ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বাজেটে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন নিয়ে ইতিবাচক পদক্ষেপ
দেশে নিবন্ধিত মোবাইল সিমের সংখ্যা ৩২ কোটি ৮২ লাখ
শর্ত মানলে স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন আ.লীগের নেতাকর্মীরা
ঘাটতি মেটাতে ব্যাংক ঋণের লক্ষ্য ১ লাখ ১২ হাজার কোটি টাকা, বাড়ছে সরকারের ঋণনির্ভরতা
তিন সরকার আমলে মাঠে থেকেও আইনশৃঙ্খলার উন্নতি অধরা: ব্যারাকে কি আদৌ ফিরছে সেনাবাহিনী, উদ্বেগ যাচ্ছে না
আওয়ামী লীগ নেতা ও সাবেক মেয়র আনিছুর রহমানের জানাজায় সাধারণ মানুষের ঢল
গা ঢাকা দিয়েছেন ইউনূসের উপদেষ্টারা: কেউ বিদেশে, কেউ মবের ভয়ে ‘ঠিকানাহীন’
সব দোষ একজনের ওপর চাপিয়ে দায় এড়ানো যাবে না: ওবায়দুল কাদেরের উদ্দেশে নঈম নিজাম
রাষ্ট্রপতি ও সেনাপ্রধান নিয়োগ নিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের
সাম্প্রতিক মন্তব্যের কড়া সমালোচনা করেছেন বাংলাদেশ প্রতিদিনের সাবেক সম্পাদক
নঈম নিজাম। তিনি বলেছেন, সব দোষ একজনের ওপর চাপিয়ে দিয়ে ওবায়দুল কাদের এখন দায়
এড়াতে পারেন না। সাধারণ সম্পাদক হিসেবে এসব সিদ্ধান্তের দায়ভার তাঁকেও নিতে হবে।
সম্প্রতি এক প্রতিক্রিয়ায় ওবায়দুল কাদের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উদ্দেশ্য
করে মন্তব্য করেছিলেন যে, রাষ্ট্রপতি ও সেনাপ্রধান নিয়োগ ছিল ‘ভুল সিদ্ধান্ত’।
ওবায়দুল কাদেরের এই অবস্থানের পরিপ্রেক্ষিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে
দেওয়া এক বক্তব্যে নঈম নিজাম এই পাল্টা প্রশ্ন তোলেন।
নঈম নিজাম তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন, ওবায়দুল কাদের যখন এই নিয়োগগুলো হয়েছিল, তখন
সাধারণ সম্পাদক হিসেবে কোনো প্রতিবাদ করেননি। তিনি বলেন, “আপনি দলের সাধারণ
সম্পাদক হিসেবে তখন
এই প্রস্তাবের বিরোধিতা করেননি। প্রধানমন্ত্রীর সামনে কিংবা আড়ালে বলেননি যে এই নিয়োগ দেওয়া ঠিক হবে না। বরং এই দুইজনকে আপনি অভিনন্দন জানিয়েছিলেন। তাহলে এখন কেন এই কথাগুলো বলছেন?” সাবেক এই সম্পাদক প্রবীণ রাজনীতিবিদ আমির হোসেন আমুর উদাহরণ টেনে বলেন, রাষ্ট্রপতি নিয়োগের সময় আমু সরাসরি প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন। তিনি গণভবনে গিয়ে শেখ হাসিনার সামনেই বলেছিলেন, ‘ঠিক হচ্ছে না।’ বিকল্প হিসেবে আমু নিজের এবং তোফায়েল আহমেদের নাম প্রস্তাব করেছিলেন। নঈম নিজামের প্রশ্ন, “কই, তখন তো আপনারা আমির হোসেন আমুকে সমর্থন দেননি।” ওবায়দুল কাদেরের সাংগঠনিক আচরণের সমালোচনা করে নঈম নিজাম আরও বলেন, সাধারণ সম্পাদক থাকাকালীন রাত ৮টার পর তাঁর বাসায় কোনো দলীয় নেতা-কর্মী প্রবেশ করতে পারতেন না। তিনি অনেকের ফোন ধরতেন না বলেও অভিযোগ
