ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
তরুণ প্রজন্মের নেতৃত্ব নির্বাচনের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুন্নত রেখে, তারপরেই আমি অবসর নেব – দৃপ্ত শপথ শেখ হাসিনা’র
হারাম পণ্যে আরোপিত হালাল ট্যাক্স — উচ্চাভিলাষী বাজেটে রাজস্ব আদায়ে মরিয়া সরকার
ধর্ষণের শিকার নারীরা কেন নীরব থাকেন?
“বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন ও আশা- আকাঙ্ক্ষা যেভাবে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে” – দ্যা ডিপ্লোম্যাট
বাজেটে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন নিয়ে ইতিবাচক পদক্ষেপ
দেশে নিবন্ধিত মোবাইল সিমের সংখ্যা ৩২ কোটি ৮২ লাখ
শর্ত মানলে স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন আ.লীগের নেতাকর্মীরা
ঐতিহাসিক ৬ দফা দিবসে শেখ হাসিনার গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন
ঐতিহাসিক ৬ দফা দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা বাঙালির মুক্তি সংগ্রামের ইতিহাসে দিনটির তাৎপর্য স্মরণ করে ৬ দফা আন্দোলনের শহিদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছেন।
আজ ৬ই জুন, শনিবার দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, “ঐতিহাসিক ৭ই জুন, বাঙালি মুক্তি সংগ্রামের ইতিহাসে অনন্য এক দিন। ১৯৬৬ সালের এই দিনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঘোষিত বাঙালির মুক্তির সনদ ‘৬ দফা’ বাস্তবায়নের দাবিতে রাজপথে নেমে পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর বুলেটে শহিদ হন মনু মিয়া, শফিক, শামসুল হকসহ বীর সন্তানেরা।”
শেখ হাসিনা বলেন, ৬ দফার অর্থনৈতিক ও আঞ্চলিক স্বায়ত্তশাসনের দাবির মধ্য দিয়েই এটি বাঙালির মুক্তির সনদে পরিণত হয়েছিল।
তিনি উল্লেখ করেন, “এই ৬ দফার ভেতরেই
সুপ্ত ছিল স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশের রূপরেখা।” বিবৃতিতে আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পরিকল্পনা ছিল রক্তপাত এড়িয়ে সাংবিধানিক ক্ষমতা প্রয়োগের মাধ্যমে ধাপে ধাপে বাংলাদেশকে স্বাধীন করা। “তিনি একটি নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলনের মধ্য দিয়ে জাতিকে স্বাধীনতার চূড়ান্ত লক্ষ্যে নিয়ে যেতেই ৬ দফা দাবি ঘোষণা করেন,” বলেন তিনি। শেখ হাসিনা আরও বলেন, সেই পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই বঙ্গবন্ধু ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে ৬ দফাকে আওয়ামী লীগের প্রধান নির্বাচনী লক্ষ্য হিসেবে ঘোষণা করেছিলেন। তাঁর ভাষায়, “তৎকালীন অনেক বাঙালি রাজনীতিবিদ ৬ দফার এই গভীর রাজনৈতিক কৌশল অনুধাবন করতে ব্যর্থ হলেও পাকিস্তানি জান্তা ও শাসকগোষ্ঠী ঠিকই বুঝতে পেরেছিল, ৬ দফা বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশের স্বাধীনতা অনিবার্য।” তিনি বলেন, ৬ দফা থেকে বঙ্গবন্ধুকে
বিরত করতে ব্যর্থ হয়ে পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী নিরস্ত্র ও নিরীহ বাঙালিদের ওপর দমন-পীড়ন চালায়। “৬ দফা থেকে বঙ্গবন্ধুকে বিরত করতে ব্যর্থ হয়ে নিরস্ত্র-নিরীহ বাঙালিদের নিধন করে আমাদের দমানোর চেষ্টা করে,” বলেন তিনি। বিবৃতিতে শেখ হাসিনা বলেন, “১৯৬৬ সালের ৭ই জুন ৬ দফা বাস্তবায়নের দাবিতে যে গণআন্দোলনের সূচনা হয়েছিল, তারই নিরবচ্ছিন্ন ধারাবাহিকতায় ছাত্র-জনতার আন্দোলন ও ১১ দফা এবং পরবর্তীতে ’৭০-এর নির্বাচনের হাত ধরে তা রূপ নেয় এক রক্তক্ষয়ী স্বাধীনতা সংগ্রামে।” তিনি বলেন, ৬ দফার জনপ্রিয় দাবির মাধ্যমে জাতি ঐক্যবদ্ধ হয়েছিল এবং আত্মনিয়ন্ত্রণাধিকারের চেতনা পরবর্তীতে স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার ভিত্তি তৈরি করে। “৬ দফার জনপ্রিয় দাবিতে জাতি ঐক্যবদ্ধ হয়, তার আত্মনিয়ন্ত্রণাধিকারের চেতনা নতুন স্বাধীন রাষ্ট্রে মূর্ত হয়,”
