ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
আ.লীগের লিফলেট তৈরি, সাবেক মহিলা ইউপি সদস্যসহ গ্রেফতার ২
ছাত্রদলের দুই গ্রুপের গোলাগুলিতে নিহত সনি: ২৪ বছরেও বিচার না হওয়ায় ক্ষোভ ছাত্রলীগের
গ্রামে ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকে না: রুমিন ফারহানা
টঙ্গীতে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেফতার
কুমিল্লায় ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল, আটক ৪০
ধর্মীয় লেবাসে মহাপ্রতারণা: ৩ হাজার গ্রাহকের কোটি কোটি টাকা নিয়ে উধাও জামায়াত নেতা
আগ্রাবাদ শেখ মুজিব সড়কজুড়ে কাফনের কাপড় মাথায় বেঁধে যুবলীগের বিশাল মিছিল
হান্নান মাসউদের ‘৩ কোটি টাকা দাবির’ তথ্য ফাঁসের জেরে ছাত্রদল নেতার বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর
জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপির নেতা ও সংসদ সদস্য আব্দুল হান্নান মাসউদের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য ও নোয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ একরামুল করিম চৌধুরীকে বিমানবন্দর পর্যন্ত পৌঁছে দিতে ৩ কোটি টাকা দাবির তথ্য ফাঁসকে কেন্দ্র করে ছাত্রদলের নেতা আব্দুল গাফফারের বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে।
ভুক্তভোগী ছাত্রদল নেতার নাম আব্দুল গাফফার (২৯)। তিনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য এবং হাতিয়া উপজেলার বুড়িরচর ইউনিয়নের ৮নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম বড় দেইল গ্রামের মাওলানা মোছলেহ উদ্দিনের ছেলে। গাফফার জুলাই আন্দোলনের সময় হান্নান মাসউদের ঘনিষ্ঠ সহচর ছিলেন।
গত ৪ঠা জুন, বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে হাতিয়ার বুড়িরচর ইউনিয়নের ৮নম্বর ওয়ার্ডের
পশ্চিম বড় দেইল গ্রামে গাফফারের পৈতৃক বাড়িতে এ হামলার ঘটনা ঘটে। ঘটনার পরপরই হাতিয়া উপজেলা ছাত্রদল স্থানীয় সাগরিয়া বাজারে এ হামলা-ভাঙচুরের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেন। তারা হামলার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে। ছাত্রদল নেতা আব্দুল গাফফার বলেন, জুলাইতে হান্নান,রিফাত ও মাহিম সেইফ হোমে ছিল। তখন আমিই হান্নান মাসউদকে সেভ করছি। তখন তাদের সব ভিডিও থেকে সব কাজ আমি করে দিতাম। হাতিয়ার রাজনীতিতে তাকে আমিই প্রতিষ্ঠিত করছি। এ কারণে হান্নানের সাথে আমার ভালো সম্পর্ক গড়ে উঠে। তার রাজনৈতিক গার্ডিয়ান হিসেবে ৫ই আগস্টের পর দেড় মাস আমি তার সাথে ছিলাম। যার কারণে তার অনেক কিছু আমি জানি। তিনি আরও বলেন,
৫ই আগস্টের পর তিনি নোয়াখালী-৪ (সদর-সুবর্ণচর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ একরামুল করিম চৌধুরীকে বিমানবন্দর পৌঁছে দিতে পরিকল্পনা করেন। এজন্য ৩ কোটি টাকা দাবি করেন। তখন এতে আমি বাধা দিই। তিনি অভিযোগ করে বলেন, হান্নানের তিন কোটি টাকা দাবির এ ঘটনা গত ৩রা জুন, বুধবার গণঅধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান বিএনপি নেতা মুহাম্মদ রাশেদ খাঁনকে জানাই। পরে এ নিয়ে তিনিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেন। পরে আমি রাশেদ খাঁনের ফেসবুক স্ট্যাটাসটি আমার ফেসবুক ওয়ালে শেয়ার করি। এর পর থেকে হান্নান মাসউদ আমার ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে। সে থেকে তার অনুসারীরা আমাকে
