগণ এবং ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে সংগ্রহ করা করের পরিমাণ আরো বাড়বে। বিদেশি মুদ্রার প্রবাহ বাড়াতে এমন অজনপ্রিয় সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছে পাকিস্তান সরকার। বৃহস্পতিবার জারি করা এক বিবৃতিতে আইএমএফ, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা পুনরুদ্ধারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য পাকিস্তানের প্রশংসা করেছে। পাকিস্তানে সম্প্রতি প্রবৃদ্ধি আবার বেড়েছে, মুদ্রাস্ফীতি এক অঙ্কে নেমে এসেছে। এছাড়া বৈদেশিক মুদ্রা বাজার রিজার্ভ বাফারের পুনর্নির্মাণের অনুমতি দিয়েছে। তবে একইসঙ্গে পাকিস্তান কর্তৃপক্ষের সমালোচনাও করেছে সংস্থাটি। আইএমএফ সতর্ক করেছে যে, অগ্রগতি সত্ত্বেও, পাকিস্তানের দুর্বলতা এবং কাঠামোগত চ্যালেঞ্জগুলোর ভয়াবহ রয়ে গেছে। এদিকে বিবিসি এক
প্রতিবদেনে জানিয়েছে, পাকিস্তান আইএমএফের পঞ্চম বৃহত্তম ঋণগ্রহীতা দেশ। ইসলামাবাদ এখন পর্যন্ত ১৯৫৮ সাল থেকে আইএমএফ থেকে ২০টিরও বেশি ঋণ নিয়েছে।



