ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
হাসিনার আহবানে সাড়া দিয়ে দেশবাসীকে নির্বাচন বয়কটের ডাক ১৬৭৫ জন বিশিষ্টজনের, সঙ্গে ১২ দাবি
কাকে ভোট দিতে যাবেন?
জাতির সঙ্গে বেঈমানি ও প্রতারণাপূর্ণ নির্বাচন বর্জনের জন্য দলীয় নেতাকর্মী, সমর্থক সর্বোপরি দেশবাসীর প্রতি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের আহ্বান
সকল রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণ ব্যতীত জাতীয় নির্বাচন জাতির কাছে কোনক্রমেই গ্রহণযোগ্য হবে না।
কথা বলতে চাওয়া সাবেক এমপি তুহিনের মুখ ‘চেপে’ ধরলো পুলিশ
সিএমপির ওসির বিরুদ্ধে মাদক সরবরাহ ও বিপুল সম্পদ অর্জনের অভিযোগ
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন বর্জনের ডাক আওয়ামী লীগের
না ভোটের ডাক দিয়ে আসিফ মাহতাবের সতর্কবার্তা ‘জুলাই সনদের আড়ালে এলজিবিটি ও পশ্চিমা এজেন্ডা?
রাষ্ট্র সংস্কারের উদ্দেশ্যে প্রস্তাবিত ‘জুলাই সনদ’-এর বিভিন্ন ধারায় লুকায়িত এজেন্ডা এবং পশ্চিমা সংস্কৃতির অনুপ্রবেশের আশঙ্কা প্রকাশ করে এর বিপক্ষে ‘না’ ভোটের ঘোষণা দিয়েছেন আলোচিত শিক্ষক ও বক্তা আসিফ মাহতাব উৎসহ। তার দাবি, সনদের ৮৪ নম্বর ধারা এবং মূলনীতিতে ব্যবহৃত শব্দচয়ন বাংলাদেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের ধর্মীয় মূল্যবোধ ও সংস্কৃতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক ভিডিওবার্তায় তিনি সনদের অস্পষ্টতা এবং এর সুদূরপ্রসারী নেতিবাচক প্রভাব নিয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা তুলে ধরেন।
‘ওপেন গভর্নমেন্ট পার্টনারশিপ’ ও এলজিবিটি শঙ্কা
আসিফ মাহতাব তার বক্তব্যে জুলাই সনদের ৮৪ নম্বর ধারার প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করেন, যেখানে বলা হয়েছে বাংলাদেশ ‘ওপেন গভর্নমেন্ট পার্টনারশিপ’ (OGP)-এ যোগদান করবে। তিনি স্ক্রিনে নথিপত্র প্রদর্শন করে দাবি
করেন, এই সংস্থার অন্যতম এজেন্ডা হলো বিশ্বব্যাপী এলজিবিটি (LGBT) বা সমকামীদের অধিকার প্রতিষ্ঠা করা। তিনি প্রশ্ন তোলেন, "জুলাইয়ে আমরা যারা আন্দোলন করেছি, তারা কি সমকামিতা বা ওপেন গভর্নমেন্ট পার্টনারশিপের জন্য রক্ত দিয়েছি?" তার যুক্তি, সনদে স্বাক্ষর করার মাধ্যমে ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক দোহাই দিয়ে এদেশে সমকামিতা ও পশ্চিমা সংস্কৃতি চাপিয়ে দেওয়া হবে, যা দেশের সামাজিক কাঠামোর পরিপন্থী। ‘সোশ্যাল জাস্টিস’ ও ‘ইনক্লুসিভ’ শব্দের আড়ালে কী? আসিফ মাহতাব অভিযোগ করেন, সনদের মূলনীতিতে থাকা ‘সোশ্যাল জাস্টিস’ (সামাজিক সুবিচার), ‘হিউম্যান ডিগনিটি’ (মানবিক মর্যাদা) এবং শিক্ষা আইনে ব্যবহৃত ‘ইনক্লুসিভ’ (অন্তর্ভুক্তিমূলক) শব্দগুলো শুনতে শ্রুতিমধুর হলেও আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে এগুলোর অর্থ ভিন্ন। চ্যাটজিপিটি এবং বিভিন্ন তথ্যের বরাত দিয়ে তিনি দেখান যে, পশ্চিমা বিশ্বে ‘সোশ্যাল
