ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
৫৪ হাজার ইয়াবাসহ এপিবিএন সদস্য গ্রেফতার
কর্ণফুলীর স্রোতের মতো চাঁদা ঢুকছে কৃষক দলের আলমগীরের পকেটে
শাহজালাল বিমানবন্দরের পাশে সেন্টার পয়েন্টে অগ্নিকাণ্ড
সাগরে বিলীন কুয়াকাটার সেই ট্যুরিস্ট পুলিশ বক্স
সকালে কাজে এসে দেখলেন চাকরি নেইঃ গাজীপুরে কেয়া গ্রুপের ৪ কারখানায় ‘গণছাঁটাই’ হলেন ৬১৩ শ্রমিক
ভেনিসে বাঁধন-কে হেনস্তাকারী ইতালিপ্রবাসী মনিরুলের বাড়িতে মব নিয়ে হাজির মবহোতা আয়াস, তথ্যদাতা আলজাজিরা সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়ের
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র ঘিরে রহস্যময় কর্মকান্ড থামছেই না; এবার পরমাণু শক্তি কমিশন অফিসে অগ্নিকাণ্ড, গুরুত্বপূর্ণ ফাইল ও নথি ক্ষতিগ্রস্ত
রাজশাহী-কলকাতা নতুন ট্রেন সার্ভিস চালুর প্রস্তাব দেবে বাংলাদেশ
বন্ধ থাকা তিনটি আন্তঃদেশীয় ট্রেন সার্ভিস পুনরায় চালুর পাশাপাশি রাজশাহী থেকে কলকাতা রুটে সম্পূর্ণ নতুন একটি যাত্রীবাহী ট্রেন সার্ভিস চালুর প্রস্তাব ভারতকে দিতে যাচ্ছে বাংলাদেশ সরকার। ঢাকায় শুরু হওয়া দুই দিনব্যাপী বাংলাদেশ-ভারত রেলওয়ে বার্ষিক বৈঠকে এই প্রস্তাব উত্থাপন করা হবে বলে রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে।
বৈঠকের মূল আলোচ্যসূচি
বাংলাদেশ রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার থেকে শুরু হওয়া এই বৈঠকে প্রধানত তিনটি বিষয় গুরুত্ব পাবে—
মৈত্রী, বন্ধন ও মিতালী এক্সপ্রেস পুনরায় চালুর বিষয়ে আলোচনা। দুই দেশ সম্মত হলে আগামী অক্টোবর থেকেই ট্রেনগুলোর চলাচল আবার শুরু হতে পারে।
রাজশাহী-কলকাতা রুটে নতুন ট্রেন সার্ভিস চালুর প্রস্তাব উপস্থাপন করবে বাংলাদেশ।
পদ্মা সেতু হয়ে মৈত্রী এক্সপ্রেস পরিচালনার আগ্রহের কথাও জানাবে
বাংলাদেশ রেলওয়ে। উল্লেখ্য, পদ্মা সেতু চালু হওয়ার পরও এখন পর্যন্ত ট্রেনটি যমুনা সেতু হয়ে চলাচল করে আসছে। প্রেক্ষাপট ২০২৪ সালের জুলাই মাসে দেশে রাজনৈতিক অস্থিরতার জেরে মৈত্রী, বন্ধন ও মিতালী—এই তিনটি আন্তঃদেশীয় যাত্রীবাহী ট্রেনের চলাচল স্থগিত করা হয়। বাংলাদেশ রেলওয়ের ওয়েবসাইটেও এখনো এই স্থগিতাদেশের কথা উল্লেখ রয়েছে। প্রায় দুই বছর বন্ধ থাকার পর সাম্প্রতিক সময়ে দুই দেশের মধ্যে রেল যোগাযোগ পুনরায় চালুর উদ্যোগ জোরদার হয়েছে। রেলওয়ে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ট্রেন তিনটি পুনরায় চালুর বিষয়ে ভারতীয় রেলওয়েরও আগ্রহ রয়েছে। তবে শুধু দুই দেশের রেল কর্তৃপক্ষের সম্মতি যথেষ্ট নয়—এ বিষয়ে দুই দেশের পররাষ্ট্র ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য দপ্তরের মতামতও প্রয়োজন হবে। বৈঠকে এসব মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরাও
