ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ব্রঙ্কসে ডে কেয়ারে ফেন্টানলের মজুদ, ১ শিশুর মৃত্যু
ইরান ইস্যুতে নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ দাবির ব্যাখ্যা দিলেন ট্রাম্প
কুয়েতে ইরানের মিসাইল হামলা, নিহত ১ বাংলাদেশি অভিবাসী
মালয়েশিয়া থেকে গ্রেপ্তার বাংলাদেশি শিশু নীপিড়ক: এফবিআই
বরখাস্ত হলেন ক্রিস্টি নোয়েম, নেপথ্যে যে কারণ
বাংলাদেশের মতো অস্ট্রেলিয়াতেও উগ্রবাদী ইসলামপন্থী হিযবুত তাহরীরকে নিষিদ্ধ ঘোষণা
নেপালের ‘অভ্যুত্থানকারী’ যুবকরা ক্ষমতার কাছাকাছি, বাংলাদেশী আন্দোলনকারীরা কেন ব্যর্থ?
ফেব্রুয়ারি মাসে কমেছে চাকরির খাত, বেকারত্ব বেড়ে ৪দশমিক ৪ শতাংশ
ফেব্রুয়ারিতে কৃষি বহির্ভূত খাতে চাকরি কমেছে ৯২ হাজার। যেখানে জানুয়ারি মাসে সংশোধিত হিসাবে চাকরি বেড়েছিল ১ লাখ ২৬ হাজার।
অ্যামেরিকা জুড়ে গত ফেব্রুয়ারি মাসে অপ্রত্যাশিতভাবে চাকরির সংখ্যা কমেছে । পাশপাশি বেকারত্বের হার বেড়ে ৪দশমিক ৪ শতাংশে পৌঁছেছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, শুক্রবার লেবার ডিপার্টমেন্ট প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে ওঠে এসেছে এ তথ্য।
ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, ফেব্রুয়ারিতে কৃষি বহির্ভূত খাতে চাকরি কমেছে ৯২ হাজার। যেখানে জানুয়ারি মাসে সংশোধিত হিসাবে চাকরি বেড়েছিল ১ লাখ ২৬ হাজার।
রয়টার্সের জরিপে অর্থনীতিবিদরা ধারণা করেছিলেন, ফেব্রুয়ারিতে প্রায় ৫৯ হাজার নতুন চাকরি সৃষ্টি হতে পারে। তবে বাস্তবে চাকরি কমে যাওয়ায় শ্রমবাজার নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, শুল্কনীতি ও বৈশ্বিক
অনিশ্চয়তার কারণে অর্থনীতিতে চাপ তৈরি হয়েছে। প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প আমদানি পণ্যের ওপর ব্যাপক শুল্ক আরোপ করেছিলেন, যা পরে মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট বাতিল করে দেয়। এর পর তিনি আবারও বৈশ্বিক পণ্যের ওপর ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেন এবং তা ১৫ শতাংশে বাড়ানোর ঘোষণা দেন। অর্থনীতিবিদরা আরও বলছেন, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের কারণে তেলের দাম বাড়ছে, যা মুদ্রাস্ফীতি বাড়ার ঝুঁকি তৈরি করছে এবং শেয়ারবাজারেও অস্থিরতা দেখা দিচ্ছে। খাতভিত্তিক তথ্য অনুযায়ী, ফেব্রুয়ারিতে স্বাস্থ্যসেবা খাতে সবচেয়ে বেশি চাকরি কমেছে, যা প্রায় ২৮ হাজার। এছাড়া তথ্যপ্রযুক্তি খাতে চাকরি কমেছে ১১ হাজার, পরিবহন ও গুদামজাত খাতে ১১ হাজার এবং নির্মাণ খাতে ১১ হাজার চাকরি কমেছে। ফেডারেল সরকারে চাকরি কমেছে আরও ১০ হাজার।
২০২৪ সালের অক্টোবর থেকে এখন পর্যন্ত ফেডারেল সরকারের চাকরি কমেছে প্রায় ৩ লাখ ৩০ হাজার বা ১১ শতাংশ। বিশ্লেষকদের মতে, এই পরিস্থিতি যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভের জন্য একটি কঠিন অবস্থার সৃষ্টি করতে পারে। কারণ শ্রমবাজার দুর্বল হলে সুদের হার কমানোর চাপ বাড়তে পারে কিন্তু তেলের দাম বাড়লে মুদ্রাস্ফীতি বাড়ার ঝুঁকি তৈরি হবে।
অনিশ্চয়তার কারণে অর্থনীতিতে চাপ তৈরি হয়েছে। প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প আমদানি পণ্যের ওপর ব্যাপক শুল্ক আরোপ করেছিলেন, যা পরে মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট বাতিল করে দেয়। এর পর তিনি আবারও বৈশ্বিক পণ্যের ওপর ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেন এবং তা ১৫ শতাংশে বাড়ানোর ঘোষণা দেন। অর্থনীতিবিদরা আরও বলছেন, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের কারণে তেলের দাম বাড়ছে, যা মুদ্রাস্ফীতি বাড়ার ঝুঁকি তৈরি করছে এবং শেয়ারবাজারেও অস্থিরতা দেখা দিচ্ছে। খাতভিত্তিক তথ্য অনুযায়ী, ফেব্রুয়ারিতে স্বাস্থ্যসেবা খাতে সবচেয়ে বেশি চাকরি কমেছে, যা প্রায় ২৮ হাজার। এছাড়া তথ্যপ্রযুক্তি খাতে চাকরি কমেছে ১১ হাজার, পরিবহন ও গুদামজাত খাতে ১১ হাজার এবং নির্মাণ খাতে ১১ হাজার চাকরি কমেছে। ফেডারেল সরকারে চাকরি কমেছে আরও ১০ হাজার।
২০২৪ সালের অক্টোবর থেকে এখন পর্যন্ত ফেডারেল সরকারের চাকরি কমেছে প্রায় ৩ লাখ ৩০ হাজার বা ১১ শতাংশ। বিশ্লেষকদের মতে, এই পরিস্থিতি যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভের জন্য একটি কঠিন অবস্থার সৃষ্টি করতে পারে। কারণ শ্রমবাজার দুর্বল হলে সুদের হার কমানোর চাপ বাড়তে পারে কিন্তু তেলের দাম বাড়লে মুদ্রাস্ফীতি বাড়ার ঝুঁকি তৈরি হবে।



