ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
তরুণ প্রজন্মের নেতৃত্ব নির্বাচনের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুন্নত রেখে, তারপরেই আমি অবসর নেব – দৃপ্ত শপথ শেখ হাসিনা’র
হারাম পণ্যে আরোপিত হালাল ট্যাক্স — উচ্চাভিলাষী বাজেটে রাজস্ব আদায়ে মরিয়া সরকার
ধর্ষণের শিকার নারীরা কেন নীরব থাকেন?
“বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন ও আশা- আকাঙ্ক্ষা যেভাবে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে” – দ্যা ডিপ্লোম্যাট
বাজেটে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন নিয়ে ইতিবাচক পদক্ষেপ
দেশে নিবন্ধিত মোবাইল সিমের সংখ্যা ৩২ কোটি ৮২ লাখ
শর্ত মানলে স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন আ.লীগের নেতাকর্মীরা
বিপুল পরিমাণে নিম্নমানের কয়লা আমদানির সিন্ডিকেট: অভিজ্ঞতা ছাড়াই সিপিজিসিবিএল-এ শিবির নেতার নিয়োগ
বাংলাদেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে সাম্প্রতিক কয়েকটি কয়লা আমদানির চুক্তি ও দরপত্র প্রক্রিয়া ঘিরে গুরুতর অনিয়ম, প্রভাব খাটানো এবং স্বচ্ছতা লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে।
সংশ্লিষ্ট নথি, লিখিত অভিযোগ এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য পর্যালোচনায় এমন একটি চিত্র উঠে এসেছে, যেখানে একটি প্রভাবশালী চক্রের মাধ্যমে টেন্ডার প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণের অভিযোগ করা হচ্ছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, জ্বালানি খাতে পূর্ব অভিজ্ঞতা না থাকা সত্ত্বেও গুপ্ত সংগঠন শিবিরের নেতা রাফে সালমান রিফাতকে রাষ্ট্রায়ত্ত কোল পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেড (সিপিজিসিবিএল)-এর স্বতন্ত্র পরিচালক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর মতে, তিনি একটি জামায়াতে ইসলামীর প্রতিনিধিত্ব করেই এই পদে আসীন হন।
সিঙ্গাপুরভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ইয়ংতাই এনার্জি পিটিআই লিমিটেড অভিযোগ করেছে, টেন্ডারে যোগ্য হওয়া সত্ত্বেও তারা
কাজ পায়নি। তাদের অভিযোগ—রিফাতের সঙ্গে “সমঝোতা” না করায় তাদের দরপত্র বাতিল করা হয় এবং অযোগ্য একটি প্রতিষ্ঠানকে ১০ লাখ টন কয়লা সরবরাহের কাজ দেওয়া হয়। প্রতিষ্ঠানটি প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে দেওয়া লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করে, টেন্ডার প্রক্রিয়ায় কোনো আনুষ্ঠানিক ভূমিকা না থাকা সত্ত্বেও রিফাত প্রভাব খাটানোর চেষ্টা করেছেন। তারা এটিকে স্বার্থের সংঘাত ও যোগসাজশের প্রমাণ হিসেবে উল্লেখ করে। অভিযোগের সঙ্গে সংযুক্ত করা হয় হোয়াটসঅ্যাপ বার্তা ও কল রেকর্ড, যেখানে “সমঝোতার প্রস্তাব” দেওয়ার দাবি করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট নথিপত্র যাচাই করে অভিযোগকারীরা বলছে, এসব তথ্য প্রমাণযোগ্য এবং সরকারি দপ্তর অভিযোগটি গ্রহণ করে নথিভুক্তও করে। আরও গুরুতর অভিযোগ হলো—উচ্চ আদালতের রায় উপেক্ষা করে জাতীয় নির্বাচনের ঠিক আগমুহূর্তে
১ মিলিয়ন টন কয়লা আমদানির চুক্তি করা হয়। এই চুক্তি করা হয় এমন একটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে, যাকে পূর্বে অযোগ্য ঘোষণা করা হয়েছিল এবং যার বিরুদ্ধে নিম্নমানের কয়লা সরবরাহের অভিযোগ রয়েছে। নথি অনুযায়ী, ইন্দোনেশিয়াভিত্তিক একটি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে কয়লা কেনা হয়, যাদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিম্নমানের কয়লা সরবরাহের অভিযোগ রয়েছে। এমনকি বিদেশি সরকার থেকেও ওই প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ উত্থাপনের তথ্য পাওয়া গেছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের ভেতরে একটি প্রভাবশালী চক্র গড়ে ওঠে, যেখানে কিছু উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির যোগসাজশে সিদ্ধান্ত নেওয়া হতো। অভিযোগকারীরা দাবি করছে, এই চক্রের প্রভাবেই যোগ্য প্রতিষ্ঠানগুলো বঞ্চিত হয়েছে। অভিযোগ ও অন্যান্য সকল ফাইল
