ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
অস্ট্রেলিয়াকে বড় লজ্জা উপহার দিল দক্ষিণ আফ্রিকা
বিজেপির জোটে যোগ দিতেই ইউসুফ পাঠানকে জমি উপহার
তিনশ বলে ১৬০, টাইগাররা কি পারবে ৪১ রানে জিততে
কত রানে জিতলে ফাইনালে বাংলাদেশ
বায়ার্নের আর্সেনাল পরীক্ষায় নেই ওলিসে
রোনালদোকে যে জরিমানা করা হলো, তা তার ৩০ সেকেন্ডের আয়!
চ্যাম্পিয়নস লিগে আজ ব্লকবাস্টার লড়াই: মুখোমুখি পিএসজি ও বার্সেলোনা
ব্রুকের বিশ্বরেকর্ড বৃথা, রেকর্ডবুক তছনছ করে ইংল্যান্ডকে হারাল শ্রীলঙ্কা
একদিনের ম্যাচে ৪৩০ রানের টার্গেট। খেলা যারা দেখেন কিংবা বুঝেন, তাদের সবাই হয়তো ধরেই নিয়েছিলেন- এই ম্যাচ তাড়া করে জেতা সম্ভব নয়! কিন্তু এই অসম্ভব কাজটাই সম্ভব করেছে লঙ্কানরা। ত্রিদেশীয় সিরিজে ৮৫৯ রানের ম্যাচে ইংলিশদের হতাশ করে ২ উইকেটের জয় তুলে নিয়েছে শ্রীলঙ্কার।
আর এই জয়ের মাধ্যমে হয়েছে রেকর্ড। নিজেদের ওয়ানডে ক্রিকেটের ইতিহাসে সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জেতার রেকর্ড এটি। আর সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জেতার রেকর্ডে এর অবস্থান দুই নম্বরে। ২০০৬ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ৪৩৫ রান তাড়া করে জিতেছিল দক্ষিণ আফ্রিকা।
রান তাড়া করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি শ্রীলঙ্কার। মাত্র ২৪ রানের মাথায় সাজঘরে ফেরেন দুই টপঅর্ডার ব্যাটার। ১৬ বলে ১৮
রান করে আউট হন কামিন্দু মেন্ডিস। আর কোনো বল না খেলেই রানআউট হয়ে সাজঘরে ফেরেন দলনেতা কুশল মেন্ডিস। ব্রুকের বিশ্বরেকর্ড বৃথা, রেকর্ডবুক তছনছ করে ইংল্যান্ডকে হারাল শ্রীলঙ্কা বিশ্বরেকর্ড গড়ে নতুন ইতিহাস লিখলেন ব্রুক শুরুর ধাক্কা সামলে নেন দলনেতা আভিস্কা ফার্নান্দো ও পবন রত্নায়েক। দুজন মিলে গড়েন ১৬৬ রানের জুটি। সেঞ্চুরির কাছাকাছি গিয়েছিলেন আভিস্কা। কিন্তু ৩ রানের আক্ষেপ থেকে যায় তার। ৮৩ বলে ৯৭ রানে থামেন এই ব্যাটার। চতুর্থ উইকেট জুটিটা আরও বড়। মূলত এই জুটিতেই জয়ের আসল ভিত পায় লঙ্কানরা। রত্নায়েক ও শানাকা মিলে মাত্র ৭৯ বলে গড়েন ১৩৩ রানের জুটি। কিন্তু এই দুই ব্যাটারেই কেউই জয় নিয়ে ফিরতে পারেননি। সেঞ্চুরি পূরণের পর ১৩০
রানে থামেন রত্নায়েক। মাত্র ১০৬ বলে খেলা ইনিংসটি ১৫টি চার ও তিনটি চারে সাজানো। এদিকে মাত্র ৫০ বলে ৯৭ রানে থামে শানাকার ইনিংস। তার ইনিংসটি ছয়টি চার ও আটটি ছয়ে সাজানো। এরপর শায়ান আচার্যেকে নিয়ে জয় জয়ের কাছেই পৌঁছে যায় শ্রীলঙ্কা। কিন্তু শেষ ওভারে রোমাঞ্চের জন্ম দেন জশ টাং। দ্বিতীয় এবং তৃতীয় বলে তুলে নেন দুটি উইকেট। তাতেই ঘুরে যাচ্ছিলো ম্যাচের মোড়। এক সময় ২ বলে দরকার ছিল ৬ রান। শেষ ওভারের পঞ্চম বলে ছক্কা হাঁকিয়ে জয় নিশ্চিত করেন জানিথ লিয়াঙ্গে। মাত্র ২৭ বলে ৬০ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি। এর আগে ম্যাচের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ভালো সূচনা পায় ইংল্যান্ড। উদ্বোধনী
