ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
সিলেট-ঢাকা রুটে স্পেশাল ট্রেন
ইংরেজি শিখতে ৩০০ সচিবকে থাইল্যান্ড পাঠানোর তথ্য ‘গুরুতর অসত্য’ : বিয়াম
জুলাই ২৪-এর ১৯ মাস পরেও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিতে আস্থা ফেরেনি: সোনারগাঁয়ে রণক্ষেত্র
আইনি লড়াইয়ে জয়: ১৪ মাস পর বারখাইন ইউপির সিংহাসনে ফিরলেন শাকিল
‘ড. ইউনূসের আমলে আমরা এক পাও এগুইনি’, ক্ষোভ ঝাড়লেন রপ্তানি শিল্পের উদ্যোক্তারা
এমপি গিয়াস কাদেরের ২ ছেলেসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা: শিল্পপতির বাড়ি দখল ও লুটের অভিযোগ
সাইয়্যেদ আব্দুল্লাহ: ৫ আগস্ট র-এর গুজব ছড়িয়ে পুলিশ হত্যায় উস্কানিদাতা প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী নিযুক্ত
এলএনজি খাতে পেট্রোবাংলার ৫০ মাসে দেনা সাড়ে ২২ হাজার কোটি টাকা
ঘাটতি বাজেট, বাড়তে থাকা ঋণ এবং রাজস্ব আদায়ের চাপে যখন সরকার হিমশিম খাচ্ছে, তখন শুল্ক-কর পরিশোধে বড় ধরনের অনিয়মে জড়িয়েছে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানই। টানা প্রায় ৫০ মাস ধরে আমদানি করা এলএনজির বিপরীতে ২২ হাজার ৩৩১ কোটি টাকার শুল্ক-কর বকেয়া রেখেছে পেট্রোবাংলা, যা দেশের আর্থিক শৃঙ্খলার জন্য বড় উদ্বেগ হয়ে উঠেছে।
চট্টগ্রাম কাস্টমস সূত্রে জানা গেছে, ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২৬ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত এ বিপুল পরিমাণ বকেয়া জমেছে। এই সময়ে মোট ৩৭০টি বিল অব এন্ট্রি দাখিল করা হয়নি, যা কাস্টমস আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।
যদিও ৪৫টি বিলের বিপরীতে প্রায় এক হাজার ৬৬৯ কোটি টাকা পরিশোধ করা হয়েছে, তবুও সামগ্রিক বকেয়া অস্বাভাবিকভাবে উচ্চ পর্যায়ে রয়ে
গেছে। কাস্টমস কর্মকর্তারা বলছেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিল অব এন্ট্রি দাখিল না করা এবং শুল্ক-কর পরিশোধ না করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। এ বিষয়ে বারবার চিঠি ও যোগাযোগ করা হলেও ২০২৫ সালের আগস্টের পর থেকে কোনো অর্থ পরিশোধ করেনি পেট্রোবাংলা। চট্টগ্রাম কাস্টমসের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “সরকারি প্রতিষ্ঠান হিসেবে তাদের আরও দায়িত্বশীল হওয়া উচিত। বিল অব এন্ট্রি ছাড়া পণ্য খালাস করা আইন লঙ্ঘন। এতে রাজস্ব আদায় ব্যাহত হচ্ছে এবং পুরো ব্যবস্থাপনায় জটিলতা তৈরি হচ্ছে।” এলএনজি আমদানির প্রক্রিয়ায় গ্যাসবাহী জাহাজ থেকে মহেশখালীর ভাসমান টার্মিনালে গ্যাস খালাস করে সরাসরি জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হয়। তবে এই পুরো প্রক্রিয়ায় কাস্টমসের বাধ্যতামূলক আনুষ্ঠানিকতা যথাযথভাবে
অনুসরণ করা হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে। বকেয়া আদায়ে ২০২২ সালে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হলেও তারও জবাব দেয়নি পেট্রোবাংলা। পরবর্তীতে প্রতিষ্ঠানটির ব্যাংক হিসাব জব্দ ও পণ্য খালাস বন্ধের হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়। এর জবাবে পেট্রোবাংলা জানায়, অর্থ বিভাগ থেকে ভর্তুকি পেলে তারা বকেয়া পরিশোধ করবে। তবে সংস্থাটির পক্ষ থেকে ভিন্ন যুক্তিও তুলে ধরা হয়েছে। পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান মো. এরফানুল হক বলেন, “এখানে দ্বৈত করের বিষয় আছে। আমদানির সময় কর দিচ্ছি, আবার বিক্রির সময়ও কর দিতে হচ্ছে। একই পণ্যে দুইবার কর নেওয়া যুক্তিসঙ্গত নয়। বিষয়টি এনবিআরের সঙ্গে আলোচনায় আছে।” একজন পরিচালক জানান, এলএনজি আমদানির সময় ভ্যাট, অগ্রিম আয়কর এবং পরে বিক্রির সময় আবার ভ্যাট—এভাবে বহুমুখী করের চাপ
