সমন্বয়ক জিনিয়ার ‘অন্ধকার জগৎ’: তরুণীদের নেশা করিয়ে পাঠানো হতো পুলিশ কর্মকর্তার কাছে! – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ৬ মার্চ, ২০২৬

সমন্বয়ক জিনিয়ার ‘অন্ধকার জগৎ’: তরুণীদের নেশা করিয়ে পাঠানো হতো পুলিশ কর্মকর্তার কাছে!

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৬ মার্চ, ২০২৬ |
কক্সবাজারে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিও বক্তব্য ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ভিডিওতে নিজেকে ভুক্তভোগী দাবি করে লায়লা নামের এক তরুণী অভিযোগ করেছেন, সমন্বয়ক পরিচয়ে পরিচিত জিনিয়া নামের এক নেত্রী তাঁকে প্রতারণার মাধ্যমে কক্সবাজারের বিভিন্ন হোটেলে নিয়ে যেতেন এবং সেখানে তাঁকে অনৈতিক কাজে বাধ্য করা হতো। সম্প্রতি ভাইরাল হওয়া ওই ভিডিওতে তরুণী দাবি করেন, জিনিয়া তাঁকে কৌশলে কক্সবাজার টুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি আপেল মাহমুদের কাছে পাঠাতেন। তরুণীর অভিযোগ, এর আগে তাঁকে জোরপূর্বক নেশাজাতীয় কিছু খাইয়ে অস্বাভাবিক অবস্থায় রাখা হতো। তাঁর দাবি, এই চক্রের সঙ্গে তাঁর নিজের স্বামীও জড়িত ছিলেন। তরুণীর ভাষ্যমতে, রাতে তাঁকে এমন অবস্থায় রাখা হতো যে সকালে ঘুম

থেকে ওঠার পর তিনি বুঝতে পারতেন তাঁর অজান্তেই অনেক কিছু ঘটে গেছে এবং তিনি প্রতারণার শিকার হয়েছেন। ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর কক্সবাজারের সাংবাদিক মহল, রাজনৈতিক অঙ্গন ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করেছেন। মাদক কারবারির সঙ্গে কেনাকাটার আরেকটি ভিডিও ঘিরে বিতর্ক এদিকে, বিতর্কিত এনসিপি নেত্রী জিনিয়াকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আরও একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে, যা নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। ওই ভিডিওতে দেখা যায়, টেকনাফের তালিকাভুক্ত আলোচিত মাদক কারবারি শাহ আজমের সঙ্গে তিনি চট্টগ্রামের একটি শপিং মলে কেনাকাটা করছেন। ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ও স্থানীয়দের দাবি অনুযায়ী, ওই মাদক কারবারির ব্যাংক কার্ড ব্যবহার

করেই কেনাকাটা করেন জিনিয়া। শপিং শেষে তাঁদের দুজনকে একটি বিলাসবহুল গাড়িতে করে চলে যেতে দেখা যায়। জানা গেছে, টেকনাফের এই আলোচিত মাদক কারবারি শাহ আজম কিছু দিন আগে ঘোষণা দিয়ে জামায়াতে যোগ দিয়েছেন। গুরুতর এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত জিনিয়া, পুলিশ কর্মকর্তা আপেল মাহমুদ বা সংশ্লিষ্ট অন্যদের কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য এখনো পাওয়া যায়নি। এ ছাড়া প্রশাসনের পক্ষ থেকেও এখন পর্যন্ত এসব অভিযোগের তদন্ত বা ব্যাখ্যার বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে ২৪ ঘণ্টায় ৮ শিশুর মৃত্যু জ্বালানি নিরাপত্তা জাতীয় নিরাপত্তার অংশ, ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতিহিংসামূলক নীতি তা নষ্ট করছে: আজিজ খান রোহিঙ্গা প্রকল্পের অর্থে প্রতিমন্ত্রীর পিএস-এপিএসদের ফ্রান্স-ইতালি-তুরস্ক সফর খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ দেশ থেকে এখন বিশ্বের তীব্র খাদ্য সংকটের শীর্ষ ১০ দেশের একটি বাংলাদেশ টিটিপির নিশানায় বাংলাদেশ: সারাদেশে ‘রেড অ্যালার্ট বহুমুখী সংকটে শিল্পখাত, টিকে থাকার লড়াইয়ে ধুঁকছে সিমেন্টসহ উৎপাদন খাত হংকংকে হারিয়ে এশিয়ান গেমসে কোয়ালিফাই করল বাংলাদেশের নারীরা মুক্তিযুদ্ধের বিভীষিকার ছবি তুলে বিশ্ব বিবেক নাড়িয়ে দেওয়া আলোকচিত্রী রঘু রাই আর নেই বিশ্বকাপ মিসের পর নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে নতুন শুরুর লক্ষ্য লিটনের রোহিঙ্গা প্রকল্পের অর্থে প্রতিমন্ত্রীর পিএস-এপিএসদের ফ্রান্স-ইতালি-তুরস্ক সফর দুর্নীতির আখড়া ডিএনসিসি: বাজারদরের ৬ গুণ বেশি দামে পণ্য ক্রয়, নির্দিষ্ট ঠিকাদারকে কাজ দিতে বারবার দরপত্র বাতিল, শর্ত বদল ডিএনসিসির ইজারা প্রক্রিয়ায় অনিয়ম: বাজেয়াপ্ত পে-অর্ডারের সাড়ে ৭ কোটি টাকা উত্তোলন, জানে না কর্তৃপক্ষ বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক বইমেলা ২০২৬ সফল করতে নিউইয়র্কে মতবিনিময় সভা — সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও প্রগতির দৃঢ় অঙ্গীকার শিক্ষক লাঞ্ছনার কালো অধ্যায় ও একটি রাষ্ট্রীয় অপরাধের দলিল তেলের লাইনে মৃত্যু—এটা কি শুধু একটি দুর্ঘটনা, নাকি রাষ্ট্রীয় ব্যর্থতার নির্মম প্রতিচ্ছবি? বিদ্যুৎ নেই, বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ – বিএনপি সরকার ঘুমে ছয় শিক্ষকের মৃত্যু, একটি ঘটনারও বিচার হয়নি মহান মুক্তিযুদ্ধের চিত্র ধারণ করা আলোকচিত্রী রঘু রাইয়ের মৃত্যুতে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের শোক ফারুকীর নাশতায় প্রতিদিন খরচ ১ লাখ ১৮ হাজার টাকা” গণঅভ্যুত্থান নয়, ৫ আগস্ট ছিল সুপরিকল্পিত ‘রেজিম চেঞ্জ’: পুরো সাক্ষাৎকারে চাঞ্চল্যকর তথ্য