জাস্টিস’ একটি আমব্রেলা টার্ম, যার আওতায় এলজিবিটি রাইটস, জেন্ডার ইকুয়ালিটি এবং র্যাডিক্যাল জাস্টিসের মতো বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত। তিনি শায়খ আহমাদুল্লাহর একটি বক্তব্যের উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন, ‘ইনক্লুসিভ’ বা অন্তর্ভুক্তিমূলক শব্দের আড়ালে মূলত ট্রান্সজেন্ডার মতবাদ ও সমকামিতাকে বৈধতা দেওয়ার চেষ্টা চলছে, যা সাধারণ মানুষ বা অনেক ইসলামী দলও বুঝতে পারছে না। সংবিধান ও আইনের ফাঁদ তার মতে, জুলাই সনদ পাস হলে এর বিষয়বস্তুগুলো সংবিধানের অংশ হয়ে যাবে। যেহেতু সংবিধান রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন (Supreme Law), তাই পরবর্তীতে দেশের প্রচলিত আইন বা ধর্মীয় অনুশাসন দিয়ে এসব এজেন্ডা প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে না। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন, সুন্দর সুন্দর শব্দের মোড়কে এমন সব ধারা অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে, যা
ভবিষ্যতে ইসলাম ও দেশীয় সংস্কৃতি পালনের পথে বাধা হয়ে দাঁড়াবে। ইসলামী দলগুলোর প্রতি বার্তা ভিডিওতে আসিফ মাহতাব ইসলামী দলগুলোর ভূমিকার সমালোচনা করে বলেন, তারা মূলনীতিতে ‘ইসলাম’ শব্দটি রাখতে ব্যর্থ হয়েছে বা চায়নি। তিনি সতর্ক করে বলেন, অতীতে যেমন ‘সেক্যুলারিজম’ বা ধর্মনিরপেক্ষতার নামে দীর্ঘ সময় ধর্মীয় মূল্যবোধের ওপর আঘাত করা হয়েছে, ঠিক তেমনি জুলাই সনদের এই শব্দগুলো ব্যবহার করে ভবিষ্যতে ইসলামপন্থীদের কোণঠাসা করা হতে পারে। পরিশেষে, তিনি দেশবাসীকে জুলাই সনদ না পড়ে অন্ধভাবে সমর্থন না করার আহ্বান জানান এবং নিজে ‘না’ ভোট দেওয়ার সিদ্ধান্ত পুনর্ব্যক্ত করেন। তার মতে, স্বৈরাচার ঠেকানোর জন্য জুলাই সনদ অপরিহার্য নয়, বরং এর মাধ্যমে দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের নৈতিকতা ধ্বংসের একটি
দীর্ঘমেয়াদী নীল নকশা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। আসিফ মাহতাব উৎসহের ভিডিও বক্তব্যের ওপর ভিত্তি করে সংবাদ বা সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টের জন্য আরও কিছু কোটেশন (Quotations) বিষয়ভিত্তিক ক্যাটাগরিতে নিচে দেওয়া হলো: ১. ‘জুলাই সনদ’ ও আন্দোলনের উদ্দেশ্য প্রসঙ্গে "জুলাইয়ে আমরা যারা আন্দোলন করেছি, এর সাথে ‘ওপেন গভর্নমেন্ট পার্টনারশিপ’ জিনিসটা কী? এটার সম্পর্কটা কী? আমরা কি ওপেন গভর্নমেন্ট পার্টনারশিপের সাথে যোগ দেওয়ার জন্য আন্দোলন করেছি?" ২. আওয়ামী লীগের ফিরে আসার জুজু প্রসঙ্গে "তারা আপনাকে বোঝাবে জুলাই সনদ না হলে আওয়ামী লীগ ফিরে আসবে। কিন্তু এটার সাথে কোনো সম্পর্ক নাই। আওয়ামী লীগ যদি ফিরে আসে, তবে তারা এক সেকেন্ডের মধ্যে জুলাই সনদ অবৈধ ঘোষণা করে যা ইচ্ছা তাই করতে
