ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
সিলেট-ঢাকা রুটে স্পেশাল ট্রেন
ইংরেজি শিখতে ৩০০ সচিবকে থাইল্যান্ড পাঠানোর তথ্য ‘গুরুতর অসত্য’ : বিয়াম
জুলাই ২৪-এর ১৯ মাস পরেও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিতে আস্থা ফেরেনি: সোনারগাঁয়ে রণক্ষেত্র
আইনি লড়াইয়ে জয়: ১৪ মাস পর বারখাইন ইউপির সিংহাসনে ফিরলেন শাকিল
‘ড. ইউনূসের আমলে আমরা এক পাও এগুইনি’, ক্ষোভ ঝাড়লেন রপ্তানি শিল্পের উদ্যোক্তারা
এমপি গিয়াস কাদেরের ২ ছেলেসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা: শিল্পপতির বাড়ি দখল ও লুটের অভিযোগ
সাইয়্যেদ আব্দুল্লাহ: ৫ আগস্ট র-এর গুজব ছড়িয়ে পুলিশ হত্যায় উস্কানিদাতা প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী নিযুক্ত
গুলশান ফ্ল্যাট দখল ও হামলা: গিকা চৌধুরীর দুই ছেলেসহ চারজনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা
রাজধানীর গুলশানে এক শিল্পপতির ফ্ল্যাট দখলচেষ্টাকে ঘিরে তার স্ত্রী ও সন্তানদের ওপর হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় চার আসামির জামিন বাতিল করে তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। এদের মধ্যে রয়েছেন সংসদ সদস্য গিয়াস উদ্দিন কাদের (গিকা) চৌধুরীর দুই ছেলে।
১লা এপ্রিল, বুধবার ঢাকার অতিরিক্ত প্রধান মহানগর হাকিম মো. সেফাতুল্লাহ, বাদীপক্ষের আবেদনের পর এ আদেশ দেন।
যাদের বিরুদ্ধে পরোয়ানা জারি হয়েছে তারা হলেন— সামির কাদের চৌধুরী, শাকির কাদের চৌধুরী, মেরিনা ইরশাদ ও আশিকুর রহমান।
চট্টগ্রাম-৬ (রাউজান) আসনের সংসদ সদস্য এবং বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরীও এ মামলার আসামি।
বাদীপক্ষের আইনজীবী জাকির হোসেন জুয়েল জানান, নির্ধারিত তারিখে
১৫ আসামির মধ্যে ৯ জন আদালতে হাজিরা দেন। গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী ও তার নিরাপত্তারক্ষী সংসদ অধিবেশনের কারণে অনুপস্থিত থাকায় তাদের বিষয়ে আপত্তি তোলা হয়নি। তবে বাকি চার আসামি আদালতে হাজির না হওয়ায় তাদের জামিন বাতিলের আবেদন করা হলে আদালত তা মঞ্জুর করেন। মামলাটি দায়ের করেন প্রয়াত শিল্পপতি মাইনুল ইসলামের স্ত্রী ফারজানা আন্না ইসলাম, গত বছরের ৮ই সেপ্টেম্বর। আদালত মামলাটি গ্রহণ করে সিআইডিকে তদন্তের নির্দেশ দেয়। অভিযোগ অনুযায়ী, ২০০৬ সালে একটি ছয়তলা ভবন নির্মাণে রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ীর সঙ্গে মাইনুল ইসলাম দম্পতির চুক্তি হয় এবং ২০০৭ সালে তারা ভবনটি বুঝে পান। পরবর্তীতে ২০০৮ সালে মাইনুল ইসলামের মৃত্যুর পর থেকে ওই সম্পত্তি দখলের চেষ্টা শুরু