ফেসবুকে নানা রকম হুমকি ও গালাগাল দিতে থাকে। গাফফার বলেন, এসব ঘটনার একপর্যায়ে হান্নান মাসউদকে তার অনুসারীদের আমাকে হুমকি দেওয়ার বিষয়টি জানাই। তিনি বলেন, ওই সব লোকজন তার নিয়ন্ত্রণে নেই। তারা তার কথা শুনেনা। তারা যা করার করুক। ছাত্রদল নেতা গাফফার অভিযোগ করে আরও বলেন, সাবেক এমপি একরামুল করিমকে বিমানবন্দর পর্যন্ত পৌঁছে দিতে ৩ কোটি টাকা দাবির তথ্য ফাঁসের জেরে হান্নানের যোগসাজশে তার অনুসারীরা আমার বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর চালায়। ওই সময় হামলাকারীরা আমাদের ভবনের একটি জানালা ভাঙচুর করে, প্রধান ফটকে হামলা করে। পরবর্তীতে আমাকে অকথ্য ভাষায় গালমন্দ করে চলে যায়। তিনি বলেন, আমার বৃদ্ধ মা জান্নাত আরা বেগম ও বাবা মোছলেহ উদ্দিন একাই বাড়িতে
থাকেন। তারা এখনও ভয়ে আছে। মা-বাবা বলছে আমি যেন আর কোন বক্তব্য না দিই। আবারও তারা বাড়িতে হামলার আশঙ্কা করছেন। হাতিয়া উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক রিয়াজ মাহমুদ বলেন, আওয়ামী লীগ নেতাকে বিমানবন্দর পর্যন্ত পৌঁছে দিতে ৩ কোটি টাকা দাবির বক্তব্য দেওয়ায় গত দুদিন ধরে ছাত্রদল নেতা গাফফারকে প্রকাশ্যে হান্নাস মাসউদের অনুসারী এনসিপি নেতাকর্মীরা হুমকি-ধমকি দেয়। যারা হুমকি দিয়েছে তারাই এ ঘটনা ঘটিয়েছে। হাতিয়া উপজেলা এনসিপির আহ্বায়ক সামছুল কিবরিজ বলেন, ছাত্রদল নেতা গাফফার দৃঢ়ভাবে বলছে এটা এনসিপির নেতাকর্মী করেছে। তাহলে আমরা ধরে নেব, তারা নিজেরাই ভাইরাল হওয়ার জন্য এ ঘটনা ঘটিয়েছে। স্থানীয় এমপি মুঠোফোনে আমাকে বিষয়টি অবহিত করলে আমি ঘটনাস্থলে যাই। সেখানে বিএনপির নেতাকর্মীরা
একটি অপ্রীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করে। অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে হান্নান মাসউদ বলেন, আমার নিজের বাড়িতে হামলা হয়। আমি সেগুলো ট্যাকেল দিয়ে উঠতে পারিনা। আমি কি আরেকজনের বাড়িতে হামলা করব? পুরোপুরি একটা সাজানো নাটক করা হয়েছে। যাতে করে আমাকে হেয় করা যায়। চেষ্টা করে যাক, দেখা যাক কী করতে পারে। এ বিষয়ে হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কবির হোসেন বলেন, গ্রামের বাড়িতে একতলা ভবন। ওই ভবনের দক্ষিণ পাশে অন্ধকার, ওই দিক থেকে কেউ একজন ঢিল মারছে। ইটের টুকরা এসে পড়লে জানালার অংশ বিশেষ ভেঙে যায়। কে মারছে কাউকে দেখা যায়নি। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় এখনো কেউ কোন লিখিত অভিযোগ করেনি।
লিখিত অভিযোগ পেলে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।
পশ্চিম বড় দেইল গ্রামে গাফফারের পৈতৃক বাড়িতে এ হামলার ঘটনা ঘটে। ঘটনার পরপরই হাতিয়া উপজেলা ছাত্রদল স্থানীয় সাগরিয়া বাজারে এ হামলা-ভাঙচুরের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেন। তারা হামলার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে। ছাত্রদল নেতা আব্দুল গাফফার বলেন, জুলাইতে হান্নান,রিফাত ও মাহিম সেইফ হোমে ছিল। তখন আমিই হান্নান মাসউদকে সেভ করছি। তখন তাদের সব ভিডিও থেকে সব কাজ আমি করে দিতাম। হাতিয়ার রাজনীতিতে তাকে আমিই প্রতিষ্ঠিত করছি। এ কারণে হান্নানের সাথে আমার ভালো সম্পর্ক গড়ে উঠে। তার রাজনৈতিক গার্ডিয়ান হিসেবে ৫ই আগস্টের পর দেড় মাস আমি তার সাথে ছিলাম। যার কারণে তার অনেক কিছু আমি জানি। তিনি আরও বলেন,
