ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
আদ-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল
শপিংমল-দোকানপাট খোলা রাখার নতুন সময় নির্ধারণ
জীবনযাত্রার ব্যয়ে লাগাম টানার চেষ্টা
মাস্টারমাইন্ড মাহফুজ: ‘জীবন বাঁচাতে চুপ ছিলাম অন্তরীণ সরকারের সময়, তবু এনসিপি-জাশির আক্রমণ থামছে না’
থানায় পিঠ বাঁচলেও ডিসি অফিসে ধোলাই খেলেন পুলিশ হত্যাকারী সমন্বয়ক মাহাদী
দেশরত্ন শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবস আজ
তদন্তের আগেই দুই কৃষি কর্মকর্তাকে বদলি, ডিএই’র ডিজি লাঞ্ছিত
এমপি গিয়াস কাদেরের ২ ছেলেসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা: শিল্পপতির বাড়ি দখল ও লুটের অভিযোগ
রাজধানীর অভিজাত এলাকা গুলশানে এক শিল্পপতির ফ্ল্যাট দখল, হামলা এবং ৫ কোটি টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে চট্টগ্রাম-৬ (রাউজান) আসনের সংসদ সদস্য
গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরীর দুই ছেলেসহ চারজনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। একইসঙ্গে তাঁদের পূর্ববর্তী জামিন বাতিল করা হয়েছে।
১ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সেফাতুল্লাহ এই আদেশ প্রদান করেন।
যাদের বিরুদ্ধে পরোয়ানা
আদালতের নির্দেশে পরোয়ানাভুক্ত আসামিরা হলেন: সামির কাদের চৌধুরী (এমপির ছেলে), শাকির কাদের চৌধুরী (এমপির ছেলে), মেরিনা ইরশাদ, আশিকুর রহমান
আদালতের কার্যক্রম
বাদিপক্ষের আইনজীবী জাকির হোসেন জুয়েল জানান, বুধবার মামলার ধার্য তারিখে মোট ১৫ জন আসামির মধ্যে ৯ জন আদালতে হাজিরা দেন। এমপি গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী ও তাঁর
নিরাপত্তারক্ষী সংসদ অধিবেশনের কারণে উপস্থিত থাকতে না পারায় তাঁদের বিষয়ে কোনো আপত্তি করা হয়নি। তবে উল্লিখিত চার আসামি আদালতে অনুপস্থিত থাকায় আদালত তাঁদের জামিন বাতিল করে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির সিদ্ধান্ত নেন। ঘটনার নেপথ্যে: জমি থেকে চাঁদাবাজি মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ঘটনার সূত্রপাত ২০০৬ সালে। গুলশানের একটি ছয়তলা ভবন নির্মাণ নিয়ে শিল্পপতি মাইনুল ইসলাম ও তাঁর স্ত্রীর সঙ্গে চুক্তি হয়। ২০০৮ সালে মাইনুল ইসলামের মৃত্যুর পর থেকেই আসামিরা জাল দলিল তৈরি করে ভবনের দ্বিতীয় তলার ফ্ল্যাটটি দখলের চেষ্টা চালিয়ে আসছিলেন। অভিযোগের প্রধান পয়েন্টগুলো চাঁদা দাবি: ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই আসামিরা ভুক্তভোগী পরিবারের কাছে ৫ কোটি টাকা চাঁদা দাবি করেন। সশস্ত্র হামলা: গত ২৮ আগস্ট পুনরায়
বাসায় ঢুকে হামলা চালিয়ে বেশ কয়েকজনকে আহত করা হয়। আহতরা কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। লুটপাট ও ভাঙচুর: হামলার সময় নগদ ১০ লাখ টাকা ও ১০ ভরি স্বর্ণ লুটের অভিযোগ আনা হয়েছে। এছাড়া গ্যারেজ ভাঙচুর করে প্রায় ৩ কোটি টাকার ক্ষতি করা হয়। “আসামিরা জাল দলিলের মাধ্যমে দীর্ঘ দিন ধরে ফ্ল্যাটটি দখলের পায়তারা করছিল এবং জুলাই মাসের পর তারা আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে।” – মামলার আরজি থেকে। মামলার বর্তমান অবস্থা: গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর ভুক্তভোগী ফারজানা আন্না ইসলাম বাদী হয়ে ৯ জনের নাম উল্লেখ করে এই মামলাটি দায়ের করেন। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে গুরুত্ব সহকারে তদন্তের জন্য সিআইডিকে (CID) প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন।
নিরাপত্তারক্ষী সংসদ অধিবেশনের কারণে উপস্থিত থাকতে না পারায় তাঁদের বিষয়ে কোনো আপত্তি করা হয়নি। তবে উল্লিখিত চার আসামি আদালতে অনুপস্থিত থাকায় আদালত তাঁদের জামিন বাতিল করে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির সিদ্ধান্ত নেন। ঘটনার নেপথ্যে: জমি থেকে চাঁদাবাজি মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ঘটনার সূত্রপাত ২০০৬ সালে। গুলশানের একটি ছয়তলা ভবন নির্মাণ নিয়ে শিল্পপতি মাইনুল ইসলাম ও তাঁর স্ত্রীর সঙ্গে চুক্তি হয়। ২০০৮ সালে মাইনুল ইসলামের মৃত্যুর পর থেকেই আসামিরা জাল দলিল তৈরি করে ভবনের দ্বিতীয় তলার ফ্ল্যাটটি দখলের চেষ্টা চালিয়ে আসছিলেন। অভিযোগের প্রধান পয়েন্টগুলো চাঁদা দাবি: ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই আসামিরা ভুক্তভোগী পরিবারের কাছে ৫ কোটি টাকা চাঁদা দাবি করেন। সশস্ত্র হামলা: গত ২৮ আগস্ট পুনরায়
বাসায় ঢুকে হামলা চালিয়ে বেশ কয়েকজনকে আহত করা হয়। আহতরা কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। লুটপাট ও ভাঙচুর: হামলার সময় নগদ ১০ লাখ টাকা ও ১০ ভরি স্বর্ণ লুটের অভিযোগ আনা হয়েছে। এছাড়া গ্যারেজ ভাঙচুর করে প্রায় ৩ কোটি টাকার ক্ষতি করা হয়। “আসামিরা জাল দলিলের মাধ্যমে দীর্ঘ দিন ধরে ফ্ল্যাটটি দখলের পায়তারা করছিল এবং জুলাই মাসের পর তারা আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে।” – মামলার আরজি থেকে। মামলার বর্তমান অবস্থা: গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর ভুক্তভোগী ফারজানা আন্না ইসলাম বাদী হয়ে ৯ জনের নাম উল্লেখ করে এই মামলাটি দায়ের করেন। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে গুরুত্ব সহকারে তদন্তের জন্য সিআইডিকে (CID) প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন।



