ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ব্রিকসের যৌথ ঘোষণায় ঐকমত্য, নিন্দা ‘সব ধরনের আগ্রাসনের’
হরমুজে সংকট, বাব আল-মান্দাবে হুতিদের চাপ—বিশ্ববাজারে তেল পৌঁছাবে কীভাবে?
জি-৭কে ‘তথাকথিত’ উল্লেখ করে ব্রিকসের অর্থনৈতিক শক্তির বন্দনায় পুতিন
হরমুজ এড়িয়ে তেল রপ্তানির গুরুত্বপূর্ণ পাইপলাইন বন্ধ করল সৌদি
ক্ষেপণাস্ত্র ও সাইবার হামলায় এআই ব্যবহারের বিস্ফোরক দাবি অ্যানথ্রোপিকের
আরব আমিরাত-সমর্থিত গোষ্ঠীর ওপর সৌদি আরবের হামলা
৯/১১ হামলার ২৫ বছর আজ: স্মরণ অনুষ্ঠানে যাচ্ছেন না ডোনাল্ড ট্রাম্প
উন্নয়নশীল দেশগুলো নিয়ম মানার পাশাপাশি নিয়ম তৈরিও করবে: মোদি
বিশ্বের ‘গ্লোবাল সাউথ’ বা উন্নয়নশীল দেশগুলোকে আন্তর্জাতিক নিয়মের শুধু অনুসারী না হয়ে নিয়ম প্রণয়নে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এ ক্ষেত্রে ভারত নেতৃত্ব দিতে প্রস্তুত বলেও জানিয়েছেন তিনি। শনিবার নয়াদিল্লিতে ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের উদ্বোধনী অধিবেশনে তিনি বলেন, বৈশ্বিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে গ্লোবাল সাউথের আরও কার্যকর ভূমিকা নিশ্চিত করতে হবে।
মোদি বলেন, গ্লোবাল সাউথ আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সামনের সারিতে থাকলেও সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে এখনো পিছিয়ে রয়েছে। এই ‘সুবিধাভিত্তিক কাঠামো’ বদলে এমন একটি অংশীদারত্বের ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে, যেখানে প্রতিটি দেশের কণ্ঠস্বর থাকবে এবং প্রত্যেক সদস্যের অংশীদারত্ব থাকবে।
১০ দফার সংস্কার রোডম্যাপের প্রস্তাব
বৈশ্বিক শাসনব্যবস্থার সংস্কারে ব্রিকসের মাধ্যমে একটি ‘রিফর্ম রোডম্যাপ’ তৈরির প্রস্তাব দিয়েছেন
মোদি। এ জন্য আগামী সম্মেলনের আগে বৈশ্বিক শাসনব্যবস্থা সংস্কারে ১০টি প্রস্তাব তৈরির কথা বলেন তিনি। মোদি জানান, এই সংস্কারের মূল ভিত্তি হবে তিনটি বিষয়-প্রতিনিধিত্ব, কার্যকরতা ও নিয়ম প্রণয়ন। জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের সংস্কার আর বিলম্ব করা উচিত নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি। এ ক্ষেত্রে আলোচনা একটি নির্দিষ্ট সময়সীমার সঙ্গে যুক্ত করে বাস্তব ও দৃশ্যমান ফলাফল নিশ্চিত করার আহ্বান জানান মোদি। আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ক্ষেত্রেও সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার কথা বলেন তিনি। এসব প্রতিষ্ঠানে ভোটাধিকার, নেতৃত্বের পদ ও নীতিগত অগ্রাধিকার বর্তমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। ‘মানুষকেন্দ্রিক ও মানবতাকে অগ্রাধিকার’ ব্রিকসের সভাপতিত্বকালে ভারত ‘মানুষকেন্দ্রিক ও মানবতাকে অগ্রাধিকার দেওয়া’ নীতি অনুসরণ করেছে
বলে জানান মোদি। তার মতে, ভারতের সভাপতিত্বে স্থিতিস্থাপকতা, উদ্ভাবন, সহযোগিতা ও টেকসই উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। ব্রিকসের সহযোগিতাকে সাধারণ মানুষের সঙ্গে যুক্ত করার ওপরও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী জানান, তার দেশের সভাপতিত্বে ব্রিকসের আওতায় ৩৫০টির বেশি বৈঠক আয়োজন করা হয়েছে। জোটের সদস্যদেশগুলোর প্রতিনিধিদের প্রায় ৩০টি শহরে স্বাগত জানানো হয়েছে। ব্রিকস এখন ‘পরিণত হওয়ার’ একটি পর্যায়ে পৌঁছেছে বলেও মন্তব্য করেন মোদি। তার ভাষ্য, গত দুই দশকে বৈশ্বিক অঙ্গনে ব্রিকস একটি স্বতন্ত্র পরিচয় তৈরি করেছে। তিনি বলেন, সদস্যদেশগুলো পরস্পরের মতামতকে সম্মান করে এবং ঐকমত্যের ভিত্তিতে এগিয়ে যায়। কারও বিরোধিতা না করে সবাইকে সঙ্গে নিয়েই এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে ব্রিকস। এখন এই ঐক্য ও
