ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ব্রিকসের যৌথ ঘোষণায় ঐকমত্য, নিন্দা ‘সব ধরনের আগ্রাসনের’
হরমুজে সংকট, বাব আল-মান্দাবে হুতিদের চাপ—বিশ্ববাজারে তেল পৌঁছাবে কীভাবে?
উন্নয়নশীল দেশগুলো নিয়ম মানার পাশাপাশি নিয়ম তৈরিও করবে: মোদি
হরমুজ এড়িয়ে তেল রপ্তানির গুরুত্বপূর্ণ পাইপলাইন বন্ধ করল সৌদি
ক্ষেপণাস্ত্র ও সাইবার হামলায় এআই ব্যবহারের বিস্ফোরক দাবি অ্যানথ্রোপিকের
আরব আমিরাত-সমর্থিত গোষ্ঠীর ওপর সৌদি আরবের হামলা
৯/১১ হামলার ২৫ বছর আজ: স্মরণ অনুষ্ঠানে যাচ্ছেন না ডোনাল্ড ট্রাম্প
জি-৭কে ‘তথাকথিত’ উল্লেখ করে ব্রিকসের অর্থনৈতিক শক্তির বন্দনায় পুতিন
ব্রিকসভুক্ত দেশগুলোর অর্থনৈতিক শক্তির কথা তুলে ধরে পশ্চিমা জোট জি-৭কে কটাক্ষ করেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। তিনি বলেছেন, বিশ্বের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ৪০ শতাংশের বেশি এখন ব্রিকসভুক্ত দেশগুলো থেকে আসছে।
নয়াদিল্লিতে ব্রিকস সম্মেলনের আগে শুক্রবার এক অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে পুতিন জি-৭কে ‘তথাকথিত’ বলে উল্লেখ করেন। তার বক্তব্যে পশ্চিমা নেতৃত্বাধীন অর্থনৈতিক কাঠামোর বিপরীতে ব্রিকসের ক্রমবর্ধমান প্রভাবের বিষয়টি উঠে আসে।
পুতিন বলেন, বৈশ্বিক অর্থনীতিতে ব্রিকস দেশগুলোর সম্মিলিত অংশ ক্রমেই বাড়ছে। বিশ্বের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে এই জোটের সদস্যদের গুরুত্ব এখন আর উপেক্ষা করার মতো নয়।
রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের বক্তব্যে বৈশ্বিক অর্থনীতিতে পশ্চিমা দেশগুলোর দীর্ঘদিনের প্রভাবের সমালোচনাও উঠে আসে। তার মতে, বিশ্ব অর্থনীতির বাস্তব চিত্র বদলে যাচ্ছে এবং
নতুন অর্থনৈতিক শক্তিগুলো ক্রমেই বেশি প্রভাবশালী হয়ে উঠছে। ব্রিকসের সদস্যদেশগুলোর মধ্যে চীন, ভারত, রাশিয়া ও ব্রাজিলের মতো বড় অর্থনীতি রয়েছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জোটটির সদস্যসংখ্যাও বেড়েছে। ফলে বৈশ্বিক অর্থনীতিতে ব্রিকসের সম্মিলিত অবস্থান আরও শক্তিশালী হয়েছে। পুতিনের বক্তব্যে জি-৭কে ‘তথাকথিত’ বলা সেই পরিবর্তিত বাস্তবতার দিকেই ইঙ্গিত করে। ব্রিকসের বৈঠকে অর্থনৈতিক সহযোগিতা বাড়ানোর পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে স্থানীয় মুদ্রার ব্যবহার, বিনিয়োগ এবং বিকল্প অর্থ লেনদেনব্যবস্থা নিয়েও আলোচনা হচ্ছে। রাশিয়া ও চীন দীর্ঘদিন ধরে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে মার্কিন ডলারের ওপর নির্ভরতা কমানোর পক্ষে অবস্থান নিয়ে আসছে। ব্রিকসের নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের ভূমিকা বাড়ানো এবং সদস্যদেশগুলোর মধ্যে অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদারের বিষয়টিও আলোচনায় রয়েছে। পুতিন এর আগে ব্রিকসকে বাণিজ্য, অবকাঠামো, প্রযুক্তি ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রে
