ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিভিন্ন ঘটনার তদন্ত দাবি পেশাজীবী মানবাধিকার পরিষদের
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ইনুর ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড
প্রিপেইড মিটারে ভৌতিক বিল কর্তনের অভিযোগ, মধ্যরাতে বিদ্যুতহীনতার ভোগান্তিতে ক্ষুব্ধ গ্রাহকরা
বিশ্বজুড়ে ৯১টি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের শিরোনামে শেখ হাসিনা: “এ বছরই দেশে ফিরব”
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ইনুর ১০ বছরের কারাদণ্ড
তুরাগ হত্যাকাণ্ড: বিএনপি ও পুলিশের অস্বীকারের পরেও সত্য উদ্ঘাটন; পুলিশ-বিএনপি’র যৌথ অভিযান ও হামলা!
এডিপি বাস্তবায়নে ১৬ বছরের সর্বনিম্ন রেকর্ড: কর্মকর্তাদের সক্ষমতার অভাবে থমকে আছে প্রকল্প বাস্তবায়ন
ঢাবি স্থাপনার নাম পরিবর্তন: সিনেট অধিবেশন থেকে শিবিরের ওয়াকআউট; পছন্দের নাম ‘শহিদ ওসমান হাদি’
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শেখ পরিবারের নামে থাকা পাঁচটি স্থাপনার নাম পরিবর্তনের বিষয়ে সিনেট অধিবেশনে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করে অধিবেশন থেকে ওয়াকআউট করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) পাঁচ সিনেট সদস্য। সোমবার (২৯ জুন) রাত সোয়া ১০টার দিকে সিনেট অধিবেশন চলাকালে তারা এই পদক্ষেপ নেন।
ওয়াকআউটকারী প্রতিনিধিরা হলেন ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম, জিএস এস এম ফরহাদ, এজিএস মুহাম্মদ মহিউদ্দিন, পরিবহন সম্পাদক আসিফ আব্দুল্লাহ এবং সদস্য সাবিকুন্নাহার তামান্না। তারা ওয়াকআউটের সিদ্ধান্ত নিলে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম তাদের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসার আহ্বান জানান, তবে প্রতিনিধিরা তাতে সাড়া দেননি।
জানা যায়, ডাকসু ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে
গত ৮ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সভায় শেখ পরিবারের নামে থাকা পাঁচটি স্থাপনার নাম পরিবর্তনের বিষয়টি সিনেটে উপস্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। তালিকাভুক্ত স্থাপনাগুলো হলো শেখ মুজিবুর রহমান হল, বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হল, শেখ রাসেল টাওয়ার, বঙ্গবন্ধু টাওয়ার এবং ইনস্টিটিউট অব লেদার ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজির শহীদ অ্যাথলেট সুলতানা কামাল হোস্টেল। সোমবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপাচার্য বিষয়টি সিনেটের এজেন্ডায় উপস্থাপন করলে সদস্যদের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়। আলোচনায় সিনেট সদস্য অধ্যাপক মো. লুৎফর রহমান বিষয়টি বিধি অনুসরণ করে পুনরায় সিন্ডিকেটে পাঠানোর প্রস্তাব দেন। অন্যদিকে অধ্যাপক ড. সামিনা লুৎফা নাম পরিবর্তনের বিষয়ে আপত্তি জানান। আলোচনার সময় ডাকসু প্রতিনিধিরা দাবি করেন, শেখ পরিবারের নামে থাকা
স্থাপনাগুলোর কারণে শিক্ষার্থীরা নানা ধরনের সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছেন। তাদের ভাষ্যমতে, ‘শেখ মুজিবুর রহমান হল’-এর ব্যানার নিয়ে জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে শিক্ষার্থীরা হেনস্তার শিকার হয়েছেন। এছাড়া হলের বিভিন্ন ক্লাবের জন্য স্পন্সর সংগ্রহেও জটিলতা তৈরি হচ্ছে বলে তারা জানান। ডাকসু জিএস এস এম ফরহাদ বলেন, বিষয়টি যদি পুনরায় সিন্ডিকেটে পাঠানো হয়, তাহলে নির্দিষ্ট সুপারিশ বা মতামত সংযুক্ত করে পাঠানো উচিত। ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম বলেন, জুলাই আন্দোলনের পর অন্তর্বর্তী সরকার শেখ পরিবারের নামে থাকা আট শতাধিক প্রতিষ্ঠানের নাম পরিবর্তন করেছে। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের এসব স্থাপনার ক্ষেত্রেও শহিদ ওসমান হাদি, বীরশ্রেষ্ঠসহ দেশের বরেণ্য ব্যক্তিদের নামে নামকরণের প্রস্তাব দেন। শেষ পর্যন্ত বিষয়টি নিয়ে সিনেটে কোনো চূড়ান্ত
সিদ্ধান্ত না আসায় ডাকসুর পাঁচ সদস্য অসন্তোষ প্রকাশ করে অধিবেশন বর্জন করেন।
গত ৮ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সভায় শেখ পরিবারের নামে থাকা পাঁচটি স্থাপনার নাম পরিবর্তনের বিষয়টি সিনেটে উপস্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। তালিকাভুক্ত স্থাপনাগুলো হলো শেখ মুজিবুর রহমান হল, বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হল, শেখ রাসেল টাওয়ার, বঙ্গবন্ধু টাওয়ার এবং ইনস্টিটিউট অব লেদার ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজির শহীদ অ্যাথলেট সুলতানা কামাল হোস্টেল। সোমবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপাচার্য বিষয়টি সিনেটের এজেন্ডায় উপস্থাপন করলে সদস্যদের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়। আলোচনায় সিনেট সদস্য অধ্যাপক মো. লুৎফর রহমান বিষয়টি বিধি অনুসরণ করে পুনরায় সিন্ডিকেটে পাঠানোর প্রস্তাব দেন। অন্যদিকে অধ্যাপক ড. সামিনা লুৎফা নাম পরিবর্তনের বিষয়ে আপত্তি জানান। আলোচনার সময় ডাকসু প্রতিনিধিরা দাবি করেন, শেখ পরিবারের নামে থাকা
স্থাপনাগুলোর কারণে শিক্ষার্থীরা নানা ধরনের সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছেন। তাদের ভাষ্যমতে, ‘শেখ মুজিবুর রহমান হল’-এর ব্যানার নিয়ে জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে শিক্ষার্থীরা হেনস্তার শিকার হয়েছেন। এছাড়া হলের বিভিন্ন ক্লাবের জন্য স্পন্সর সংগ্রহেও জটিলতা তৈরি হচ্ছে বলে তারা জানান। ডাকসু জিএস এস এম ফরহাদ বলেন, বিষয়টি যদি পুনরায় সিন্ডিকেটে পাঠানো হয়, তাহলে নির্দিষ্ট সুপারিশ বা মতামত সংযুক্ত করে পাঠানো উচিত। ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম বলেন, জুলাই আন্দোলনের পর অন্তর্বর্তী সরকার শেখ পরিবারের নামে থাকা আট শতাধিক প্রতিষ্ঠানের নাম পরিবর্তন করেছে। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের এসব স্থাপনার ক্ষেত্রেও শহিদ ওসমান হাদি, বীরশ্রেষ্ঠসহ দেশের বরেণ্য ব্যক্তিদের নামে নামকরণের প্রস্তাব দেন। শেষ পর্যন্ত বিষয়টি নিয়ে সিনেটে কোনো চূড়ান্ত
সিদ্ধান্ত না আসায় ডাকসুর পাঁচ সদস্য অসন্তোষ প্রকাশ করে অধিবেশন বর্জন করেন।



