ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
হাম ও উপসর্গে মৃত্যু ৮
“কসম কেটে বলছি, খুব নার্ভাস হয়ে গেছি, দুর্বল হয়ে পড়েছি”, বললেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী
হাম উপসর্গে প্রাণ গেল আরও সাত শিশুর, মোট মৃত্যু ৬২০
ঢাকা দক্ষিণের ৬০ শতাংশ বাড়িতে ডেঙ্গুর লার্ভা
ঢাকা দক্ষিণের ২৭টি ওয়ার্ড ডেঙ্গুর চরম ঝুঁকিতে
হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ শিশুর প্রাণহানি
হামে শিশু হাসপাতালে ৩৫ মৃত্যু
শিশু মৃত্যুর ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধে ইউনূস-নুরজাহানের বিচারের দাবিতে জনবিক্ষোভ
হামে আক্রান্ত হয়ে শিশু মৃত্যুর ঘটনায় সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং সাবেক স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগমের বিচার দাবি করেছে শ্রমিক অধিকার আন্দোলন ও নিপীড়ন বিরোধী নারী মঞ্চ।
একই সঙ্গে তারা দেশে জরুরি স্বাস্থ্য পরিস্থিতি ঘোষণা, রোগ নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ, বিদেশ থেকে দ্রুত টিকা আমদানি এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পাদিত বাণিজ্যচুক্তি বাতিলের দাবি জানিয়েছেন।
আজ ৬ই জুন, শনিবার দুপুরে রংপুর প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশ ও মানববন্ধন কর্মসূচি থেকে এসব দাবি জানানো হয়।
শ্রমিক অধিকার আন্দোলনের সভাপতি পলাশ কান্তি নাগের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য দেন সংগঠনের সদস্য আব্দুল জব্বার সরকার, আমিন মোস্তাজির, নিপীড়ন বিরোধী নারী মঞ্চের পারভীন আখতার, সুলতানা আখতার রিতা সিদ্দিকীসহ
অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। সমাবেশে বক্তারা অভিযোগ করেন, তৎকালীন ইউনূস সরকারের অবহেলা ও দায়িত্বহীনতার কারণে সময়মতো শিশুদের হামের টিকা প্রদান করা হয়নি, যার ফলে এখন পর্যন্ত ৬ শতাধিক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বক্তারা বলেন, “তৎকালীন ইউনূস সরকারের অবহেলা ও দায়িত্বহীনতার কারণে সময়মতো হামের টিকা না দেওয়ায় এখন পর্যন্ত ৬ শতাধিক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও নূরজাহান বেগম এই শিশুদের মৃত্যুর জন্য দায়ী।” তারা আরও বলেন, “শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ১৪০০ মানুষকে হত্যার অভিযোগে যদি ফাঁসি হয় ওটা ছিল মানবতাবিরোধী অপরাধ। একই কাজ করেছে ড. ইউনূস ও সাবেক উপদেষ্টা নুরজাহান বেগম। ৬০০ শিশুকে হামের টিকার ব্যবস্থা না করে হত্যা করার জন্য মানবতাবিরোধী অপরাধে তাদের বিচার করতে
হবে।” নেতৃবৃন্দ দাবি করেন, পরিস্থিতির ভয়াবহতা বিবেচনায় সরকারকে অবিলম্বে জরুরি ভিত্তিতে পদক্ষেপ নিতে হবে। তারা বিদেশ থেকে দ্রুত হামের টিকা আমদানি করে দেশের শিশুদের টিকাদানের আওতায় আনার আহ্বান জানান। তাদের ভাষ্য, স্বাস্থ্য পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য সরকারকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিদেশ থেকে টিকা আমদানি করে শিশুদের টিকা প্রদানের ব্যবস্থা করতে হবে। পাশাপাশি সরকারি ও বেসরকারি সব হাসপাতালে হামে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসার জন্য বিশেষায়িত ইউনিট চালু করারও দাবি জানান তারা। সমাবেশে দেশের সাম্প্রতিক বাণিজ্য ও বৈদেশিক নীতি নিয়েও সমালোচনা করা হয়। বক্তারা অভিযোগ করেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে ড. মুহাম্মদ ইউনূস ক্ষমতা হস্তান্তরের মাত্র তিন দিন আগে দেশের স্বার্থবিরোধী একটি বাণিজ্যচুক্তি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পাদন