পারবে। তাই জুলাই সনদের কারণে আওয়ামী লীগ আসতে পারবে না—এটা ভুল ধারণা।" ৩. ‘ইনক্লুসিভ’ শব্দের বিপদ প্রসঙ্গে "‘ইনক্লুসিভ’ শব্দটা শুনতে খুব ভালো শোনায়—সবাইকে নিয়ে চলতে চাই। কিন্তু এটার মতলব বহুত খারাপ। এর ভেতরে অত্যন্ত ভয়ঙ্কর একটা এজেন্ডা লুকায়িত আছে, যেটা অনেকেই লক্ষ্য করছেন না। আর সেটা হলো সমকামিতা ও ট্রান্সজেন্ডারইজমকে বৈধতা দেওয়া।" ৪. সেক্যুলারিজম ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট নিয়ে "৭১-এর পরে যখন ‘সেক্যুলারিজম’ বলা হলো, আপনারা মনে করলেন এটা ধর্মনিরপেক্ষতা বা ভালো কিছু। কিন্তু এই সেক্যুলারিজম দিয়েই পরবর্তী ৪০ বছর আপনাদের ওপর জুলুম করা হয়েছে। ঠিক একইভাবে এখন ‘সোশ্যাল জাস্টিস’ বা ‘হিউম্যান ডিগনিটি’র মতো সুন্দর শব্দের আড়ালে ফাঁদ পাতা হচ্ছে।" ৫. ইসলামী দলগুলোর ব্যর্থতা প্রসঙ্গে "আমরা যারা
ইসলামিক দল, তারা মূল নীতিতে 'ইসলাম' ওয়ার্ডটা আনতে পারি নাই বা চাই নাই—সেটা কিরকম কথা? মূল নীতিতে ইসলাম থাকলে বাকি সব পশ্চিমা নর্ম (Norm) বা এজেন্ডা বাতিল হয়ে যেত। কারণ, তখন ইসলামই হতো সুপ্রিম নর্ম।" ৬. সংবিধান ও আইনি জটিলতা নিয়ে "আমাদের দেশ আবার একটু অ্যাডভান্সড। তারা এগুলো (পশ্চিমা এজেন্ডা) সংবিধানে একদম ঢুকিয়ে দিচ্ছে। কারণ সংবিধানে যদি ঢুকে যায়, সংবিধান হচ্ছে ‘সুপ্রিম ল অফ দ্য ল্যান্ড’। এর নিচের কোনো আইন দিয়ে তখন আর এগুলো আটকানো যাবে না বা চ্যালেঞ্জ করা যাবে না।" ৭. ডোনাল্ড ট্রাম্প ও পশ্চিমা সংস্কৃতির উদাহরণ টেনে "ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষমতায় এসে সবার আগে এই ডাইভারসিটি, ইকুয়ালিটি, ইনক্লুসিভিটি ও এলজিবিটিকিউ এজেন্ডাগুলো বন্ধ করেছেন। কারণ তিনি জানতেন, একটা দেশকে স্টেবল বা ডেভেলপ করতে হলে এগুলো থামাতে হবে।" ৮. সোশ্যাল জাস্টিস বা সামাজিক সুবিচারের সংজ্ঞা নিয়ে "সোশ্যাল জাস্টিস কী জিনিস, এটা আপনারা কয়জন বোঝেন? চ্যাটজিপিটিকে জিজ্ঞেস করলেই দেখবেন—সোশ্যাল জাস্টিস একটি আমব্রেলা টার্ম, যার মধ্যে এলজিবিটি রাইটস ও জেন্ডার ইকুয়ালিটি অন্তর্ভুক্ত। অথচ এটাই দেশের মূল নীতির মধ্যে প্রবেশ করানো হচ্ছে।"
করেন, এই সংস্থার অন্যতম এজেন্ডা হলো বিশ্বব্যাপী এলজিবিটি (LGBT) বা সমকামীদের অধিকার প্রতিষ্ঠা করা। তিনি প্রশ্ন তোলেন, "জুলাইয়ে আমরা যারা আন্দোলন করেছি, তারা কি সমকামিতা বা ওপেন গভর্নমেন্ট পার্টনারশিপের জন্য রক্ত দিয়েছি?" তার যুক্তি, সনদে স্বাক্ষর করার মাধ্যমে ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক দোহাই দিয়ে এদেশে সমকামিতা ও