ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ফ্রান্সে প্রবাসী বাংলাদেশিদের ঈদ: ঐক্য-সম্প্রীতির উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত
আমি আর আয়াতুল্লাহ মিলে হরমুজ নিয়ন্ত্রণ করব: ট্রাম্প
যুদ্ধ বন্ধে উভয় পক্ষই চুক্তি করতে সম্মত হয়েছি: ট্রাম্প
ইরান পরমাণু অস্ত্র না বানাতে সম্মত হয়েছে: ট্রাম্প
হরমুজ প্রণালি পার হতে জাহাজপ্রতি ২৪ কোটি টাকা নেবে ইরান
মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তায় নতুন প্ল্যাটফর্ম: একসঙ্গে তুরস্ক, সৌদি আরব, মিসর ও পাকিস্তান
এবার হরমুজ প্রণালি চূড়ান্তভাবে বন্ধের হুঁশিয়ারি ইরানের
ইরানকে সাহায্য করতে স্বর্ণ-রূপা ও নগদ অর্থ দিচ্ছে কাশ্মীরিরা
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে ভারতের জম্মু ও কাশ্মীরে দেখা যাচ্ছে ব্যতিক্রমী এক মানবিক উদ্যোগ। ইরানের জনগণের প্রতি সংহতি জানিয়ে কাশ্মীরের বিভিন্ন এলাকায়, বিশেষ করে বুদগাম ও বারামুলা জেলায়, স্থানীয় বাসিন্দারা স্বর্ণ-রূপা, গয়না ও নগদ অর্থ দান করছেন।
সংবাদ সংস্থা এএনআই জানিয়েছে, বুদগামের খান্দা গ্রামের নারীরা নিজেদের স্বর্ণের গয়না দান করে ইরানের পাশে থাকার বার্তা দিয়েছেন। তাদের ভাষায়, ‘ইরানের পাশে দাঁড়ানো আমাদের দায়িত্ব।’
ঈদুল ফিতরের পর শিয়া অধ্যুষিত এলাকাগুলোতে স্বেচ্ছাসেবীরা ঘরে ঘরে গিয়ে ত্রাণ সংগ্রহ করছেন। শুধু নগদ অর্থ বা গয়না নয়, অনেকেই গবাদি পশু ও ঐতিহ্যবাহী তামার সামগ্রীও দান করছেন।
সংগৃহীত এসব সহায়তা ভারতে অবস্থিত ইরানের দূতাবাসের মাধ্যমে পাঠানো হচ্ছে, যাতে যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে
ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা করা যায়। সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা গেছে, নারীরা লাইনে দাঁড়িয়ে গয়না জমা দিচ্ছেন এবং শিশুরা তাদের ঈদের উপহার হিসেবে পাওয়া অর্থ দান করছে। একজন আইনজীবী তার পরিবারের কাছ থেকে প্রায় ৩১ লাখ রুপি সংগ্রহ করে দিয়েছেন বলেও জানা গেছে। স্থানীয় সংগঠকদের দাবি, এ পর্যন্ত দানের পরিমাণ কয়েক কোটি রুপিতে পৌঁছেছে, যার মধ্যে সোনা-রূপার মূল্যও অন্তর্ভুক্ত। এসব সম্পদ নগদে রূপান্তর করে অনুমোদিত চ্যানেলের মাধ্যমে ইরানের দূতাবাসে পাঠানো হচ্ছে। ভারতে অবস্থিত ইরানের দূতাবাস সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই সহায়তার ছবি ও ভিডিও প্রকাশ করে কাশ্মীরের মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে। এক বার্তায় তারা বলেছে, ‘মানবিক সহায়তা ও সংহতির জন্য আমরা কাশ্মীরের উদার মানুষদের
প্রতি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ।’ এই উদ্যোগের পেছনে রয়েছে ইরানে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলার খবরে কাশ্মীরের মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। সমাজের সব স্তরের মানুষ—নারী, পুরুষ ও শিশুরা—এই ত্রাণ কার্যক্রমে অংশ নিচ্ছে। অনেক নারী তাদের মূল্যবান গয়না দান করেছেন। এমনকি এক বিধবা তার স্বামীর স্মৃতিচিহ্ন হিসেবে ২৮ বছর ধরে সংরক্ষিত একটি সোনার অলঙ্কারও দান করেছেন। রাজনৈতিক নেতৃত্বও এ উদ্যোগে সম্পৃক্ত হয়েছে। বুদগামের স্থানীয় এমএলএ মুনতাসির মেহদি জানিয়েছেন, তিনি ইরানের জনগণের সহায়তায় নিজের এক মাসের বেতন দান করবেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, যুদ্ধবিধ্বস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোই মানবিক দায়িত্ব। এক বাসিন্দা বলেন, ‘বিশ্বের উচিত ইরানের দুর্ভোগে থাকা মানুষদের জন্য সহায়তা পাঠানো।’ ভারতীয় গণমাধ্যমের তথ্যমতে,
ভারতে অবস্থিত ইরানের দূতাবাস সামাজিক মাধ্যমে সহায়তার আহ্বান জানানোর পর থেকেই গত এক সপ্তাহ ধরে কাশ্মীরজুড়ে এই দান কার্যক্রম জোরদার হয়েছে। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সংগৃহীত অর্থ ও সম্পদ যথাযথ প্রক্রিয়ায় ইরানের ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে।
ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা করা যায়। সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা গেছে, নারীরা লাইনে দাঁড়িয়ে গয়না জমা দিচ্ছেন এবং শিশুরা তাদের ঈদের উপহার হিসেবে পাওয়া অর্থ দান করছে। একজন আইনজীবী তার পরিবারের কাছ থেকে প্রায় ৩১ লাখ রুপি সংগ্রহ করে দিয়েছেন বলেও জানা গেছে। স্থানীয় সংগঠকদের দাবি, এ পর্যন্ত দানের পরিমাণ কয়েক কোটি রুপিতে পৌঁছেছে, যার মধ্যে সোনা-রূপার মূল্যও অন্তর্ভুক্ত। এসব সম্পদ নগদে রূপান্তর করে অনুমোদিত চ্যানেলের মাধ্যমে ইরানের দূতাবাসে পাঠানো হচ্ছে। ভারতে অবস্থিত ইরানের দূতাবাস সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই সহায়তার ছবি ও ভিডিও প্রকাশ করে কাশ্মীরের মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে। এক বার্তায় তারা বলেছে, ‘মানবিক সহায়তা ও সংহতির জন্য আমরা কাশ্মীরের উদার মানুষদের
প্রতি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ।’ এই উদ্যোগের পেছনে রয়েছে ইরানে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলার খবরে কাশ্মীরের মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। সমাজের সব স্তরের মানুষ—নারী, পুরুষ ও শিশুরা—এই ত্রাণ কার্যক্রমে অংশ নিচ্ছে। অনেক নারী তাদের মূল্যবান গয়না দান করেছেন। এমনকি এক বিধবা তার স্বামীর স্মৃতিচিহ্ন হিসেবে ২৮ বছর ধরে সংরক্ষিত একটি সোনার অলঙ্কারও দান করেছেন। রাজনৈতিক নেতৃত্বও এ উদ্যোগে সম্পৃক্ত হয়েছে। বুদগামের স্থানীয় এমএলএ মুনতাসির মেহদি জানিয়েছেন, তিনি ইরানের জনগণের সহায়তায় নিজের এক মাসের বেতন দান করবেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, যুদ্ধবিধ্বস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোই মানবিক দায়িত্ব। এক বাসিন্দা বলেন, ‘বিশ্বের উচিত ইরানের দুর্ভোগে থাকা মানুষদের জন্য সহায়তা পাঠানো।’ ভারতীয় গণমাধ্যমের তথ্যমতে,
ভারতে অবস্থিত ইরানের দূতাবাস সামাজিক মাধ্যমে সহায়তার আহ্বান জানানোর পর থেকেই গত এক সপ্তাহ ধরে কাশ্মীরজুড়ে এই দান কার্যক্রম জোরদার হয়েছে। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সংগৃহীত অর্থ ও সম্পদ যথাযথ প্রক্রিয়ায় ইরানের ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে।