করেন তিনি। এমনকি ভারতের ক্ষমতাসীন দল বিজেপির এক শীর্ষ নেতার সফরের সময় শিষ্টাচার লঙ্ঘনের একটি ঘটনার উল্লেখ করে তিনি বলেন, “বিজেপির একজন শীর্ষ নেতা আওয়ামী লীগের প্রতিনিধি দলকে দিল্লি সফরের আমন্ত্রণ জানাতে আসলে তাঁকে বসিয়েছিলেন দিলীপ বড়ুয়ার কক্ষে, নিজের কক্ষে নয়। সেই নেতা এতে বিব্রত হয়েছিলেন।” ওবায়দুল কাদেরের অতীত ভূমিকার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে নঈম নিজাম বলেন, ২০০৯ সালে মন্ত্রিত্ব না পেয়ে ওবায়দুল কাদের নিজের লেখা বইতে দলের কঠোর সমালোচনা করেছিলেন। এছাড়া ২০১০ সালে নঈম নিজাম ও আরিফুর রহমান দোলনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারেও ওবায়দুল কাদের দলের সমালোচনা করেছিলেন। নঈম নিজাম মনে করেন, এখন প্রতিকূল সময়ে সব দায় সাবেক প্রধানমন্ত্রীর ওপর চাপিয়ে দেওয়া রাজনৈতিক সততার পরিপন্থী। সাধারণ সম্পাদক হিসেবে তৎকালীন সব সিদ্ধান্তের
দায় ওবায়দুল কাদেরকেও সমানভাবে বহন করতে হবে।
এই প্রস্তাবের বিরোধিতা করেননি। প্রধানমন্ত্রীর সামনে কিংবা আড়ালে বলেননি যে এই নিয়োগ দেওয়া ঠিক হবে না। বরং এই দুইজনকে আপনি অভিনন্দন জানিয়েছিলেন। তাহলে এখন কেন এই কথাগুলো বলছেন?” সাবেক এই সম্পাদক প্রবীণ রাজনীতিবিদ আমির হোসেন আমুর উদাহরণ টেনে বলেন, রাষ্ট্রপতি নিয়োগের সময় আমু সরাসরি প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন। তিনি গণভবনে গিয়ে শেখ হাসিনার সামনেই বলেছিলেন, ‘ঠিক হচ্ছে না।’ বিকল্প হিসেবে আমু নিজের এবং তোফায়েল আহমেদের নাম প্রস্তাব করেছিলেন। নঈম নিজামের প্রশ্ন, “কই, তখন তো আপনারা আমির হোসেন আমুকে সমর্থন দেননি।” ওবায়দুল কাদেরের সাংগঠনিক আচরণের সমালোচনা করে নঈম নিজাম আরও বলেন, সাধারণ সম্পাদক থাকাকালীন রাত ৮টার পর তাঁর বাসায় কোনো দলীয় নেতা-কর্মী প্রবেশ করতে পারতেন না। তিনি অনেকের ফোন ধরতেন না বলেও অভিযোগ
করেন তিনি। এমনকি ভারতের ক্ষমতাসীন দল বিজেপির এক শীর্ষ নেতার সফরের সময় শিষ্টাচার লঙ্ঘনের একটি ঘটনার উল্লেখ করে তিনি বলেন, “বিজেপির একজন শীর্ষ নেতা আওয়ামী লীগের প্রতিনিধি দলকে দিল্লি সফরের আমন্ত্রণ জানাতে আসলে তাঁকে বসিয়েছিলেন দিলীপ বড়ুয়ার কক্ষে, নিজের কক্ষে নয়। সেই নেতা এতে বিব্রত হয়েছিলেন।” ওবায়দুল কাদেরের অতীত ভূমিকার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে নঈম নিজাম বলেন, ২০০৯ সালে মন্ত্রিত্ব না পেয়ে ওবায়দুল কাদের নিজের লেখা বইতে দলের কঠোর সমালোচনা করেছিলেন। এছাড়া ২০১০ সালে নঈম নিজাম ও আরিফুর রহমান দোলনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারেও ওবায়দুল কাদের দলের সমালোচনা করেছিলেন। নঈম নিজাম মনে করেন, এখন প্রতিকূল সময়ে সব দায় সাবেক প্রধানমন্ত্রীর ওপর চাপিয়ে দেওয়া রাজনৈতিক সততার পরিপন্থী। সাধারণ সম্পাদক হিসেবে তৎকালীন সব সিদ্ধান্তের
দায় ওবায়দুল কাদেরকেও সমানভাবে বহন করতে হবে।