তৈরি হচ্ছে। এছাড়া অগ্রিম আয়করের টাকা ফেরত না পাওয়াও একটি বড় সমস্যা বলে উল্লেখ করেন তিনি। এদিকে রাজস্ব বোর্ড সূত্র বলছে, দীর্ঘদিন বকেয়া পড়ে থাকায় রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা অর্জন ব্যাহত হচ্ছে এবং ফিসক্যাল ডিসিপ্লিন বজায় রাখা কঠিন হয়ে পড়ছে। এমনকি অ্যাসাইকুডা ওয়ার্ল্ড সিস্টেমে এলএনজি আমদানির হিসাব মিলাতেও সমস্যা তৈরি হচ্ছে। উল্লেখ্য, অতীতেও পেট্রোবাংলার বকেয়া পরিশোধে সরকার ‘বুক অ্যাডজাস্টমেন্ট’ পদ্ধতি অনুসরণ করেছে। ২০০৯ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত ১৩ হাজার ২৭৮ কোটি টাকা এভাবে সমন্বয় করা হয়। সাম্প্রতিক বছরগুলোতেও ধাপে ধাপে ঋণ দিয়ে বকেয়া পরিশোধের পরিকল্পনা রয়েছে। সার্বিক পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠছে—যেখানে সাধারণ করদাতাদের ওপর রাজস্ব আদায়ের চাপ বাড়ছে, সেখানে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর এমন বকেয়া কতটা ন্যায্য এবং
এটি কতটা প্রভাব ফেলছে দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতে।
গেছে। কাস্টমস কর্মকর্তারা বলছেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিল অব এন্ট্রি দাখিল না করা এবং শুল্ক-কর পরিশোধ না করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। এ বিষয়ে বারবার চিঠি ও যোগাযোগ করা হলেও ২০২৫ সালের আগস্টের পর থেকে কোনো অর্থ পরিশোধ করেনি পেট্রোবাংলা। চট্টগ্রাম কাস্টমসের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “সরকারি প্রতিষ্ঠান হিসেবে তাদের আরও দায়িত্বশীল হওয়া উচিত। বিল অব এন্ট্রি ছাড়া পণ্য খালাস করা আইন লঙ্ঘন। এতে রাজস্ব আদায় ব্যাহত হচ্ছে এবং পুরো ব্যবস্থাপনায় জটিলতা তৈরি হচ্ছে।” এলএনজি আমদানির প্রক্রিয়ায় গ্যাসবাহী জাহাজ থেকে মহেশখালীর ভাসমান টার্মিনালে গ্যাস খালাস করে সরাসরি জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হয়। তবে এই পুরো প্রক্রিয়ায় কাস্টমসের বাধ্যতামূলক আনুষ্ঠানিকতা যথাযথভাবে
অনুসরণ করা হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে। বকেয়া আদায়ে ২০২২ সালে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হলেও তারও জবাব দেয়নি পেট্রোবাংলা। পরবর্তীতে প্রতিষ্ঠানটির ব্যাংক হিসাব জব্দ ও পণ্য খালাস বন্ধের হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়। এর জবাবে পেট্রোবাংলা জানায়, অর্থ বিভাগ থেকে ভর্তুকি পেলে তারা বকেয়া পরিশোধ করবে। তবে সংস্থাটির পক্ষ থেকে ভিন্ন যুক্তিও তুলে ধরা হয়েছে। পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান মো. এরফানুল হক বলেন, “এখানে দ্বৈত করের বিষয় আছে। আমদানির সময় কর দিচ্ছি, আবার বিক্রির সময়ও কর দিতে হচ্ছে। একই পণ্যে দুইবার কর নেওয়া যুক্তিসঙ্গত নয়। বিষয়টি এনবিআরের সঙ্গে আলোচনায় আছে।” একজন পরিচালক জানান, এলএনজি আমদানির সময় ভ্যাট, অগ্রিম আয়কর এবং পরে বিক্রির সময় আবার ভ্যাট—এভাবে বহুমুখী করের চাপ
তৈরি হচ্ছে। এছাড়া অগ্রিম আয়করের টাকা ফেরত না পাওয়াও একটি বড় সমস্যা বলে উল্লেখ করেন তিনি। এদিকে রাজস্ব বোর্ড সূত্র বলছে, দীর্ঘদিন বকেয়া পড়ে থাকায় রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা অর্জন ব্যাহত হচ্ছে এবং ফিসক্যাল ডিসিপ্লিন বজায় রাখা কঠিন হয়ে পড়ছে। এমনকি অ্যাসাইকুডা ওয়ার্ল্ড সিস্টেমে এলএনজি আমদানির হিসাব মিলাতেও সমস্যা তৈরি হচ্ছে। উল্লেখ্য, অতীতেও পেট্রোবাংলার বকেয়া পরিশোধে সরকার ‘বুক অ্যাডজাস্টমেন্ট’ পদ্ধতি অনুসরণ করেছে। ২০০৯ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত ১৩ হাজার ২৭৮ কোটি টাকা এভাবে সমন্বয় করা হয়। সাম্প্রতিক বছরগুলোতেও ধাপে ধাপে ঋণ দিয়ে বকেয়া পরিশোধের পরিকল্পনা রয়েছে। সার্বিক পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠছে—যেখানে সাধারণ করদাতাদের ওপর রাজস্ব আদায়ের চাপ বাড়ছে, সেখানে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর এমন বকেয়া কতটা ন্যায্য এবং
এটি কতটা প্রভাব ফেলছে দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতে।



