ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
আলোচনায় প্রেস সচিব: উপদেষ্টার সাবেক এপিএস-এর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা
এআইআইবি সহায়তা অনিশ্চিত, জ্বালানি বাজার অস্থিরতায় বাজেট বাস্তবায়নে বাড়ছে চাপ
ইউনূস সরকারের ‘বিলাসী’ ঋণের বিশাল বোঝা জেন জির কাঁধে?
ইউনূস সরকারের বিরুদ্ধে শিশুদের গণহারে পরিকল্পিত হত্যার অভিযোগ
যুক্তরাজ্যের পর এবার আজহারীকে ‘চরমপন্থী ইসলামি বক্তা’ আখ্যায় অস্ট্রেলিয়া থেকেও বহিষ্কার
২৬ দিনে উদ্ধার ২ লাখ লিটারের বেশি জ্বালানি তেল
দিনে ১৩ ঘণ্টা পাম্প বন্ধ রাখতে চান মালিকরা
ইউনূসের সংবিধান সংস্কার-বাস্তবায়ন আদেশ জাতীয় প্রতারণার দলিল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
‘জুলাই সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫’ ইউনূস সরকারের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের অন্তহীন প্রতারণার দলিল এবং জাতীয় প্রতারণা বলে জাতীয় সংসদে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
তিনি বলেছেন, এই আদেশের কোনো আইনি বৈধতা নেই এবং এটি সূচনা থেকেই অবৈধ।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) জাতীয় সংসদে বিরোধীদলীয় নেতার উত্থাপিত ‘জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫’ বিষয়ে নির্ধারিত আলোচনার জবাব দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার রাজনৈতিক দলগুলোর দেওয়া ‘নোট অব ডিসেন্ট’ বা ভিন্নমত উল্লেখ না করেই আদেশটি জাতির সামনে উপস্থাপন করেছে, যা তিনি জাতীয় প্রতারণার অংশ।
তার মতে, রাজনৈতিক সমঝোতার বিষয়গুলো উপেক্ষা করে একতরফাভাবে আদেশ জারি করা হয়েছে।
আদেশটির আইনি বৈধতা
নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, ১৯৭৩ সালের ৭ই এপ্রিলের পর রাষ্ট্রপতির এ ধরনের আদেশ জারির ক্ষমতা ছিল না। তাই এই আদেশের আইনগত ভিত্তি নেই। তিনি বলেন, যে আদেশের জন্মই বৈধ নয়, সেটি আইনগত ভাষায় ‘ভয়েড অ্যাব ইনিশিও’, অর্থাৎ শুরু থেকেই বাতিল। এটি অধ্যাদেশও নয়, আইনও নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি। গণভোটের ব্যালট পদ্ধতির সমালোচনা করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, গণভোটে চারটি প্রশ্ন একসঙ্গে দিয়ে জনগণকে ‘হ্যাঁ’ অথবা ‘না’ ভোট দিতে বাধ্য করা হয়েছে। এতে জনগণের স্বাধীন মত প্রকাশের সুযোগ সীমিত হয়েছে। তাঁর মতে, একটি অন্তর্র্বতী সরকার মৌলিক রাষ্ট্রীয় বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার এখতিয়ার রাখে না। সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্যদের শপথ নেওয়ার বিষয়েও তিনি নির্বাচন কমিশনের সমালোচনা
করেন। তিনি বলেন, অস্তিত্বহীন একটি পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেওয়ার কোনো আইনি বিধান নেই এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনারেরও এ ধরনের শপথের ফরম সংসদে পাঠানোর এখতিয়ার নেই। তিনি অভিযোগ করেন, সংবিধান সংরক্ষণের শপথ নিয়ে নির্বাচন কমিশন নিজেরাই সংবিধান লঙ্ঘন করেছে।
নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, ১৯৭৩ সালের ৭ই এপ্রিলের পর রাষ্ট্রপতির এ ধরনের আদেশ জারির ক্ষমতা ছিল না। তাই এই আদেশের আইনগত ভিত্তি নেই। তিনি বলেন, যে আদেশের জন্মই বৈধ নয়, সেটি আইনগত ভাষায় ‘ভয়েড অ্যাব ইনিশিও’, অর্থাৎ শুরু থেকেই বাতিল। এটি অধ্যাদেশও নয়, আইনও নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি। গণভোটের ব্যালট পদ্ধতির সমালোচনা করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, গণভোটে চারটি প্রশ্ন একসঙ্গে দিয়ে জনগণকে ‘হ্যাঁ’ অথবা ‘না’ ভোট দিতে বাধ্য করা হয়েছে। এতে জনগণের স্বাধীন মত প্রকাশের সুযোগ সীমিত হয়েছে। তাঁর মতে, একটি অন্তর্র্বতী সরকার মৌলিক রাষ্ট্রীয় বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার এখতিয়ার রাখে না। সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্যদের শপথ নেওয়ার বিষয়েও তিনি নির্বাচন কমিশনের সমালোচনা
করেন। তিনি বলেন, অস্তিত্বহীন একটি পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেওয়ার কোনো আইনি বিধান নেই এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনারেরও এ ধরনের শপথের ফরম সংসদে পাঠানোর এখতিয়ার নেই। তিনি অভিযোগ করেন, সংবিধান সংরক্ষণের শপথ নিয়ে নির্বাচন কমিশন নিজেরাই সংবিধান লঙ্ঘন করেছে।



