‘প্রতিদ্বন্দ্বী দলকে আইনি কৌশলে মাঠের বাইরে রাখা গণতন্ত্রের জন্য বিপজ্জনক’: মাইকেল রুবিন – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
     ৬:১৩ পূর্বাহ্ণ

‘প্রতিদ্বন্দ্বী দলকে আইনি কৌশলে মাঠের বাইরে রাখা গণতন্ত্রের জন্য বিপজ্জনক’: মাইকেল রুবিন

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ | ৬:১৩ 18 ভিউ
বাংলাদেশে প্রতিদ্বন্দ্বী রাজনৈতিক দলকে আইনি ও প্রশাসনিক কৌশলের মাধ্যমে মাঠের বাইরে ঠেলে দেওয়ার প্রবণতা গভীর সংকট সৃষ্টি করছে বলে সতর্ক করেছেন আমেরিকান এন্টারপ্রাইজ ইনস্টিটিউটের সিনিয়র ফেলো ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক মাইকেল রুবিন। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের মতো জনপ্রিয় একটি বড় দলকে নিষিদ্ধ করার পেছনে মূল কারণ হলো সুষ্ঠু নির্বাচনে তাদের পরাজিত করার অক্ষমতা। এই প্রবণতা স্বল্পমেয়াদী সুবিধা দিলেও দীর্ঘমেয়াদে রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতা ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানকে দুর্বল করে। বৃহস্পতিবার ওয়াশিংটনের ন্যাশনাল প্রেস ক্লাবে ইনস্টিটিউট ফর স্ট্র্যাটেজিক ডায়ালগ (আইএসডি) আয়োজিত এক সংলাপে মাইকেল রুবিন বলেন, “বাংলাদেশের রাজনীতিতে প্রতিদ্বন্দ্বী দলকে আইনি ও প্রশাসনিক কৌশলে মাঠের বাইরে ঠেলে দেওয়ার প্রবণতা নতুন নয়। তবে বর্তমান প্রেক্ষাপটে এটি আরও

গভীর সংকট সৃষ্টি করছে।” সংলাপে আওয়ামী লীগের কার্যক্রমে নিষেধাজ্ঞার প্রসঙ্গ উঠলে তিনি এর ঘোর বিরোধিতা করেন। আইএসডির পরিচালক শাবান মাহমুদ ও কার্যনির্বাহী পরিচালক শায়লা আহমেদ লোপা সংলাপটি পরিচালনা করেন। সভাপতিত্ব করেন আইএসডির সভাপতি দস্তগীর জাহাঙ্গীর। সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক সংকটের সরাসরি প্রভাব পড়ছে দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক ও আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তির ওপর। তিনি সতর্ক করেন, রাজনৈতিক অচলাবস্থা দীর্ঘায়িত হলে অর্থনীতি, বিদেশি বিনিয়োগ ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতায় নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. নুরুন নবী মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, অসাম্প্রদায়িকতা ও সাংবিধানিক ধারাবাহিকতার ওপর গুরুত্ব দিয়ে বলেন, রাজনৈতিক সহিংসতা ও বিভাজনের রাজনীতি সমাজকে ভেতর থেকে দুর্বল করে এবং রাষ্ট্রীয় কাঠামোয় দীর্ঘস্থায়ী

ক্ষত সৃষ্টি করে। মানবাধিকারকর্মী ড. দিলিপ নাথ বলেন, বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় মানবাধিকার, নাগরিক স্বাধীনতা ও আইনের শাসন সবচেয়ে বেশি ঝুঁকির মুখে। তিনি বিরোধী মত দমনে মামলা, হয়রানি ও ভয়ভীতির সংস্কৃতি বন্ধের আহ্বান জানান। অন্যান্য বক্তারা বলেন, বর্তমানে ক্ষমতা, প্রশাসন ও রাজপথে তীব্র রাজনৈতিক মেরুকরণ দেখা যাচ্ছে। বিরোধী মত দমনে মামলা, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অভিযোগ ক্রমবর্ধমান। বক্তারা নির্বাচনব্যবস্থা, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। আলোচনায় অংশ নেন জামাল হাসান, গ্রেগ রাশফোর্ড, জিয়া করিম, আব্দুল কাদের মিয়া প্রমুখ। আইএসডির ভাইস প্রেসিডেন্ট এজেডএম সাজ্জাদ হোসেন সবুজের বক্তব্যে সংলাপ শেষ হয়। এই আলোচনা বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক সংকটের আন্তর্জাতিক মাত্রা

