ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
হকারকে টাকা দেওয়ার প্রসঙ্গে যা বললেন শাহরিয়ার কবির
নির্বাচনকে ‘সাজানো নাটক’ আখ্যা দিয়ে ভোট বর্জনের ডাক দিলেন সজীব ওয়াজেদ জয়
বুয়েট ছাত্রলীগের নতুন কমিটি ঘোষণা, সভাপতি তানভীর ও সম্পাদক আশিকুল
বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষ, নওগাঁ রণক্ষেত্র
জামায়াতের আমীরের ইতিহাস বিকৃতি, বিপজ্জনক রাজনীতির পুরোনো কৌশল
জামায়েতের দুই নীতি নারী এবং মুক্তিযুদ্ধ ভীতি
জামায়াতের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত ভোটার স্থানান্তরের অভিযোগ: আসনভিত্তিক তথ্য চায় বিএনপি
ভোট ব্যাংক দখলে জামায়াতের ভয়ংকর নীলনকশা: ৯ আসনে সাড়ে ৪ লাখ ‘বহিরাগত’ ভোটার অন্তর্ভুক্তির অভিযোগ
আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশের নির্দিষ্ট কিছু আসনে ভোটের ফলাফল নিজেদের অনুকূলে নিতে এক গভীর ও সুদূরপ্রসারী ষড়যন্ত্রের অভিযোগ উঠেছে জামায়াত ইসলামের বিরুদ্ধে। দেশের গুরুত্বপূর্ণ ৯টি সংসদীয় আসনে স্থানীয় ভোটারদের পাশ কাটিয়ে অস্বাভাবিক হারে ‘বহিরাগত’ ভোটার অন্তর্ভুক্ত করার চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া গেছে। অভিযোগ রয়েছে, এই আসনগুলোতে প্রায় সাড়ে ৪ লাখ নতুন ভোটার যুক্ত করা হয়েছে, যাদের আদতে ওই এলাকায় স্থায়ী বসতি নেই।
নির্বাচন সংশ্লিষ্ট বিশ্লেষকরা বলছেন, এটি সাধারণ কোনো ভোটার বৃদ্ধি নয়, বরং এটি একটি পরিকল্পিত ‘ভোট হিজরত’ বা মাইগ্রেশন প্রক্রিয়া। যার মূল নেপথ্যে রয়েছে জামায়াত ইসলাম।
অনুসন্ধানে ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা, নোয়াখালী, লক্ষীপুর, পটুয়াখালী ও মুন্সিগঞ্জের মোট ৯টি আসনকে
বিশেষ টার্গেট করে এই পরিকল্পনা সাজানো হয়েছে। আসনগুলো হলো—ঢাকা-১৫, ঢাকা-১১, লক্ষীপুর-২, লক্ষীপুর-৩, নোয়াখালী-৪, নোয়াখালী-৫, পটুয়াখালী-১, পটুয়াখালী-২ এবং মুন্সিগঞ্জ-২। পরিসংখ্যান বলছে, এই ৯টি আসনে মোট প্রায় সাড়ে ৪ লাখ নতুন ভোটার এমনভাবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে, যারা মূলত বাইরের জেলার বাসিন্দা। স্থানীয় ঠিকানায় তাদের কোনো বাড়ি নেই, অথচ কৌশলে তাদের এই এলাকার ভোটার তালিকায় নাম তোলা হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, জামায়াতের ক্যাডার এবং দলীয় অনুগতদের দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এনে এই নির্দিষ্ট আসনগুলোতে ভোটার হিসেবে নিবন্ধন করানো হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, নির্বাচনের দিন এই ‘আমদানিকৃত’ ভোটাররাই ফলাফলের ভাগ্য নির্ধারণ করবে, যা প্রকৃত স্থানীয় জনমতের প্রতিফলন নয়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক নোয়াখালী ও লক্ষীপুরের একাধিক স্থানীয় বাসিন্দা ক্ষোভ প্রকাশ
করে বলেন, “হঠাৎ করে এলাকায় অপরিচিত মুখের আনাগোনা বেড়েছে। এরা কেউ এখানকার বাসিন্দা নয়, অথচ ভোটার তালিকায় এদের নাম উঠেছে। জামায়াত তাদের দলীয় ভোট ব্যাংক ভারী করতে স্থানীয়দের ভোটাধিকারকে মূল্যহীন করে দিচ্ছে।” কেন এই ৯ আসন? রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এই আসনগুলো কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জামায়াত ইসলাম তাদের সাংগঠনিক শক্তি প্রদর্শনের জন্য এবং যেকোনো মূল্যে সংসদে আসন নিশ্চিত করতে এই অনৈতিক পথের আশ্রয় নিচ্ছে। বিশেষ করে ঢাকা-১৫ এবং ঢাকা-১১ এর মতো রাজধানীতে নিজেদের আধিপত্য বজায় রাখা এবং নোয়াখালী-লক্ষীপুর বেল্টে একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতেই এই বিপুল সংখ্যক বহিরাগত ভোটার তৈরি করা হয়েছে। ভোটার তালিকার এই অস্বাভাবিক স্ফীতি জনমনে গভীর উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। সচেতন নাগরিক সমাজ