আরও কার্যকর প্ল্যাটফর্ম হিসেবে গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। এবারের ব্রিকস সম্মেলনের আয়োজক ভারত। ফলে জোটটির ভেতরে পশ্চিমা দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়ে ভিন্নমত থাকলেও নয়াদিল্লি কোনো পক্ষের বিরুদ্ধে ব্রিকসকে সরাসরি রাজনৈতিক জোট হিসেবে দাঁড় করাতে চায় না। ভারত একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমা দেশগুলোর সঙ্গে কৌশলগত সম্পর্ক বজায় রাখছে এবং রাশিয়া, ইরানসহ ব্রিকসের অন্যান্য সদস্যের সঙ্গেও ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রাখছে। নয়াদিল্লিতে ব্রিকস সম্মেলনের মঞ্চে পুতিনের জি-৭কে কটাক্ষ এবং ব্রিকসের অর্থনৈতিক শক্তির কথা তুলে ধরা তাই বৈশ্বিক রাজনীতিতে বদলে যাওয়া শক্তির ভারসাম্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা হিসেবেই দেখা হচ্ছে। সূত্র- এএনআই
নতুন অর্থনৈতিক শক্তিগুলো ক্রমেই বেশি প্রভাবশালী হয়ে উঠছে। ব্রিকসের সদস্যদেশগুলোর মধ্যে চীন, ভারত, রাশিয়া ও ব্রাজিলের মতো বড় অর্থনীতি রয়েছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জোটটির সদস্যসংখ্যাও বেড়েছে। ফলে বৈশ্বিক অর্থনীতিতে ব্রিকসের সম্মিলিত অবস্থান আরও শক্তিশালী হয়েছে। পুতিনের বক্তব্যে জি-৭কে ‘তথাকথিত’ বলা সেই পরিবর্তিত বাস্তবতার দিকেই ইঙ্গিত করে। ব্রিকসের বৈঠকে অর্থনৈতিক সহযোগিতা বাড়ানোর পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে স্থানীয় মুদ্রার ব্যবহার, বিনিয়োগ এবং বিকল্প অর্থ লেনদেনব্যবস্থা নিয়েও আলোচনা হচ্ছে। রাশিয়া ও চীন দীর্ঘদিন ধরে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে মার্কিন ডলারের ওপর নির্ভরতা কমানোর পক্ষে অবস্থান নিয়ে আসছে। ব্রিকসের নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের ভূমিকা বাড়ানো এবং সদস্যদেশগুলোর মধ্যে অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদারের বিষয়টিও আলোচনায় রয়েছে। পুতিন এর আগে ব্রিকসকে বাণিজ্য, অবকাঠামো, প্রযুক্তি ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রে
আরও কার্যকর প্ল্যাটফর্ম হিসেবে গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। এবারের ব্রিকস সম্মেলনের আয়োজক ভারত। ফলে জোটটির ভেতরে পশ্চিমা দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়ে ভিন্নমত থাকলেও নয়াদিল্লি কোনো পক্ষের বিরুদ্ধে ব্রিকসকে সরাসরি রাজনৈতিক জোট হিসেবে দাঁড় করাতে চায় না। ভারত একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমা দেশগুলোর সঙ্গে কৌশলগত সম্পর্ক বজায় রাখছে এবং রাশিয়া, ইরানসহ ব্রিকসের অন্যান্য সদস্যের সঙ্গেও ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রাখছে। নয়াদিল্লিতে ব্রিকস সম্মেলনের মঞ্চে পুতিনের জি-৭কে কটাক্ষ এবং ব্রিকসের অর্থনৈতিক শক্তির কথা তুলে ধরা তাই বৈশ্বিক রাজনীতিতে বদলে যাওয়া শক্তির ভারসাম্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা হিসেবেই দেখা হচ্ছে। সূত্র- এএনআই



