‘মবের জনক’ উপাধি নিয়ে বিদায় ড. ইউনূসের: পেছনে রেখে গেলেন লাশের মিছিল ও বিচারহীনতার সংস্কৃতি – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

‘মবের জনক’ উপাধি নিয়ে বিদায় ড. ইউনূসের: পেছনে রেখে গেলেন লাশের মিছিল ও বিচারহীনতার সংস্কৃতি

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ |
নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ হিসেবে বিশ্বজুড়ে সমাদৃত হলেও, নিজ দেশে চরম প্রশাসনিক ব্যর্থতা আর বিচারহীনতার এক কালো অধ্যায় রচনা করে বিদায় নিচ্ছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ৫ আগস্ট-পরবর্তী বাংলাদেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করার কথা থাকলেও, তার দেড় বছরের শাসনামল ইতিহাসে চিহ্নিত হয়ে রইল ‘মব জাস্টিস’ বা গণপিটুনির ভয়াবহ যুগ হিসেবে। সমালোচকরা তাকে আখ্যায়িত করছেন বাংলাদেশের ‘মবের জনক’ হিসেবে। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই ড. ইউনূসের প্রশাসন বিচার ব্যবস্থাকে কার্যত অকার্যকর করে রাখে বলে অভিযোগ রয়েছে। তার শাসনামলে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ‘বিচার চাই না, বিচার আমি করব’—এই মানসিকতা ভাইরাসের মতো ছড়িয়ে পড়ে। বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থার রিপোর্ট অনুযায়ী, গত দেড় বছরে (আগস্ট ২০২৪

- ফেব্রুয়ারি ২০২৬) দেশে মব ভায়োলেন্স বা গণপিটুনিতে নিহত হয়েছেন ৭ শতাধিক মানুষ। এর মধ্যে রয়েছে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ, পুলিশ সদস্য, শিক্ষক, এমনকি মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তিও। কানাডা-ভিত্তিক সংস্থা ‘গ্লোবাল সেন্টার ফর ডেমোক্রেটিক গভর্নেন্স’-এর তথ্যমতে, ড. ইউনূসের সময়ে মব লিঞ্চিংয়ের ঘটনা অতীতের সকল রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে। বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস থেকে শুরু করে প্রত্যন্ত গ্রাম—কোথাও মানুষ নিরাপদ ছিল না। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পিটিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটলেও, সরকার প্রধান হিসেবে ড. ইউনূস কার্যকর কোনো কঠোর পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হয়েছেন। বরং তার ‘নমনীয়’ এবং ‘প্যাসিভ’ অবস্থান দুর্বৃত্তদের আরও উৎসাহিত করেছে বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক রাজনৈতিক বিশ্লেষক বলেন, “ড. ইউনূস

হয়তো অর্থনীতি বোঝেন, কিন্তু রাষ্ট্র পরিচালনায় তিনি চরম অদক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন। তার সময়ে পুলিশ ছিল নখদন্তহীন, আর রাজপথ ছিল মবের দখলে। তিনি জাতিকে এক অরাজকতার গর্তে ঠেলে দিয়ে এখন বিদায় নিচ্ছেন।” সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ এই সরকার প্রধানের বিদায়বেলায় জনমনে স্বস্তির চেয়ে আতঙ্কই বেশি কাজ করছে। কারণ, তিনি যে ‘মব কালচার’ বা বিচারহীনতার সংস্কৃতি তৈরি করে গেলেন, তা থেকে বেরিয়ে আসতে দেশকে হয়তো আরও বহু বছর মাসুল দিতে হবে। গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের স্লোগান দিয়ে ক্ষমতায় এলেও, ড. ইউনূসের বিদায়লগ্নে তার ললাটে জুটল ‘মবের জনক’-এর কলঙ্কজনক উপাধি।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
এনসিটিবিতে দুর্নীতির পাহাড়: এক বছরে ২৭১১ কোটি টাকার মহালুটপাট আইএফএবের স্বীকারোক্তি: আর্জেন্টিনার বিপক্ষে এমবোলার লাল কার্ডটি ভুল ছিল অধিনায়কত্ব হারাচ্ছেন মিরাজ, ওয়ানডের নেতৃত্বও পাচ্ছেন লিটন ফ্রান্সের কোচ হয়ে জিদান বললেন, ‘এটাই আমি চাইছিলাম’ জুলাই সহিংসতার চট্টগ্রাম ট্র্যাজেডি: ভুয়া আসামি, সাজানো এজাহার, বিদেশে থেকেও আসামি রামুর বনাঞ্চলে তাণ্ডব: জবরদখল উচ্ছেদ করতে গিয়ে বিএনপি নেতাকর্মীদের হামলায় রক্তাক্ত ৫ বনকর্মী টেকনাফে চায়ের দোকান থেকে সাবেক ইউপি সদস্যকে অপহরণ: কুপিয়ে জখম করে ফেলে গেল সন্ত্রাসীরা ছাত্রলীগ-কে মবযোগ্য/হত্যাযোগ্য করে তোলা জুলাইয়ের ‘কালচারাল বয়ান’ এবং অতঃপর…… মোহাম্মদপুরে টানা তিন সপ্তাহ ধরে তীব্র গ্যাস সংকট: জাপান গার্ডেন সিটিসহ আশপাশের এলাকায় জীবন নির্বাহে চরম ভোগান্তি আসামে ভয়াবহ বন্যা: ৬৮ জনের মৃত্যু, ৭ লাখের বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত; কোন সতর্কতা-আগাম প্রস্তুতি নেই বাংলাদেশে ঢাবি শিক্ষার্থীকে উদ্ধারে গিয়ে তৃতীয় লিঙ্গদের হেনস্তার শিকার এ বি জুবায়ের ক্ষমতার পাঁচ মাসেই ‘হাইব্রিড’ আতঙ্ক আন্ডারওয়ার্ল্ডে ভাড়াটে খুনিদের দাপট পাঁচ হাজার বাংলাদেশির ভিসা বাতিল টানা তিন দিনে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমল ১৭ শতাংশ উৎপাদন কর্মসংস্থান ধরে রাখাই বড় চ্যালেঞ্জ দেশের ৮ অঞ্চলে ঝড়ের আভাস, নদীবন্দরে সতর্কসংকেত অস্ট্রেলিয়া সিরিজ বাংলাদেশের জন্য চ্যালেঞ্জিং যশোরে জামায়াত এমপি অধ্যাপক গোলাম রসুলের বাড়ি ঘেরাও, মহাসড়ক অবরোধ টেকনাফে চাঞ্চল্যকর একরামুল হক হত্যাকাণ্ড: ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মিফতাহ উদ্দিন আহমেদ সেনা হেফাজতে