অংশ নেবেন। কর্মকর্তারা বলছেন, আন্তঃদেশীয় ট্রেন চলাচল পুনরায় শুরুর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসবে রাজনৈতিক পর্যায় থেকে। রুটগুলোর ইতিহাস ঢাকা-কলকাতা রুটে মৈত্রী এক্সপ্রেস চালু হয় ২০০৮ সালের পয়লা বৈশাখে। খুলনা-কলকাতা রুটে বন্ধন এক্সপ্রেস চালু হয় ২০১৭ সালের নভেম্বরে। ঢাকা থেকে ভারতের নিউ জলপাইগুড়ি পর্যন্ত মিতালী এক্সপ্রেস যাত্রা শুরু করে ২০২২ সালের জুনে। সম্ভাব্য সময়সূচি রেলওয়ে সূত্র বলছে, বৈঠকে দুই দেশ ঐকমত্যে পৌঁছালে আগামী অক্টোবরের শুরুতেই তিনটি ট্রেনের চলাচল আবার শুরু হতে পারে, যা দুর্গাপূজার আগে সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য দুই দেশের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন প্রয়োজন হবে। রাজশাহী-কলকাতা নতুন রুটটি বাস্তবায়িত হলে তা হবে দুই দেশের মধ্যে রেল যোগাযোগের একটি নতুন সংযোজন, যা
রাজশাহী অঞ্চলের সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন করবে।
বাংলাদেশ রেলওয়ে। উল্লেখ্য, পদ্মা সেতু চালু হওয়ার পরও এখন পর্যন্ত ট্রেনটি যমুনা সেতু হয়ে চলাচল করে আসছে। প্রেক্ষাপট ২০২৪ সালের জুলাই মাসে দেশে রাজনৈতিক অস্থিরতার জেরে মৈত্রী, বন্ধন ও মিতালী—এই তিনটি আন্তঃদেশীয় যাত্রীবাহী ট্রেনের চলাচল স্থগিত করা হয়। বাংলাদেশ রেলওয়ের ওয়েবসাইটেও এখনো এই স্থগিতাদেশের কথা উল্লেখ রয়েছে। প্রায় দুই বছর বন্ধ থাকার পর সাম্প্রতিক সময়ে দুই দেশের মধ্যে রেল যোগাযোগ পুনরায় চালুর উদ্যোগ জোরদার হয়েছে। রেলওয়ে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ট্রেন তিনটি পুনরায় চালুর বিষয়ে ভারতীয় রেলওয়েরও আগ্রহ রয়েছে। তবে শুধু দুই দেশের রেল কর্তৃপক্ষের সম্মতি যথেষ্ট নয়—এ বিষয়ে দুই দেশের পররাষ্ট্র ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য দপ্তরের মতামতও প্রয়োজন হবে। বৈঠকে এসব মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরাও
অংশ নেবেন। কর্মকর্তারা বলছেন, আন্তঃদেশীয় ট্রেন চলাচল পুনরায় শুরুর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসবে রাজনৈতিক পর্যায় থেকে। রুটগুলোর ইতিহাস ঢাকা-কলকাতা রুটে মৈত্রী এক্সপ্রেস চালু হয় ২০০৮ সালের পয়লা বৈশাখে। খুলনা-কলকাতা রুটে বন্ধন এক্সপ্রেস চালু হয় ২০১৭ সালের নভেম্বরে। ঢাকা থেকে ভারতের নিউ জলপাইগুড়ি পর্যন্ত মিতালী এক্সপ্রেস যাত্রা শুরু করে ২০২২ সালের জুনে। সম্ভাব্য সময়সূচি রেলওয়ে সূত্র বলছে, বৈঠকে দুই দেশ ঐকমত্যে পৌঁছালে আগামী অক্টোবরের শুরুতেই তিনটি ট্রেনের চলাচল আবার শুরু হতে পারে, যা দুর্গাপূজার আগে সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য দুই দেশের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন প্রয়োজন হবে। রাজশাহী-কলকাতা নতুন রুটটি বাস্তবায়িত হলে তা হবে দুই দেশের মধ্যে রেল যোগাযোগের একটি নতুন সংযোজন, যা
রাজশাহী অঞ্চলের সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন করবে।