পশ্চিমা সংস্কৃতি চাপিয়ে দেওয়া হবে, যা দেশের সামাজিক কাঠামোর পরিপন্থী। ‘সোশ্যাল জাস্টিস’ ও ‘ইনক্লুসিভ’ শব্দের আড়ালে কী? আসিফ মাহতাব অভিযোগ করেন, সনদের মূলনীতিতে থাকা ‘সোশ্যাল জাস্টিস’ (সামাজিক সুবিচার), ‘হিউম্যান ডিগনিটি’ (মানবিক মর্যাদা) এবং শিক্ষা আইনে ব্যবহৃত ‘ইনক্লুসিভ’ (অন্তর্ভুক্তিমূলক) শব্দগুলো শুনতে শ্রুতিমধুর হলেও আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে এগুলোর অর্থ ভিন্ন। চ্যাটজিপিটি এবং বিভিন্ন তথ্যের বরাত দিয়ে তিনি দেখান যে, পশ্চিমা বিশ্বে ‘সোশ্যাল
জাস্টিস’ একটি আমব্রেলা টার্ম, যার আওতায় এলজিবিটি রাইটস, জেন্ডার ইকুয়ালিটি এবং র্যাডিক্যাল জাস্টিসের মতো বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত। তিনি শায়খ আহমাদুল্লাহর একটি বক্তব্যের উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন, ‘ইনক্লুসিভ’ বা অন্তর্ভুক্তিমূলক শব্দের আড়ালে মূলত ট্রান্সজেন্ডার মতবাদ ও সমকামিতাকে বৈধতা দেওয়ার চেষ্টা চলছে, যা সাধারণ মানুষ বা অনেক ইসলামী দলও বুঝতে পারছে না। সংবিধান ও আইনের ফাঁদ তার মতে, জুলাই সনদ পাস হলে এর বিষয়বস্তুগুলো সংবিধানের অংশ হয়ে যাবে। যেহেতু সংবিধান রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন (Supreme Law), তাই পরবর্তীতে দেশের প্রচলিত আইন বা ধর্মীয় অনুশাসন দিয়ে এসব এজেন্ডা প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে না। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন, সুন্দর সুন্দর শব্দের মোড়কে এমন সব ধারা অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে, যা
ভবিষ্যতে ইসলাম ও দেশীয় সংস্কৃতি পালনের পথে বাধা হয়ে দাঁড়াবে। ইসলামী দলগুলোর প্রতি বার্তা ভিডিওতে আসিফ মাহতাব ইসলামী দলগুলোর ভূমিকার সমালোচনা করে বলেন, তারা মূলনীতিতে ‘ইসলাম’ শব্দটি রাখতে ব্যর্থ হয়েছে বা চায়নি। তিনি সতর্ক করে বলেন, অতীতে যেমন ‘সেক্যুলারিজম’ বা ধর্মনিরপেক্ষতার নামে দীর্ঘ সময় ধর্মীয় মূল্যবোধের ওপর আঘাত করা হয়েছে, ঠিক তেমনি জুলাই সনদের এই শব্দগুলো ব্যবহার করে ভবিষ্যতে ইসলামপন্থীদের কোণঠাসা করা হতে পারে। পরিশেষে, তিনি দেশবাসীকে জুলাই সনদ না পড়ে অন্ধভাবে সমর্থন না করার আহ্বান জানান এবং নিজে ‘না’ ভোট দেওয়ার সিদ্ধান্ত পুনর্ব্যক্ত করেন। তার মতে, স্বৈরাচার ঠেকানোর জন্য জুলাই সনদ অপরিহার্য নয়, বরং এর মাধ্যমে দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের নৈতিকতা ধ্বংসের একটি