এই ড্রাইভে। গুপ্ত সংগঠন শিবিরের নেতা রাফে সালমান রিফাত এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, তাকে সরকার প্রতিনিধি হিসেবেই নিয়োগ দিয়েছিল এবং কোনো বিশেষ উদ্দেশ্য ছিল না। তিনি দাবি করেন, একটি “বিশেষ মহলকে সুবিধা না দেওয়ায়” তার বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অভিযোগ আনা হয়েছে। এদিকে, খাত সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সংশ্লিষ্ট সময়ের সব কয়লা আমদানির চুক্তি, দরপত্র প্রক্রিয়া এবং সরবরাহকৃত কয়লার মান স্বাধীনভাবে তদন্ত করা জরুরি। তাদের আশঙ্কা—চুক্তির আওতায় নিয়মিত নিম্নমানের কয়লা সরবরাহ হয়ে থাকতে পারে, যা বিদ্যুৎ উৎপাদন ও অর্থনীতির ওপর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলতে পারে। উপস্থাপিত নথি, অভিযোগ ও পাল্টা বক্তব্যে একটি জটিল চিত্র ফুটে উঠেছে, যেখানে প্রভাব, স্বার্থের সংঘাত এবং নীতি লঙ্ঘনের প্রশ্ন সামনে এসেছে। তবে অভিযোগগুলো
স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্ত ছাড়া চূড়ান্তভাবে নিশ্চিত হওয়া সম্ভব নয়। সংশ্লিষ্টদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে একটি পূর্ণাঙ্গ তদন্ত এখন সময়ের দাবি।
কাজ পায়নি। তাদের অভিযোগ—রিফাতের সঙ্গে “সমঝোতা” না করায় তাদের দরপত্র বাতিল করা হয় এবং অযোগ্য একটি প্রতিষ্ঠানকে ১০ লাখ টন কয়লা সরবরাহের কাজ দেওয়া হয়। প্রতিষ্ঠানটি প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে দেওয়া লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করে, টেন্ডার প্রক্রিয়ায় কোনো আনুষ্ঠানিক ভূমিকা না থাকা সত্ত্বেও রিফাত প্রভাব খাটানোর চেষ্টা করেছেন। তারা এটিকে স্বার্থের সংঘাত ও যোগসাজশের প্রমাণ হিসেবে উল্লেখ করে। অভিযোগের সঙ্গে সংযুক্ত করা হয় হোয়াটসঅ্যাপ বার্তা ও কল রেকর্ড, যেখানে “সমঝোতার প্রস্তাব” দেওয়ার দাবি করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট নথিপত্র যাচাই করে অভিযোগকারীরা বলছে, এসব তথ্য প্রমাণযোগ্য এবং সরকারি দপ্তর অভিযোগটি গ্রহণ করে নথিভুক্তও করে। আরও গুরুতর অভিযোগ হলো—উচ্চ আদালতের রায় উপেক্ষা করে জাতীয় নির্বাচনের ঠিক আগমুহূর্তে
১ মিলিয়ন টন কয়লা আমদানির চুক্তি করা হয়। এই চুক্তি করা হয় এমন একটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে, যাকে পূর্বে অযোগ্য ঘোষণা করা হয়েছিল এবং যার বিরুদ্ধে নিম্নমানের কয়লা সরবরাহের অভিযোগ রয়েছে। নথি অনুযায়ী, ইন্দোনেশিয়াভিত্তিক একটি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে কয়লা কেনা হয়, যাদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিম্নমানের কয়লা সরবরাহের অভিযোগ রয়েছে। এমনকি বিদেশি সরকার থেকেও ওই প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ উত্থাপনের তথ্য পাওয়া গেছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের ভেতরে একটি প্রভাবশালী চক্র গড়ে ওঠে, যেখানে কিছু উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির যোগসাজশে সিদ্ধান্ত নেওয়া হতো। অভিযোগকারীরা দাবি করছে, এই চক্রের প্রভাবেই যোগ্য প্রতিষ্ঠানগুলো বঞ্চিত হয়েছে। অভিযোগ ও অন্যান্য সকল ফাইল
এই ড্রাইভে। গুপ্ত সংগঠন শিবিরের নেতা রাফে সালমান রিফাত এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, তাকে সরকার প্রতিনিধি হিসেবেই নিয়োগ দিয়েছিল এবং কোনো বিশেষ উদ্দেশ্য ছিল না। তিনি দাবি করেন, একটি “বিশেষ মহলকে সুবিধা না দেওয়ায়” তার বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অভিযোগ আনা হয়েছে। এদিকে, খাত সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সংশ্লিষ্ট সময়ের সব কয়লা আমদানির চুক্তি, দরপত্র প্রক্রিয়া এবং সরবরাহকৃত কয়লার মান স্বাধীনভাবে তদন্ত করা জরুরি। তাদের আশঙ্কা—চুক্তির আওতায় নিয়মিত নিম্নমানের কয়লা সরবরাহ হয়ে থাকতে পারে, যা বিদ্যুৎ উৎপাদন ও অর্থনীতির ওপর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলতে পারে। উপস্থাপিত নথি, অভিযোগ ও পাল্টা বক্তব্যে একটি জটিল চিত্র ফুটে উঠেছে, যেখানে প্রভাব, স্বার্থের সংঘাত এবং নীতি লঙ্ঘনের প্রশ্ন সামনে এসেছে। তবে অভিযোগগুলো
স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্ত ছাড়া চূড়ান্তভাবে নিশ্চিত হওয়া সম্ভব নয়। সংশ্লিষ্টদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে একটি পূর্ণাঙ্গ তদন্ত এখন সময়ের দাবি।



