ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ফ্যাসিস্ট ইউনূসের ডিজাইনে জাল ভোটের নির্বাচনঃ দৈবচয়নে টিআইবির ৭০ টি আসন পর্যবেক্ষণ, ধৃত জাল ভোটের পরিসংখ্যান ২১.৪%
ইউনূসের আয়োজিত প্রহসনের নির্বাচন, যেখানে অবাধে চলেছে জাল ভোটের মহোৎসব
পবিত্র রমজান মাসে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সকল স্তরের নেতাকর্মীদের প্রতি অসহায়, দুস্থ, প্রান্তিক, নিম্ন আয়ের মানুষদের জন্য ইফতার, সেহরি, খাদ্য উপকরণ সহায়তাসহ অন্যান্য মানবিক কর্মসূচি গ্রহণের আহ্বান
দরিদ্র বাড়িয়ে বিদায় দারিদ্র্যের জাদুকরের
কুড়িগ্রাম-১ এ ভোটার নেই, তবু ভোট ১০০% পূর্ণ
শপথ নিয়ে নতুন মেটিকুলাস ডিজাইন, সাংবিধানিক সঙ্কটের আশঙ্কা
সমঝোতা না হওয়ায় ভোট ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের তথ্য ফাঁস করলেন নাহিদ
‘মবের জনক’ উপাধি নিয়ে বিদায় ড. ইউনূসের: পেছনে রেখে গেলেন লাশের মিছিল ও বিচারহীনতার সংস্কৃতি
নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ হিসেবে বিশ্বজুড়ে সমাদৃত হলেও, নিজ দেশে চরম প্রশাসনিক ব্যর্থতা আর বিচারহীনতার এক কালো অধ্যায় রচনা করে বিদায় নিচ্ছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ৫ আগস্ট-পরবর্তী বাংলাদেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করার কথা থাকলেও, তার দেড় বছরের শাসনামল ইতিহাসে চিহ্নিত হয়ে রইল ‘মব জাস্টিস’ বা গণপিটুনির ভয়াবহ যুগ হিসেবে। সমালোচকরা তাকে আখ্যায়িত করছেন বাংলাদেশের ‘মবের জনক’ হিসেবে।
দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই ড. ইউনূসের প্রশাসন বিচার ব্যবস্থাকে কার্যত অকার্যকর করে রাখে বলে অভিযোগ রয়েছে। তার শাসনামলে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ‘বিচার চাই না, বিচার আমি করব’—এই মানসিকতা ভাইরাসের মতো ছড়িয়ে পড়ে। বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থার রিপোর্ট অনুযায়ী, গত দেড় বছরে (আগস্ট ২০২৪
- ফেব্রুয়ারি ২০২৬) দেশে মব ভায়োলেন্স বা গণপিটুনিতে নিহত হয়েছেন ৭ শতাধিক মানুষ। এর মধ্যে রয়েছে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ, পুলিশ সদস্য, শিক্ষক, এমনকি মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তিও। কানাডা-ভিত্তিক সংস্থা ‘গ্লোবাল সেন্টার ফর ডেমোক্রেটিক গভর্নেন্স’-এর তথ্যমতে, ড. ইউনূসের সময়ে মব লিঞ্চিংয়ের ঘটনা অতীতের সকল রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে। বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস থেকে শুরু করে প্রত্যন্ত গ্রাম—কোথাও মানুষ নিরাপদ ছিল না। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পিটিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটলেও, সরকার প্রধান হিসেবে ড. ইউনূস কার্যকর কোনো কঠোর পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হয়েছেন। বরং তার ‘নমনীয়’ এবং ‘প্যাসিভ’ অবস্থান দুর্বৃত্তদের আরও উৎসাহিত করেছে বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক রাজনৈতিক বিশ্লেষক বলেন, “ড. ইউনূস
হয়তো অর্থনীতি বোঝেন, কিন্তু রাষ্ট্র পরিচালনায় তিনি চরম অদক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন। তার সময়ে পুলিশ ছিল নখদন্তহীন, আর রাজপথ ছিল মবের দখলে। তিনি জাতিকে এক অরাজকতার গর্তে ঠেলে দিয়ে এখন বিদায় নিচ্ছেন।” সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ এই সরকার প্রধানের বিদায়বেলায় জনমনে স্বস্তির চেয়ে আতঙ্কই বেশি কাজ করছে। কারণ, তিনি যে ‘মব কালচার’ বা বিচারহীনতার সংস্কৃতি তৈরি করে গেলেন, তা থেকে বেরিয়ে আসতে দেশকে হয়তো আরও বহু বছর মাসুল দিতে হবে। গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের স্লোগান দিয়ে ক্ষমতায় এলেও, ড. ইউনূসের বিদায়লগ্নে তার ললাটে জুটল ‘মবের জনক’-এর কলঙ্কজনক উপাধি।
- ফেব্রুয়ারি ২০২৬) দেশে মব ভায়োলেন্স বা গণপিটুনিতে নিহত হয়েছেন ৭ শতাধিক মানুষ। এর মধ্যে রয়েছে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ, পুলিশ সদস্য, শিক্ষক, এমনকি মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তিও। কানাডা-ভিত্তিক সংস্থা ‘গ্লোবাল সেন্টার ফর ডেমোক্রেটিক গভর্নেন্স’-এর তথ্যমতে, ড. ইউনূসের সময়ে মব লিঞ্চিংয়ের ঘটনা অতীতের সকল রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে। বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস থেকে শুরু করে প্রত্যন্ত গ্রাম—কোথাও মানুষ নিরাপদ ছিল না। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পিটিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটলেও, সরকার প্রধান হিসেবে ড. ইউনূস কার্যকর কোনো কঠোর পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হয়েছেন। বরং তার ‘নমনীয়’ এবং ‘প্যাসিভ’ অবস্থান দুর্বৃত্তদের আরও উৎসাহিত করেছে বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক রাজনৈতিক বিশ্লেষক বলেন, “ড. ইউনূস
হয়তো অর্থনীতি বোঝেন, কিন্তু রাষ্ট্র পরিচালনায় তিনি চরম অদক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন। তার সময়ে পুলিশ ছিল নখদন্তহীন, আর রাজপথ ছিল মবের দখলে। তিনি জাতিকে এক অরাজকতার গর্তে ঠেলে দিয়ে এখন বিদায় নিচ্ছেন।” সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ এই সরকার প্রধানের বিদায়বেলায় জনমনে স্বস্তির চেয়ে আতঙ্কই বেশি কাজ করছে। কারণ, তিনি যে ‘মব কালচার’ বা বিচারহীনতার সংস্কৃতি তৈরি করে গেলেন, তা থেকে বেরিয়ে আসতে দেশকে হয়তো আরও বহু বছর মাসুল দিতে হবে। গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের স্লোগান দিয়ে ক্ষমতায় এলেও, ড. ইউনূসের বিদায়লগ্নে তার ললাটে জুটল ‘মবের জনক’-এর কলঙ্কজনক উপাধি।