জুটিতে আসে ৭৪ রান। ৫০ রান করে আউট হন টম ব্যান্টন। আরেক ওপেনার ২৯ রানে সাজঘরে ফেরেন। এদিকে ফিফটির দেখা পান জো রুট। ৬৬ বলে ৬৯ রান করেন এই ডানহাতি ব্যাটার। এরপর উইল জ্যাকসকে নিয়ে রীতিমতো ঝড় তোলেন দলনেতা হ্যারি ব্রুক। মাত্র ৭৭ বলে দুজন মিলে গড়েন ১৮৫ রানের জুটি। মাত্র ১১৪ বলে ডাবল সেঞ্চুরি করে বিশ্বরেকর্ড গড়েন ব্রুক। শেষ বলে আউট হওয়ার আগে করেন ১১৬ বলে ২০২ রান। এদিকে ৩০ বলে ৬৬ রানে অপরাজিত থাকেন জ্যাকস।
রান করে আউট হন কামিন্দু মেন্ডিস। আর কোনো বল না খেলেই রানআউট হয়ে সাজঘরে ফেরেন দলনেতা কুশল মেন্ডিস। ব্রুকের বিশ্বরেকর্ড বৃথা, রেকর্ডবুক তছনছ করে ইংল্যান্ডকে হারাল শ্রীলঙ্কা বিশ্বরেকর্ড গড়ে নতুন ইতিহাস লিখলেন ব্রুক শুরুর ধাক্কা সামলে নেন দলনেতা আভিস্কা ফার্নান্দো ও পবন রত্নায়েক। দুজন মিলে গড়েন ১৬৬ রানের জুটি। সেঞ্চুরির কাছাকাছি গিয়েছিলেন আভিস্কা। কিন্তু ৩ রানের আক্ষেপ থেকে যায় তার। ৮৩ বলে ৯৭ রানে থামেন এই ব্যাটার। চতুর্থ উইকেট জুটিটা আরও বড়। মূলত এই জুটিতেই জয়ের আসল ভিত পায় লঙ্কানরা। রত্নায়েক ও শানাকা মিলে মাত্র ৭৯ বলে গড়েন ১৩৩ রানের জুটি। কিন্তু এই দুই ব্যাটারেই কেউই জয় নিয়ে ফিরতে পারেননি। সেঞ্চুরি পূরণের পর ১৩০
রানে থামেন রত্নায়েক। মাত্র ১০৬ বলে খেলা ইনিংসটি ১৫টি চার ও তিনটি চারে সাজানো। এদিকে মাত্র ৫০ বলে ৯৭ রানে থামে শানাকার ইনিংস। তার ইনিংসটি ছয়টি চার ও আটটি ছয়ে সাজানো। এরপর শায়ান আচার্যেকে নিয়ে জয় জয়ের কাছেই পৌঁছে যায় শ্রীলঙ্কা। কিন্তু শেষ ওভারে রোমাঞ্চের জন্ম দেন জশ টাং। দ্বিতীয় এবং তৃতীয় বলে তুলে নেন দুটি উইকেট। তাতেই ঘুরে যাচ্ছিলো ম্যাচের মোড়। এক সময় ২ বলে দরকার ছিল ৬ রান। শেষ ওভারের পঞ্চম বলে ছক্কা হাঁকিয়ে জয় নিশ্চিত করেন জানিথ লিয়াঙ্গে। মাত্র ২৭ বলে ৬০ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি। এর আগে ম্যাচের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ভালো সূচনা পায় ইংল্যান্ড। উদ্বোধনী
জুটিতে আসে ৭৪ রান। ৫০ রান করে আউট হন টম ব্যান্টন। আরেক ওপেনার ২৯ রানে সাজঘরে ফেরেন। এদিকে ফিফটির দেখা পান জো রুট। ৬৬ বলে ৬৯ রান করেন এই ডানহাতি ব্যাটার। এরপর উইল জ্যাকসকে নিয়ে রীতিমতো ঝড় তোলেন দলনেতা হ্যারি ব্রুক। মাত্র ৭৭ বলে দুজন মিলে গড়েন ১৮৫ রানের জুটি। মাত্র ১১৪ বলে ডাবল সেঞ্চুরি করে বিশ্বরেকর্ড গড়েন ব্রুক। শেষ বলে আউট হওয়ার আগে করেন ১১৬ বলে ২০২ রান। এদিকে ৩০ বলে ৬৬ রানে অপরাজিত থাকেন জ্যাকস।



