ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
আ.লীগের লিফলেট তৈরি, সাবেক মহিলা ইউপি সদস্যসহ গ্রেফতার ২
ছাত্রদলের দুই গ্রুপের গোলাগুলিতে নিহত সনি: ২৪ বছরেও বিচার না হওয়ায় ক্ষোভ ছাত্রলীগের
গ্রামে ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকে না: রুমিন ফারহানা
টঙ্গীতে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেফতার
কুমিল্লায় ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল, আটক ৪০
ধর্মীয় লেবাসে মহাপ্রতারণা: ৩ হাজার গ্রাহকের কোটি কোটি টাকা নিয়ে উধাও জামায়াত নেতা
আগ্রাবাদ শেখ মুজিব সড়কজুড়ে কাফনের কাপড় মাথায় বেঁধে যুবলীগের বিশাল মিছিল
চট্টগ্রামে ‘শেখ হাসিনা আসবে’ স্লোগানে উত্তাল জিইসি মোড়: বিএনপি-জামায়াতের আলটিমেটামের পর পুলিশের গণগ্রেপ্তার
চট্টগ্রাম মহানগরীতে প্রকাশ্য দিবালোকে ছাত্রলীগের বিশাল মিছিলের পর রণমুখী অবস্থান নিয়েছে প্রশাসন। নগরীর ৪টি থানায় রাতভর এক নজিরবিহীন সাঁড়াশি ও চিরুনি অভিযান চালিয়ে ছাত্রলীগের ৯০ জন নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
আজ ২ জুন, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের (সিএমপি) জনসংযোগ বিভাগের সহকারী কমিশনার আমিনুর রশিদ এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
গতকাল সোমবার (১ জুন) সকাল ১১টার দিকে সিএমপির দামপাড়াস্থ সদর দপ্তরের মাত্র কয়েকশ গজ দূরে ব্যস্ততম জিইসি এলাকায় ওমরগনি এমইএস কলেজ শাখার ব্যানারে কয়েকশত নেতাকর্মী নিয়ে এক বিশাল মিছিল বের করে ছাত্রলীগ। মিছিলটি নগরীর বিভিন্ন সড়ক ও অলিগলি প্রদক্ষিণ করে জিইসি মোড়ে এসে দীর্ঘক্ষণ জমায়েত হয় এবং নেতারা বক্তব্য দেন।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে
ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, আড়াইশ থেকে তিনশত নেতাকর্মী ‘শেখ হাসিনা আসবে-বাংলাদেশ হাসবে’, এবং ‘মুক্তিযুদ্ধের বাংলায়-রাজাকারের ঠাঁই নাই’ স্লোগানে পুরো এলাকা কাঁপিয়ে তোলে। ৫ই আগস্টের পর কয়েকটা সবচেয়ে বড় মিছিল ও জমায়েতের মধ্যে চট্টগ্রামে এটা ছিল একটি। বিএনপি-জামায়াত ও নাগরিক পার্টির আলটিমেটাম প্রকাশ্য দিবালোকে সিএমপি কার্যালয়ের কাছে এই মিছিলের ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয় স্থানীয় রাজনীতিতে। বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতারা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। তারা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে সিএমপিতে ‘শুদ্ধি অভিযান’ পরিচালনার জোর দাবি জানান। বিএনপি-জামায়াতের নেতারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ছাত্রলীগের ব্যানারে কেউ রাজনীতি করতে পারবে না এবং এভাবে প্রকাশ্যে মিছিল করা মানে
আমাদের জন্য চরম ক্ষতিকর। ভিডিও দেখে শনাক্ত, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পুলিশের অ্যাকশন এই ঘটনার পর তীব্র চাপের মুখে পড়েন সিএমপি কমিশনার। তিনি দ্রুত ভিডিও ফুটেজ দেখে মিছিলকারীদের শনাক্ত করে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। সিএমপি প্রধানের নির্দেশের পরই সোমবার রাত থেকে মাঠে নামে পুলিশ। সহকারী কমিশনার আমিনুর রশিদ জানান, নগরীর পাঁচলাইশ, খুলশী, কোতোয়ালি ও বায়েজিদ বোস্তামী থানা পুলিশ পৃথক পৃথক এলাকায় চিরুনি অভিযান চালিয়ে ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে মিছিলে অংশগ্রহণকারী ৯০ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তারকৃতদের ইতিমধ্যেই আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে এবং বাকিদের ধরতেও অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, আড়াইশ থেকে তিনশত নেতাকর্মী ‘শেখ হাসিনা আসবে-বাংলাদেশ হাসবে’, এবং ‘মুক্তিযুদ্ধের বাংলায়-রাজাকারের ঠাঁই নাই’ স্লোগানে পুরো এলাকা কাঁপিয়ে তোলে। ৫ই আগস্টের পর কয়েকটা সবচেয়ে বড় মিছিল ও জমায়েতের মধ্যে চট্টগ্রামে এটা ছিল একটি। বিএনপি-জামায়াত ও নাগরিক পার্টির আলটিমেটাম প্রকাশ্য দিবালোকে সিএমপি কার্যালয়ের কাছে এই মিছিলের ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয় স্থানীয় রাজনীতিতে। বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতারা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। তারা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে সিএমপিতে ‘শুদ্ধি অভিযান’ পরিচালনার জোর দাবি জানান। বিএনপি-জামায়াতের নেতারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ছাত্রলীগের ব্যানারে কেউ রাজনীতি করতে পারবে না এবং এভাবে প্রকাশ্যে মিছিল করা মানে
আমাদের জন্য চরম ক্ষতিকর। ভিডিও দেখে শনাক্ত, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পুলিশের অ্যাকশন এই ঘটনার পর তীব্র চাপের মুখে পড়েন সিএমপি কমিশনার। তিনি দ্রুত ভিডিও ফুটেজ দেখে মিছিলকারীদের শনাক্ত করে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। সিএমপি প্রধানের নির্দেশের পরই সোমবার রাত থেকে মাঠে নামে পুলিশ। সহকারী কমিশনার আমিনুর রশিদ জানান, নগরীর পাঁচলাইশ, খুলশী, কোতোয়ালি ও বায়েজিদ বোস্তামী থানা পুলিশ পৃথক পৃথক এলাকায় চিরুনি অভিযান চালিয়ে ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে মিছিলে অংশগ্রহণকারী ৯০ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তারকৃতদের ইতিমধ্যেই আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে এবং বাকিদের ধরতেও অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।



