ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
জুলাই সংক্রান্ত অসংখ্য ভুয়া মামলা: তদন্তে উঠে আসছে একে একে চাঞ্চল্যকর তথ্য, মিলেছে জালিয়াতির প্রমাণ
প্রবাসীর স্ত্রীর সাথে গুপ্ত সম্পর্ক, এবার বাঁশখালীর জামায়াত এমপি জহিরুলকে ঘিরে চাঞ্চল্যকর দাবি
এগারো দলীয় জোট ছাড়ল খেলাফত মজলিস
জামায়াত এমপির পর এবার বিএনপি নেতারও ‘বিশেষ ভিডিও’ ভাইরাল
আমাদের কাফেলা মদিনা থেকে ঘুরে আমেরিকার দিকে চলে গেছে: ইআবা নেতা ফয়জুল করিম
এমপি গাজী নজরুল এখন কোথায়?
বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে ধর্ষণের অভিযোগে চট্টগ্রাম এনসিপির শীর্ষ নেতা গ্রেফতার
‘ডিসেম্বরের মধ্যেই নেত্রীকে ফেরাবো’: কক্সবাজারে প্রকাশ্য সভায় ছাত্রলীগের দৃঢ় শপথ
সিনিয়র নেতাদের অনুপস্থিতিতেও কক্সবাজারের সীমান্ত জনপদ উখিয়ায় বড় ধরনের রাজনৈতিক বার্তা দিল ছাত্রলীগ।
আজ ২৫শে জুলাই, শনিবার উখিয়া উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নে দলটির স্থানীয় নেতাকর্মীরা প্রকাশ্যে এক আলোচনা সভার আয়োজন করে। কোনো প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতা কিংবা রাজনৈতিক অভিভাবকের সরাসরি উপস্থিতি ছাড়াই অত্যন্ত সুশৃঙ্খল ও ভয়ডরহীনভাবে এই কর্মসূচি সম্পন্ন হয়।
সামাজিক ও রাজনৈতিক উত্তাপের মধ্যে আয়োজিত এই সভাটি স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত যুব ও ছাত্রনেতারা বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। কোনো প্রকার দ্বিধা বা বাধা তোয়াক্কা না করে তারা একত্রিত হন এবং পুনর্গঠনের বার্তা দিয়ে একযোগে শপথ নেন।
তাদের মূল বক্তব্য ছিল—সংগঠন পুনরুজ্জীবিত করার মাধ্যমে নেত্রীর প্রত্যাবর্তন সুগম করা। তৃণমূলের এই রাজনৈতিক তৎপরতাকে সাধুবাদ জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় ও আঞ্চলিক সিনিয়র নেতৃবৃন্দ। তৃণমূলের এই সাহসিকতায় মুগ্ধতা প্রকাশ করে এক জ্যেষ্ঠ নেতা মন্তব্য করেন, “এই সাহসের ভেতর এক ধরণের মুগ্ধতা আছে। প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও তরুণদের এই অগ্রযাত্রা থেকে জন্ম নেবে এক ডায়নামিক নেতৃত্ব, যেখানে দলের মুক্তি ও বিজয় অনিবার্য হয়ে উঠবে। ইনশাআল্লাহ, আগামী ডিসেম্বরের মধ্যেই আমরা আমাদের নেত্রীকে দেশে ফিরিয়ে আনবো।” রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, উখিয়ার পালংখালীর এই কর্মসূচি আপাতদৃষ্টিতে একটি স্থানীয় আলোচনা সভা মনে হলেও, এর রাজনৈতিক প্রভাব বেশ গভীর। সিনিয়র নেতাদের আড়ালে রেখে তৃণমূল তরুণদের সামনে এনে এমন সুসংগঠিত কর্মসূচি
প্রমাণ করে যে, মাঠপর্যায়ে নতুন কৌশল ও শক্তি নিয়ে পুনর্গঠিত হওয়ার চেষ্টা করছে সংগঠনটি।
তাদের মূল বক্তব্য ছিল—সংগঠন পুনরুজ্জীবিত করার মাধ্যমে নেত্রীর প্রত্যাবর্তন সুগম করা। তৃণমূলের এই রাজনৈতিক তৎপরতাকে সাধুবাদ জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় ও আঞ্চলিক সিনিয়র নেতৃবৃন্দ। তৃণমূলের এই সাহসিকতায় মুগ্ধতা প্রকাশ করে এক জ্যেষ্ঠ নেতা মন্তব্য করেন, “এই সাহসের ভেতর এক ধরণের মুগ্ধতা আছে। প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও তরুণদের এই অগ্রযাত্রা থেকে জন্ম নেবে এক ডায়নামিক নেতৃত্ব, যেখানে দলের মুক্তি ও বিজয় অনিবার্য হয়ে উঠবে। ইনশাআল্লাহ, আগামী ডিসেম্বরের মধ্যেই আমরা আমাদের নেত্রীকে দেশে ফিরিয়ে আনবো।” রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, উখিয়ার পালংখালীর এই কর্মসূচি আপাতদৃষ্টিতে একটি স্থানীয় আলোচনা সভা মনে হলেও, এর রাজনৈতিক প্রভাব বেশ গভীর। সিনিয়র নেতাদের আড়ালে রেখে তৃণমূল তরুণদের সামনে এনে এমন সুসংগঠিত কর্মসূচি
প্রমাণ করে যে, মাঠপর্যায়ে নতুন কৌশল ও শক্তি নিয়ে পুনর্গঠিত হওয়ার চেষ্টা করছে সংগঠনটি।