ঐকমত্যকে বৈশ্বিক পর্যায়ে বাস্তব ফলাফলে রূপ দেওয়ার সময় এসেছে। আগামী ২০ বছরে ব্রিকসকে আরও উচ্চাভিলাষী কর্মসূচি নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বানও জানান ভারতের প্রধানমন্ত্রী। নাবিকদের নিরাপত্তায় নেটওয়ার্কের প্রস্তাব ব্রিকসের সদস্যদেশগুলোর নাবিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে একটি নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার প্রস্তাব দিয়েছেন মোদি। সমুদ্রপথে বাণিজ্য ও পণ্য পরিবহন আন্তর্জাতিক অর্থনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে তিনি নাবিকদের নিরাপত্তায় সদস্যদেশগুলোর মধ্যে সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন। দুই দিনের এ সম্মেলনে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন, চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংসহ ব্রিকসের সদস্যদেশগুলোর নেতারা অংশ নিচ্ছেন।
মোদি। এ জন্য আগামী সম্মেলনের আগে বৈশ্বিক শাসনব্যবস্থা সংস্কারে ১০টি প্রস্তাব তৈরির কথা বলেন তিনি। মোদি জানান, এই সংস্কারের মূল ভিত্তি হবে তিনটি বিষয়-প্রতিনিধিত্ব, কার্যকরতা ও নিয়ম প্রণয়ন। জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের সংস্কার আর বিলম্ব করা উচিত নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি। এ ক্ষেত্রে আলোচনা একটি নির্দিষ্ট সময়সীমার সঙ্গে যুক্ত করে বাস্তব ও দৃশ্যমান ফলাফল নিশ্চিত করার আহ্বান জানান মোদি। আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ক্ষেত্রেও সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার কথা বলেন তিনি। এসব প্রতিষ্ঠানে ভোটাধিকার, নেতৃত্বের পদ ও নীতিগত অগ্রাধিকার বর্তমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। ‘মানুষকেন্দ্রিক ও মানবতাকে অগ্রাধিকার’ ব্রিকসের সভাপতিত্বকালে ভারত ‘মানুষকেন্দ্রিক ও মানবতাকে অগ্রাধিকার দেওয়া’ নীতি অনুসরণ করেছে
বলে জানান মোদি। তার মতে, ভারতের সভাপতিত্বে স্থিতিস্থাপকতা, উদ্ভাবন, সহযোগিতা ও টেকসই উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। ব্রিকসের সহযোগিতাকে সাধারণ মানুষের সঙ্গে যুক্ত করার ওপরও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী জানান, তার দেশের সভাপতিত্বে ব্রিকসের আওতায় ৩৫০টির বেশি বৈঠক আয়োজন করা হয়েছে। জোটের সদস্যদেশগুলোর প্রতিনিধিদের প্রায় ৩০টি শহরে স্বাগত জানানো হয়েছে। ব্রিকস এখন ‘পরিণত হওয়ার’ একটি পর্যায়ে পৌঁছেছে বলেও মন্তব্য করেন মোদি। তার ভাষ্য, গত দুই দশকে বৈশ্বিক অঙ্গনে ব্রিকস একটি স্বতন্ত্র পরিচয় তৈরি করেছে। তিনি বলেন, সদস্যদেশগুলো পরস্পরের মতামতকে সম্মান করে এবং ঐকমত্যের ভিত্তিতে এগিয়ে যায়। কারও বিরোধিতা না করে সবাইকে সঙ্গে নিয়েই এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে ব্রিকস। এখন এই ঐক্য ও
ঐকমত্যকে বৈশ্বিক পর্যায়ে বাস্তব ফলাফলে রূপ দেওয়ার সময় এসেছে। আগামী ২০ বছরে ব্রিকসকে আরও উচ্চাভিলাষী কর্মসূচি নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বানও জানান ভারতের প্রধানমন্ত্রী। নাবিকদের নিরাপত্তায় নেটওয়ার্কের প্রস্তাব ব্রিকসের সদস্যদেশগুলোর নাবিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে একটি নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার প্রস্তাব দিয়েছেন মোদি। সমুদ্রপথে বাণিজ্য ও পণ্য পরিবহন আন্তর্জাতিক অর্থনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে তিনি নাবিকদের নিরাপত্তায় সদস্যদেশগুলোর মধ্যে সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন। দুই দিনের এ সম্মেলনে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন, চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংসহ ব্রিকসের সদস্যদেশগুলোর নেতারা অংশ নিচ্ছেন।