তুলে ধরেছে এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ও স্থিতিশীলতার জন্য সকল দলের অংশগ্রহণের ওপর জোর দিয়েছে। রাজনৈতিক নেতৃত্বগুলোর জন্য এটি একটি সতর্কবার্তা হিসেবে কাজ করতে পারে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
“হ্যাঁ–না ভোটের ফল আগেই নির্ধারিত। এখন চলছে ভোটের নামে এক প্রহসন।” — জননেত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশে ভোট বয়কটের ডাক ৫ পেশাজীবী সংগঠনের নির্বাচনের নামে সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর জীবনে ভয় ও আতঙ্ক সৃষ্টি করা কোনোভাবেই গণতান্ত্রিক চর্চা হতে পারে না যে জাতি তার মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান করতে ভুলে যায়, সেই জাতি নিজের জন্মকেই অস্বীকার করে ফাঁস হওয়া নথিতে ৬৪ ডিসির রাজনৈতিক পরিচয়: ‘নিরপেক্ষ’ প্রশাসনে দলীয়করণের ছায়া জেলখানার মাইকে ভেসে এল বাবা হওয়ার সংবাদ: সাবেক ছাত্রলীগ নেতার কারাজীবনের নির্মম আখ্যান পরিচয় ফাঁসের আতঙ্ক: পোস্টাল ব্যালটে ভোটদানে বিমুখ সরকারি চাকরিজীবী কর্মকর্তারা আসন্ন নির্বাচনকে ‘প্রহসন’ আখ্যা ভোট বর্জনের ডাক দিয়ে ৭০৭ আইনজীবীর বিবৃতি ‘প্রতিদ্বন্দ্বী দলকে আইনি কৌশলে মাঠের বাইরে রাখা গণতন্ত্রের জন্য বিপজ্জনক’: মাইকেল রুবিন একাত্তর থেকে আবার৭১ কেমন আছে বাংলাদেশ? নির্বাচন বৈধতা দিতে এক ব্যক্তির সাইনবোর্ডসর্বস্ব কাগুজে প্রতিষ্ঠান ‘পাশা’, একাই সাপ্লাই দিচ্ছে ১০ হাজার পর্যবেক্ষক! উপদেষ্টা আদিলুর ও শিক্ষা উপদেষ্টা আবরারের পারিবারিক বলয়ে নির্বাচন পর্যবেক্ষক তালিকা গণভোট নয়, এটা সংবিধান ধ্বংসের আয়োজন হাজার হাজার প্রোফাইল ছবিতে একটাই কথা—“নো বোট, নো ভোট।” ফাঁস হওয়া নথিতে ৬৪ ডিসির রাজনৈতিক পরিচয়: ‘নিরপেক্ষ’ প্রশাসনে দলীয়করণের ছায়া আইনের শাসনের নির্লজ্জ চিত্র: ভুয়া মামলা ও আতঙ্কে বন্দী বাংলাদেশ বাংলাদেশের ১২ ফেব্রুয়ারির প্রহসনের নির্বাচন ও গণভোট বর্জনের আহবান জানিয়েছেন প্রবাসী বাংলাদেশীরা ইউনূস সাহেব ঈদ করবেন কোথায়! Plebiscite or Refounding? The Constitutional Limits of the Referendum in Bangladesh Former Bangladeshi Minister Ramesh Chandra Sen Dies in Custody