দীর্ঘমেয়াদী নীল নকশা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। আসিফ মাহতাব উৎসহের ভিডিও বক্তব্যের ওপর ভিত্তি করে সংবাদ বা সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টের জন্য আরও কিছু কোটেশন (Quotations) বিষয়ভিত্তিক ক্যাটাগরিতে নিচে দেওয়া হলো: ১. ‘জুলাই সনদ’ ও আন্দোলনের উদ্দেশ্য প্রসঙ্গে "জুলাইয়ে আমরা যারা আন্দোলন করেছি, এর সাথে ‘ওপেন গভর্নমেন্ট পার্টনারশিপ’ জিনিসটা কী? এটার সম্পর্কটা কী? আমরা কি ওপেন গভর্নমেন্ট পার্টনারশিপের সাথে যোগ দেওয়ার জন্য আন্দোলন করেছি?" ২. আওয়ামী লীগের ফিরে আসার জুজু প্রসঙ্গে "তারা আপনাকে বোঝাবে জুলাই সনদ না হলে আওয়ামী লীগ ফিরে আসবে। কিন্তু এটার সাথে কোনো সম্পর্ক নাই। আওয়ামী লীগ যদি ফিরে আসে, তবে তারা এক সেকেন্ডের মধ্যে জুলাই সনদ অবৈধ ঘোষণা করে যা ইচ্ছা তাই করতে
পারবে। তাই জুলাই সনদের কারণে আওয়ামী লীগ আসতে পারবে না—এটা ভুল ধারণা।" ৩. ‘ইনক্লুসিভ’ শব্দের বিপদ প্রসঙ্গে "‘ইনক্লুসিভ’ শব্দটা শুনতে খুব ভালো শোনায়—সবাইকে নিয়ে চলতে চাই। কিন্তু এটার মতলব বহুত খারাপ। এর ভেতরে অত্যন্ত ভয়ঙ্কর একটা এজেন্ডা লুকায়িত আছে, যেটা অনেকেই লক্ষ্য করছেন না। আর সেটা হলো সমকামিতা ও ট্রান্সজেন্ডারইজমকে বৈধতা দেওয়া।" ৪. সেক্যুলারিজম ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট নিয়ে "৭১-এর পরে যখন ‘সেক্যুলারিজম’ বলা হলো, আপনারা মনে করলেন এটা ধর্মনিরপেক্ষতা বা ভালো কিছু। কিন্তু এই সেক্যুলারিজম দিয়েই পরবর্তী ৪০ বছর আপনাদের ওপর জুলুম করা হয়েছে। ঠিক একইভাবে এখন ‘সোশ্যাল জাস্টিস’ বা ‘হিউম্যান ডিগনিটি’র মতো সুন্দর শব্দের আড়ালে ফাঁদ পাতা হচ্ছে।" ৫. ইসলামী দলগুলোর ব্যর্থতা প্রসঙ্গে "আমরা যারা
ইসলামিক দল, তারা মূল নীতিতে 'ইসলাম' ওয়ার্ডটা আনতে পারি নাই বা চাই নাই—সেটা কিরকম কথা? মূল নীতিতে ইসলাম থাকলে বাকি সব পশ্চিমা নর্ম (Norm) বা এজেন্ডা বাতিল হয়ে যেত। কারণ, তখন ইসলামই হতো সুপ্রিম নর্ম।" ৬. সংবিধান ও আইনি জটিলতা নিয়ে "আমাদের দেশ আবার একটু অ্যাডভান্সড। তারা এগুলো (পশ্চিমা এজেন্ডা) সংবিধানে একদম ঢুকিয়ে দিচ্ছে। কারণ সংবিধানে যদি ঢুকে যায়, সংবিধান হচ্ছে ‘সুপ্রিম ল অফ দ্য ল্যান্ড’। এর নিচের কোনো আইন দিয়ে তখন আর এগুলো আটকানো যাবে না বা চ্যালেঞ্জ করা যাবে না।" ৭. ডোনাল্ড ট্রাম্প ও পশ্চিমা সংস্কৃতির উদাহরণ টেনে "ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষমতায় এসে সবার আগে এই ডাইভারসিটি, ইকুয়ালিটি, ইনক্লুসিভিটি ও এলজিবিটিকিউ এজেন্ডাগুলো বন্ধ করেছেন। কারণ তিনি জানতেন, একটা দেশকে স্টেবল বা ডেভেলপ করতে হলে এগুলো থামাতে হবে।" ৮. সোশ্যাল জাস্টিস বা সামাজিক সুবিচারের সংজ্ঞা নিয়ে "সোশ্যাল জাস্টিস কী জিনিস, এটা আপনারা কয়জন বোঝেন? চ্যাটজিপিটিকে জিজ্ঞেস করলেই দেখবেন—সোশ্যাল জাস্টিস একটি আমব্রেলা টার্ম, যার মধ্যে এলজিবিটি রাইটস ও জেন্ডার ইকুয়ালিটি অন্তর্ভুক্ত। অথচ এটাই দেশের মূল নীতির মধ্যে প্রবেশ করানো হচ্ছে।"