হয়। মামলায় বলা হয়, আসামিরা জাল দলিল তৈরি করে দ্বিতীয় তলার পুরো ফ্লোর দখলের চেষ্টা করে। ২০২৪ সালের জুলাইয়ের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর তারা আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে। গত বছরের ১৪ই জুলাই অভিযুক্তরা ভবনে প্রবেশ করে তালা ভেঙে ফ্ল্যাট দখলের চেষ্টা চালায় এবং ৫ কোটি টাকা চাঁদা দাবি করে। পরে ২৮শে আগস্ট আবারও হামলা চালিয়ে বাসার লোকজনকে আহত করা হয়। এ সময় নগদ ১০ লাখ টাকা ও ১০ ভরি স্বর্ণালঙ্কার লুটে নিয়ে যায় বলে অভিযোগও রয়েছে। চলে যাওয়ার সময় আসামিরা বাসার নিচে গ্যারেজ ভাঙচুর করে প্রায় তিন কোটি টাকার ক্ষতি করেন। আহতরা পরে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। অন্যদিকে, অভিযোগ অস্বীকার করে সামির কাদের চৌধুরী বলেন,
মামলাটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তাদের দাবি, গত কয়েক বছরে তারা কখনও ওই ভবনের আশপাশেও যাননি। এছাড়া বাদীর বিরুদ্ধে আগে থেকেই একটি হত্যাচেষ্টা মামলা দায়ের করা হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
১৫ আসামির মধ্যে ৯ জন আদালতে হাজিরা দেন। গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী ও তার নিরাপত্তারক্ষী সংসদ অধিবেশনের কারণে অনুপস্থিত থাকায় তাদের বিষয়ে আপত্তি তোলা হয়নি। তবে বাকি চার আসামি আদালতে হাজির না হওয়ায় তাদের জামিন বাতিলের আবেদন করা হলে আদালত তা মঞ্জুর করেন। মামলাটি দায়ের করেন প্রয়াত শিল্পপতি মাইনুল ইসলামের স্ত্রী ফারজানা আন্না ইসলাম, গত বছরের ৮ই সেপ্টেম্বর। আদালত মামলাটি গ্রহণ করে সিআইডিকে তদন্তের নির্দেশ দেয়। অভিযোগ অনুযায়ী, ২০০৬ সালে একটি ছয়তলা ভবন নির্মাণে রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ীর সঙ্গে মাইনুল ইসলাম দম্পতির চুক্তি হয় এবং ২০০৭ সালে তারা ভবনটি বুঝে পান। পরবর্তীতে ২০০৮ সালে মাইনুল ইসলামের মৃত্যুর পর থেকে ওই সম্পত্তি দখলের চেষ্টা শুরু
হয়। মামলায় বলা হয়, আসামিরা জাল দলিল তৈরি করে দ্বিতীয় তলার পুরো ফ্লোর দখলের চেষ্টা করে। ২০২৪ সালের জুলাইয়ের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর তারা আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে। গত বছরের ১৪ই জুলাই অভিযুক্তরা ভবনে প্রবেশ করে তালা ভেঙে ফ্ল্যাট দখলের চেষ্টা চালায় এবং ৫ কোটি টাকা চাঁদা দাবি করে। পরে ২৮শে আগস্ট আবারও হামলা চালিয়ে বাসার লোকজনকে আহত করা হয়। এ সময় নগদ ১০ লাখ টাকা ও ১০ ভরি স্বর্ণালঙ্কার লুটে নিয়ে যায় বলে অভিযোগও রয়েছে। চলে যাওয়ার সময় আসামিরা বাসার নিচে গ্যারেজ ভাঙচুর করে প্রায় তিন কোটি টাকার ক্ষতি করেন। আহতরা পরে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। অন্যদিকে, অভিযোগ অস্বীকার করে সামির কাদের চৌধুরী বলেন,
মামলাটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তাদের দাবি, গত কয়েক বছরে তারা কখনও ওই ভবনের আশপাশেও যাননি। এছাড়া বাদীর বিরুদ্ধে আগে থেকেই একটি হত্যাচেষ্টা মামলা দায়ের করা হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।



