মশায় অতিষ্ঠ রাজধানীর মানুষ – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ২ এপ্রিল, ২০২৬

মশায় অতিষ্ঠ রাজধানীর মানুষ

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২ এপ্রিল, ২০২৬ |
রাজধানীজুড়ে মশার ভয়াবহ উপদ্রবে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে নগরবাসী। দিনভর কোনোভাবে সময় কাটলেও সন্ধ্যা নামতেই শুরু হয় মশার ঝাঁকে ঝাঁকে আক্রমণ। এতে স্বাভাবিক জীবনযাপন, ব্যবসা-বাণিজ্য ও ঘুম সবকিছুতেই বিঘ্ন ঘটছে। ডেঙ্গু নিয়ে আতঙ্ক বিরাজ করছে। তেজকুনিপাড়া এলাকার টং দোকানি মিজানুর রহমান বলেন, মশার যন্ত্রণায় সারাদিন বসে থাকতে হয়। সন্ধ্যা হলেই মশা হাত-পায়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে। দোকানে বসে ব্যবসা করাই কঠিন হয়ে যায়। তিনি জানান, টংয়ের দুই পাশে সব সময় দুটি কয়েল জ্বালিয়ে রাখেন, তারপরও মশা কমে না। শুধু তেজকুনিপাড়া নয়, একই অবস্থা রাজধানীর প্রায় সব এলাকায়। মশার দৌরাত্ম্যে অতিষ্ঠ হয়ে সম্প্রতি এক আইনজীবী স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সচিব ও ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাকে আইনি

নোটিশ পাঠিয়েছেন। অভিযোগ রয়েছে, কয়েক মাস ধরে মশার উপদ্রব বাড়লেও দায়িত্বশীল সংস্থাগুলোর কার্যকর উদ্যোগ ছিল না। মাঝেমধ্যে ওষুধ ছিটানো হলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় খুবই কম ছিল। মশা বেড়ে যাওয়ার কারণ হিসেবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দীর্ঘদিন বৃষ্টি না হওয়ায় ড্রেন, বক্স-কালভার্ট ও বিভিন্ন জলাধারে পানি জমে পচে গেছে। পানির প্রবাহ না থাকায় এসব জায়গা মশার বংশবিস্তারের আদর্শ পরিবেশে পরিণত হয়েছে। পাশাপাশি শীত শেষ হয়ে তাপমাত্রা বাড়াও মশা বৃদ্ধির অন্যতম কারণ। এছাড়া মশক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমও ঠিকমতো পরিচালিত হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে। রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দারাও একই অভিযোগ করেছেন। রামপুরা এলাকার বাসিন্দা অশোক দে বলেন, বাসার আশপাশে এত মশা যে টেকা দায় হয়ে গেছে। বাজারে মশা তাড়ানোর বৈদ্যুতিক

যন্ত্রও পাওয়া যাচ্ছে না। মগবাজারের বাসিন্দা নুসরাত ফাতেমা বলেন, সিটি কর্পোরেশন মাঝে মাঝে ফগিং করা হলেও তা নিয়মিত নয় এবং কোনো স্থায়ী ফলও পাওয়া যাচ্ছে না। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন মশক নিধন কার্যক্রমের তদারকি দুর্বল থাকায় ড্রেন পরিষ্কার, খাল থেকে বর্জ্য অপসারণ ও জলাশয়ে ওষুধ প্রয়োগের কাজ নিয়মিত হয়নি। ফলে মশার বংশবিস্তারের অনুকূল পরিবেশ তৈরি হয়েছে। সম্প্রতি দুই সিটি কর্পোরেশন ক্রাশ প্রোগ্রামসহ বিভিন্ন কার্যক্রম শুরু করলেও এখনো নগরবাসী মশার যন্ত্রণা থেকে স্বস্তি পাচ্ছেন না। নগরবাসীর দাবি, নিয়মিত ও কার্যকর মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালনা না করলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
রাজধানীতে স্বস্তির বৃষ্টি কালো টাকা সাদা করার সুযোগ ফিরল, উৎস নিয়ে প্রশ্নও তোলা যাবে না আদ-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল শপিংমল-দোকানপাট খোলা রাখার নতুন সময় নির্ধারণ জীবনযাত্রার ব্যয়ে লাগাম টানার চেষ্টা দেশে বিনিয়োগ কমলেও জিডিপি বেড়েছে লাইফস্টাইল টিপস: এই তীব্র গরমে নিজেকে সুরক্ষিত রাখবেন যেভাবে মুক্তিযুদ্ধ-বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে বই থাকায় ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরির ৩ শতাধিক বই জব্দ করল জেলা প্রশাসন মাস্টারমাইন্ড মাহফুজ: ‘জীবন বাঁচাতে চুপ ছিলাম অন্তরীণ সরকারের সময়, তবু এনসিপি-জাশির আক্রমণ থামছে না’ থানায় পিঠ বাঁচলেও ডিসি অফিসে ধোলাই খেলেন পুলিশ হত্যাকারী সমন্বয়ক মাহাদী বাজেটে কমছে ও বাড়ছে যেসব পণ্যের দাম দেশরত্ন শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবস আজ নতুন জামা থেকে রং ওঠলে কী করবেন বিশ্বের সঙ্গে একইদিনে বাংলাদেশের প্রেক্ষাগৃহে ‘ডিসক্লোজার ডে’ করছাড় পাচ্ছে আইটি ফ্রিল্যান্সিং, কনটেন্ট ক্রিয়েশন ও স্টার্টআপ গৃহকর্মী থেকে প্রতিমন্ত্রী হয়ে কলিতা মাঝি পেলেন গৃহায়ণ মন্ত্রণালয় তদন্তের আগেই দুই কৃষি কর্মকর্তাকে বদলি, ডিএই’র ডিজি লাঞ্ছিত পাঁচ আর্থিক প্রতিষ্ঠানে প্রশাসক, ঝুঁকিতে হাজারো আমানতকারীর অর্থ ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহারের পর শেয়ারে বড় পতন জনগণের ওপর বাড়তি ঋণ ও করভার চাপিয়ে বড় হচ্ছে বাজেটের আকার