উল্লেখ করেন তিনি। বর্তমান প্রেক্ষাপটে ৬ দফা দিবসের গুরুত্ব তুলে ধরে আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, “আজকের ঘোর সংকটে ৬ দফা দিবসের এই গভীর রাজনৈতিক ও ঐতিহাসিক গুরুত্ব সবাইকে উপলব্ধি করতে হবে।” বিবৃতির শেষে তিনি “জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু” স্লোগান উচ্চারণ করে বলেন, “আঁধার কেটে ভোর হোক, বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।”
সুপ্ত ছিল স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশের রূপরেখা।” বিবৃতিতে আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পরিকল্পনা ছিল রক্তপাত এড়িয়ে সাংবিধানিক ক্ষমতা প্রয়োগের মাধ্যমে ধাপে ধাপে বাংলাদেশকে স্বাধীন করা। “তিনি একটি নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলনের মধ্য দিয়ে জাতিকে স্বাধীনতার চূড়ান্ত লক্ষ্যে নিয়ে যেতেই ৬ দফা দাবি ঘোষণা করেন,” বলেন তিনি। শেখ হাসিনা আরও বলেন, সেই পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই বঙ্গবন্ধু ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে ৬ দফাকে আওয়ামী লীগের প্রধান নির্বাচনী লক্ষ্য হিসেবে ঘোষণা করেছিলেন। তাঁর ভাষায়, “তৎকালীন অনেক বাঙালি রাজনীতিবিদ ৬ দফার এই গভীর রাজনৈতিক কৌশল অনুধাবন করতে ব্যর্থ হলেও পাকিস্তানি জান্তা ও শাসকগোষ্ঠী ঠিকই বুঝতে পেরেছিল, ৬ দফা বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশের স্বাধীনতা অনিবার্য।” তিনি বলেন, ৬ দফা থেকে বঙ্গবন্ধুকে
বিরত করতে ব্যর্থ হয়ে পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী নিরস্ত্র ও নিরীহ বাঙালিদের ওপর দমন-পীড়ন চালায়। “৬ দফা থেকে বঙ্গবন্ধুকে বিরত করতে ব্যর্থ হয়ে নিরস্ত্র-নিরীহ বাঙালিদের নিধন করে আমাদের দমানোর চেষ্টা করে,” বলেন তিনি। বিবৃতিতে শেখ হাসিনা বলেন, “১৯৬৬ সালের ৭ই জুন ৬ দফা বাস্তবায়নের দাবিতে যে গণআন্দোলনের সূচনা হয়েছিল, তারই নিরবচ্ছিন্ন ধারাবাহিকতায় ছাত্র-জনতার আন্দোলন ও ১১ দফা এবং পরবর্তীতে ’৭০-এর নির্বাচনের হাত ধরে তা রূপ নেয় এক রক্তক্ষয়ী স্বাধীনতা সংগ্রামে।” তিনি বলেন, ৬ দফার জনপ্রিয় দাবির মাধ্যমে জাতি ঐক্যবদ্ধ হয়েছিল এবং আত্মনিয়ন্ত্রণাধিকারের চেতনা পরবর্তীতে স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার ভিত্তি তৈরি করে। “৬ দফার জনপ্রিয় দাবিতে জাতি ঐক্যবদ্ধ হয়, তার আত্মনিয়ন্ত্রণাধিকারের চেতনা নতুন স্বাধীন রাষ্ট্রে মূর্ত হয়,”
উল্লেখ করেন তিনি। বর্তমান প্রেক্ষাপটে ৬ দফা দিবসের গুরুত্ব তুলে ধরে আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, “আজকের ঘোর সংকটে ৬ দফা দিবসের এই গভীর রাজনৈতিক ও ঐতিহাসিক গুরুত্ব সবাইকে উপলব্ধি করতে হবে।” বিবৃতির শেষে তিনি “জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু” স্লোগান উচ্চারণ করে বলেন, “আঁধার কেটে ভোর হোক, বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।”