মনে করছে, এখনই যদি এই ভুয়া ও বহিরাগত ভোটারদের চিহ্নিত করে তালিকা থেকে বাদ না দেওয়া হয়, তবে আগামী নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হবে। ইতিমধ্যেই বিভিন্ন মহল থেকে নির্বাচন কমিশনের কাছে দাবি উঠেছে, যেন দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই ৯ আসনের ভোটার তালিকা যাচাই-বাছাই করা হয় এবং বহিরাগত ভোটারদের মাধ্যমে নির্বাচনের ফলাফল ছিনতাইয়ের এই ‘নীলনকশা’ নস্যাৎ করা হয়। জামায়াতের এই কথিত অপতৎপরতা রুখতে না পারলে স্থানীয় গণতন্ত্র চরম হুমকির মুখে পড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
বিশেষ টার্গেট করে এই পরিকল্পনা সাজানো হয়েছে। আসনগুলো হলো—ঢাকা-১৫, ঢাকা-১১, লক্ষীপুর-২, লক্ষীপুর-৩, নোয়াখালী-৪, নোয়াখালী-৫, পটুয়াখালী-১, পটুয়াখালী-২ এবং মুন্সিগঞ্জ-২। পরিসংখ্যান বলছে, এই ৯টি আসনে মোট প্রায় সাড়ে ৪ লাখ নতুন ভোটার এমনভাবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে, যারা মূলত বাইরের জেলার বাসিন্দা। স্থানীয় ঠিকানায় তাদের কোনো বাড়ি নেই, অথচ কৌশলে তাদের এই এলাকার ভোটার তালিকায় নাম তোলা হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, জামায়াতের ক্যাডার এবং দলীয় অনুগতদের দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এনে এই নির্দিষ্ট আসনগুলোতে ভোটার হিসেবে নিবন্ধন করানো হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, নির্বাচনের দিন এই ‘আমদানিকৃত’ ভোটাররাই ফলাফলের ভাগ্য নির্ধারণ করবে, যা প্রকৃত স্থানীয় জনমতের প্রতিফলন নয়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক নোয়াখালী ও লক্ষীপুরের একাধিক স্থানীয় বাসিন্দা ক্ষোভ প্রকাশ
করে বলেন, “হঠাৎ করে এলাকায় অপরিচিত মুখের আনাগোনা বেড়েছে। এরা কেউ এখানকার বাসিন্দা নয়, অথচ ভোটার তালিকায় এদের নাম উঠেছে। জামায়াত তাদের দলীয় ভোট ব্যাংক ভারী করতে স্থানীয়দের ভোটাধিকারকে মূল্যহীন করে দিচ্ছে।” কেন এই ৯ আসন? রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এই আসনগুলো কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জামায়াত ইসলাম তাদের সাংগঠনিক শক্তি প্রদর্শনের জন্য এবং যেকোনো মূল্যে সংসদে আসন নিশ্চিত করতে এই অনৈতিক পথের আশ্রয় নিচ্ছে। বিশেষ করে ঢাকা-১৫ এবং ঢাকা-১১ এর মতো রাজধানীতে নিজেদের আধিপত্য বজায় রাখা এবং নোয়াখালী-লক্ষীপুর বেল্টে একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতেই এই বিপুল সংখ্যক বহিরাগত ভোটার তৈরি করা হয়েছে। ভোটার তালিকার এই অস্বাভাবিক স্ফীতি জনমনে গভীর উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। সচেতন নাগরিক সমাজ
মনে করছে, এখনই যদি এই ভুয়া ও বহিরাগত ভোটারদের চিহ্নিত করে তালিকা থেকে বাদ না দেওয়া হয়, তবে আগামী নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হবে। ইতিমধ্যেই বিভিন্ন মহল থেকে নির্বাচন কমিশনের কাছে দাবি উঠেছে, যেন দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই ৯ আসনের ভোটার তালিকা যাচাই-বাছাই করা হয় এবং বহিরাগত ভোটারদের মাধ্যমে নির্বাচনের ফলাফল ছিনতাইয়ের এই ‘নীলনকশা’ নস্যাৎ করা হয়। জামায়াতের এই কথিত অপতৎপরতা রুখতে না পারলে স্থানীয় গণতন্ত্র চরম হুমকির মুখে পড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।



