অপরাধীদের বিচার ও বাকিদের সুযোগ—আওয়ামী লীগ নিয়ে ‘রিকনসিলিয়েশন’-এর প্রস্তাব বিএনপি নেতার – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

অপরাধীদের বিচার ও বাকিদের সুযোগ—আওয়ামী লীগ নিয়ে ‘রিকনসিলিয়েশন’-এর প্রস্তাব বিএনপি নেতার

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ |
ক্ষমতার পালাবদলে আওয়ামী লীগের পতন হলেও দলটিকে দেশের অন্যতম বড় শক্তি হিসেবে উল্লেখ করে তাদের ভবিষ্যৎ রাজনীতি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন বিএনপি নেতা মো. রাশেদ খান। তিনি বলেছেন, আওয়ামী লীগের মধ্যে যারা অপরাধী তাদের বিচার হওয়া উচিত, কিন্তু যারা কোনো অপরাধের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না, তাদের ‘রিকনসিলিয়েশন’ বা সমঝোতার মাধ্যমে রাজনীতিতে ফেরার সুযোগ দেওয়া প্রয়োজন। সম্প্রতি একুশে টেলিভিশনের টকশো ‘একুশের রাত’-এ অতিথি হিসেবে যোগ দিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। রাশেদ খান আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, আওয়ামী লীগের মতো একটি বড় দলকে যদি রাজনৈতিকভাবে কোণঠাসা করে রাখা হয় এবং তাদের স্বাভাবিক কার্যক্রম চালাতে না দেওয়া হয়, তবে তারা ‘আন্ডারগ্রাউন্ড’ বা গোপন তৎপরতায় লিপ্ত

হতে পারে। তিনি বলেন, “সারা জীবন তো আপনি এভাবে রাখতে পারবেন না। অন্যথায় এই পুরো শক্তি যদি আন্ডারগ্রাউন্ডে চলে যায়, সেক্ষেত্রে দেশের জন্য ক্ষতি হবে। আওয়ামী লীগ একটি আন্ডারগ্রাউন্ড পার্টি হয়ে যাক, সেটি কেউ চায় না।” অনুষ্ঠানে তিনি ‘ট্রুথ অ্যান্ড রিকনসিলিয়েশন কমিশন’ গঠনের ওপর জোর দেন। রাশেদ খান স্পষ্ট করেন যে, তিনি ঢালাওভাবে সবার পুনর্বাসনের কথা বলছেন না। তার ভাষ্যমতে, “যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আছে, যারা অন্যায় করেছে তাদের বিচার করেন। আর যারা অপরাধ করে নাই, তাদের রিকনসিলিয়েশনের মাধ্যমে রাজনীতি করার সুযোগ দেন।” সাম্প্রতিক নির্বাচনের প্রেক্ষাপট টেনে বিএনপি এই নেতা বলেন, আওয়ামী লীগ যদি নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ পেত, তবে তারা জামায়াতে ইসলামীর

চেয়ে বেশি আসন পেত। তিনি আরও উল্লেখ করেন, নির্বাচনের আগে আওয়ামী লীগের ব্যাপারে মানুষের যে নেতিবাচক ধারণা ছিল, নির্বাচনের পরে তা কিছুটা পরিবর্তিত হয়েছে। কারণ হিসেবে তিনি বলেন, ধারণা করা হয়েছিল আওয়ামী লীগ নির্বাচন বানচালের জন্য জ্বালাও-পোড়াও করবে, কিন্তু তারা সেটি করেনি বা করার সুযোগ পায়নি। দেশের রাজনৈতিক শূন্যতা ও সংকট কাটাতে এই ‘রিকনসিলিয়েশন’ প্রক্রিয়া জরুরি বলে মনে করেন মো. রাশেদ খান। তিনি বলেন, বিএনপি ও আওয়ামী লীগ দেশের দুটি বড় দল এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার স্বার্থেই প্রতিটি দলের উচিত অন্য দলের নির্দোষ নেতাকর্মীদের স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় নিয়ে আসার উদ্যোগ নেওয়া।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
ঢাবি শিক্ষার্থীকে উদ্ধারে গিয়ে তৃতীয় লিঙ্গদের হেনস্তার শিকার এ বি জুবায়ের ক্ষমতার পাঁচ মাসেই ‘হাইব্রিড’ আতঙ্ক আন্ডারওয়ার্ল্ডে ভাড়াটে খুনিদের দাপট পাঁচ হাজার বাংলাদেশির ভিসা বাতিল টানা তিন দিনে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমল ১৭ শতাংশ উৎপাদন কর্মসংস্থান ধরে রাখাই বড় চ্যালেঞ্জ দেশের ৮ অঞ্চলে ঝড়ের আভাস, নদীবন্দরে সতর্কসংকেত অস্ট্রেলিয়া সিরিজ বাংলাদেশের জন্য চ্যালেঞ্জিং যশোরে জামায়াত এমপি অধ্যাপক গোলাম রসুলের বাড়ি ঘেরাও, মহাসড়ক অবরোধ টেকনাফে চাঞ্চল্যকর একরামুল হক হত্যাকাণ্ড: ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মিফতাহ উদ্দিন আহমেদ সেনা হেফাজতে হোয়াইট হাউসে ট্রাম্প-নেতানিয়াহু আলোচনা কী নিয়ে? এনসিপির গাড়িবহরে ছাত্রদলের হামলার অভিযোগ, সারজিসসহ আহত অনেকে সভা চলাকালে ‘সিন্ডিকেট ঘেরাও’ কর্মসূচি ডাকসু নেতাদের হোয়াইট হাউসে বৈঠকের আগে নেতানিয়াহুর ওপর ট্রাম্পের ক্ষোভ প্রকাশ বাংলাদেশে ইয়াবা আসক্তি নিয়ে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে ভয়ঙ্কর তথ্য স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, গ্রেফতার ৩ বাড়ছে ডলারের দাম ধানুশের পর এবার নতুন ক্রিকেটারের সঙ্গে প্রেমের গুঞ্জন ম্রুনালের দক্ষিণ আফ্রিকায় আগুনে পুড়ে ৬ বাংলাদেশির মৃত্যু আম্মারসহ শিবির নেতাদের হামলায় আহত ২ শিক্ষার্থী কারাগারে