৫ই আগস্টের পর তিনি নোয়াখালী-৪ (সদর-সুবর্ণচর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ একরামুল করিম চৌধুরীকে বিমানবন্দর পৌঁছে দিতে পরিকল্পনা করেন। এজন্য ৩ কোটি টাকা দাবি করেন। তখন এতে আমি বাধা দিই। তিনি অভিযোগ করে বলেন, হান্নানের তিন কোটি টাকা দাবির এ ঘটনা গত ৩রা জুন, বুধবার গণঅধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান বিএনপি নেতা মুহাম্মদ রাশেদ খাঁনকে জানাই। পরে এ নিয়ে তিনিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেন। পরে আমি রাশেদ খাঁনের ফেসবুক স্ট্যাটাসটি আমার ফেসবুক ওয়ালে শেয়ার করি। এর পর থেকে হান্নান মাসউদ আমার ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে। সে থেকে তার অনুসারীরা আমাকে
ফেসবুকে নানা রকম হুমকি ও গালাগাল দিতে থাকে। গাফফার বলেন, এসব ঘটনার একপর্যায়ে হান্নান মাসউদকে তার অনুসারীদের আমাকে হুমকি দেওয়ার বিষয়টি জানাই। তিনি বলেন, ওই সব লোকজন তার নিয়ন্ত্রণে নেই। তারা তার কথা শুনেনা। তারা যা করার করুক। ছাত্রদল নেতা গাফফার অভিযোগ করে আরও বলেন, সাবেক এমপি একরামুল করিমকে বিমানবন্দর পর্যন্ত পৌঁছে দিতে ৩ কোটি টাকা দাবির তথ্য ফাঁসের জেরে হান্নানের যোগসাজশে তার অনুসারীরা আমার বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর চালায়। ওই সময় হামলাকারীরা আমাদের ভবনের একটি জানালা ভাঙচুর করে, প্রধান ফটকে হামলা করে। পরবর্তীতে আমাকে অকথ্য ভাষায় গালমন্দ করে চলে যায়। তিনি বলেন, আমার বৃদ্ধ মা জান্নাত আরা বেগম ও বাবা মোছলেহ উদ্দিন একাই বাড়িতে
থাকেন। তারা এখনও ভয়ে আছে। মা-বাবা বলছে আমি যেন আর কোন বক্তব্য না দিই। আবারও তারা বাড়িতে হামলার আশঙ্কা করছেন। হাতিয়া উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক রিয়াজ মাহমুদ বলেন, আওয়ামী লীগ নেতাকে বিমানবন্দর পর্যন্ত পৌঁছে দিতে ৩ কোটি টাকা দাবির বক্তব্য দেওয়ায় গত দুদিন ধরে ছাত্রদল নেতা গাফফারকে প্রকাশ্যে হান্নাস মাসউদের অনুসারী এনসিপি নেতাকর্মীরা হুমকি-ধমকি দেয়। যারা হুমকি দিয়েছে তারাই এ ঘটনা ঘটিয়েছে। হাতিয়া উপজেলা এনসিপির আহ্বায়ক সামছুল কিবরিজ বলেন, ছাত্রদল নেতা গাফফার দৃঢ়ভাবে বলছে এটা এনসিপির নেতাকর্মী করেছে। তাহলে আমরা ধরে নেব, তারা নিজেরাই ভাইরাল হওয়ার জন্য এ ঘটনা ঘটিয়েছে। স্থানীয় এমপি মুঠোফোনে আমাকে বিষয়টি অবহিত করলে আমি ঘটনাস্থলে যাই। সেখানে বিএনপির নেতাকর্মীরা
একটি অপ্রীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করে। অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে হান্নান মাসউদ বলেন, আমার নিজের বাড়িতে হামলা হয়। আমি সেগুলো ট্যাকেল দিয়ে উঠতে পারিনা। আমি কি আরেকজনের বাড়িতে হামলা করব? পুরোপুরি একটা সাজানো নাটক করা হয়েছে। যাতে করে আমাকে হেয় করা যায়। চেষ্টা করে যাক, দেখা যাক কী করতে পারে। এ বিষয়ে হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কবির হোসেন বলেন, গ্রামের বাড়িতে একতলা ভবন। ওই ভবনের দক্ষিণ পাশে অন্ধকার, ওই দিক থেকে কেউ একজন ঢিল মারছে। ইটের টুকরা এসে পড়লে জানালার অংশ বিশেষ ভেঙে যায়। কে মারছে কাউকে দেখা যায়নি। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় এখনো কেউ কোন লিখিত অভিযোগ করেনি।
লিখিত অভিযোগ পেলে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।