করেছেন। বক্তাদের দাবি, “অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ক্ষমতা হস্তান্তরের তিন দিন আগে দেশের স্বার্থ জলাঞ্জলি দিয়ে এখতিয়ার বহির্ভূতভাবে আমেরিকার সঙ্গে অধীনতামূলক গোলামির বাণিজ্যচুক্তি করেছে। এ বিষয়ে সংসদে সরকারি দল কিংবা বিরোধীদল কেউ কোনও কথা বলছে না।” তারা আরও বলেন, “এই চুক্তি বাংলাদেশকে দীর্ঘ সময়ের জন্য আমেরিকার জালে বন্দি করার নামান্তর। দেশের অর্থনীতি, সামরিক ও ভূরাজনৈতিক নিরাপত্তাকে বিঘ্নিত করে কোনও স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্রের এমন চুক্তির নজির নেই।” বক্তারা অভিযোগ করেন, গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত বর্তমান সরকার মুখে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’-এর কথা বললেও বাস্তবে জনগণের স্বার্থের বিপরীতে অবস্থান নিয়ে দেশ পরিচালনা করছে। সমাবেশ থেকে নেতৃবৃন্দ দেশের সার্বভৌমত্ব, জনস্বার্থ এবং জনস্বাস্থ্য রক্ষার দাবিতে সর্বস্তরের জনগণকে
ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান। তারা বলেন, জনগণের অধিকার ও জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে এবং চলমান বিভিন্ন ইস্যুতে নাগরিকদের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে।
অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। সমাবেশে বক্তারা অভিযোগ করেন, তৎকালীন ইউনূস সরকারের অবহেলা ও দায়িত্বহীনতার কারণে সময়মতো শিশুদের হামের টিকা প্রদান করা হয়নি, যার ফলে এখন পর্যন্ত ৬ শতাধিক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বক্তারা বলেন, “তৎকালীন ইউনূস সরকারের অবহেলা ও দায়িত্বহীনতার কারণে সময়মতো হামের টিকা না দেওয়ায় এখন পর্যন্ত ৬ শতাধিক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও নূরজাহান বেগম এই শিশুদের মৃত্যুর জন্য দায়ী।” তারা আরও বলেন, “শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ১৪০০ মানুষকে হত্যার অভিযোগে যদি ফাঁসি হয় ওটা ছিল মানবতাবিরোধী অপরাধ। একই কাজ করেছে ড. ইউনূস ও সাবেক উপদেষ্টা নুরজাহান বেগম। ৬০০ শিশুকে হামের টিকার ব্যবস্থা না করে হত্যা করার জন্য মানবতাবিরোধী অপরাধে তাদের বিচার করতে
হবে।” নেতৃবৃন্দ দাবি করেন, পরিস্থিতির ভয়াবহতা বিবেচনায় সরকারকে অবিলম্বে জরুরি ভিত্তিতে পদক্ষেপ নিতে হবে। তারা বিদেশ থেকে দ্রুত হামের টিকা আমদানি করে দেশের শিশুদের টিকাদানের আওতায় আনার আহ্বান জানান। তাদের ভাষ্য, স্বাস্থ্য পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য সরকারকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিদেশ থেকে টিকা আমদানি করে শিশুদের টিকা প্রদানের ব্যবস্থা করতে হবে। পাশাপাশি সরকারি ও বেসরকারি সব হাসপাতালে হামে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসার জন্য বিশেষায়িত ইউনিট চালু করারও দাবি জানান তারা। সমাবেশে দেশের সাম্প্রতিক বাণিজ্য ও বৈদেশিক নীতি নিয়েও সমালোচনা করা হয়। বক্তারা অভিযোগ করেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে ড. মুহাম্মদ ইউনূস ক্ষমতা হস্তান্তরের মাত্র তিন দিন আগে দেশের স্বার্থবিরোধী একটি বাণিজ্যচুক্তি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পাদন
করেছেন। বক্তাদের দাবি, “অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ক্ষমতা হস্তান্তরের তিন দিন আগে দেশের স্বার্থ জলাঞ্জলি দিয়ে এখতিয়ার বহির্ভূতভাবে আমেরিকার সঙ্গে অধীনতামূলক গোলামির বাণিজ্যচুক্তি করেছে। এ বিষয়ে সংসদে সরকারি দল কিংবা বিরোধীদল কেউ কোনও কথা বলছে না।” তারা আরও বলেন, “এই চুক্তি বাংলাদেশকে দীর্ঘ সময়ের জন্য আমেরিকার জালে বন্দি করার নামান্তর। দেশের অর্থনীতি, সামরিক ও ভূরাজনৈতিক নিরাপত্তাকে বিঘ্নিত করে কোনও স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্রের এমন চুক্তির নজির নেই।” বক্তারা অভিযোগ করেন, গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত বর্তমান সরকার মুখে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’-এর কথা বললেও বাস্তবে জনগণের স্বার্থের বিপরীতে অবস্থান নিয়ে দেশ পরিচালনা করছে। সমাবেশ থেকে নেতৃবৃন্দ দেশের সার্বভৌমত্ব, জনস্বার্থ এবং জনস্বাস্থ্য রক্ষার দাবিতে সর্বস্তরের জনগণকে
ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান। তারা বলেন, জনগণের অধিকার ও জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে এবং চলমান বিভিন্ন ইস্যুতে নাগরিকদের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে।



