ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বুয়েট ছাত্রলীগের নতুন কমিটি ঘোষণা, সভাপতি তানভীর ও সম্পাদক আশিকুল
বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষ, নওগাঁ রণক্ষেত্র
জামায়াতের আমীরের ইতিহাস বিকৃতি, বিপজ্জনক রাজনীতির পুরোনো কৌশল
জামায়েতের দুই নীতি নারী এবং মুক্তিযুদ্ধ ভীতি
জামায়াতের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত ভোটার স্থানান্তরের অভিযোগ: আসনভিত্তিক তথ্য চায় বিএনপি
বিএনপির সঙ্গে জামায়াতের পর এনসিপির সংঘর্ষ: ভোটের আগেই ক্ষমতার লড়াইয়ে কি সংঘাত বাড়ছে?
নারী বিদ্বেষ থেকেই কি মনীষার সাথে একই মঞ্চে বসতে আপত্তি চরমোনাই পীর ফয়জুল করিমের?
নির্বাচনকে ‘সাজানো নাটক’ আখ্যা দিয়ে ভোট বর্জনের ডাক দিলেন সজীব ওয়াজেদ জয়
আসন্ন নির্বাচনকে ‘সাজানো’ এবং ‘নাটক’ বলে অভিহিত করেছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রীর আইসিটি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক ভিডিও বার্তায় তিনি দেশের বর্তমান পরিস্থিতি ও আসন্ন নির্বাচন নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেন এবং জনগণকে ভোট বর্জন করার আহ্বান জানান।
ভিডিও বার্তায় সজীব ওয়াজেদ জয় অভিযোগ করেন, গত দেড় বছরে দেশে চরম বিশৃঙ্খলা দেখা দিয়েছে। তিনি বলেন, “কোনো আইন-শৃঙ্খলা নেই, অর্থনীতি পড়ে গেছে, কোনো গণতন্ত্র নাই। আপনাদের ভয়ে থাকতে হয়েছে।”
আসন্ন নির্বাচন প্রক্রিয়ার কঠোর সমালোচনা করে তিনি দাবি করেন, এটি একটি সাজানো নির্বাচন যেখানে দেশের অর্ধেক রাজনৈতিক দলকে বাদ দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, “শুধু আওয়ামী লীগ তো না, যত স্বাধীনতার স্বপক্ষের দল এবং
প্রগতিশীল দল, তাদের সবাইকে বাদ দেওয়া হয়েছে।” তার অভিযোগ, শুধুমাত্র বিএনপি ও জামায়াতকে ক্ষমতায় বসানোর উদ্দেশ্যেই এই নির্বাচনের আয়োজন করা হচ্ছে। জয় আরও বলেন, নির্বাচন কমিশন আগে থেকেই ভোটের ফলাফল এবং কত শতাংশ ভোট পড়বে তা নির্ধারণ করে রেখেছে। তাই এই নির্বাচনে ভোট দিয়ে জনগণের কোনো লাভ হবে না বলে তিনি মন্তব্য করেন। রাজনৈতিক সংস্কার প্রসঙ্গে তিনি পঁচাত্তর পরবর্তী সময়ের উদাহরণ টেনে বলেন, “গায়ের জোরে একতরফা সংস্কার করলে তা টেকে না। ৭৫-এর পর যারা সামরিক শাসন করেছেন, তারাও গণভোট ও সংস্কার করে রাজনৈতিক উন্নয়ন আনার চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু তাতে গণতন্ত্র আরও দুর্বল হয়েছে।” দেশের গণতন্ত্রের উন্নয়নে সময় প্রয়োজন উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশ
এখনো একটি নতুন দেশ। সংস্কার করতে হলে সকল মানুষের ভোট এবং সকল দলের মতামত নেওয়া আবশ্যক। একতরফা সিদ্ধান্তে রাজনীতির কোনো উন্নয়ন হবে না বলে তিনি হুঁশিয়ারি দেন। বক্তব্যের শেষে তিনি আওয়ামী লীগের সমর্থকসহ দলমত নির্বিশেষে সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, “বাংলাদেশের ভালো যদি চান, ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে চান, তবে এই নির্বাচনে ভোট দেবেন না। আসুন আমরা ঐক্যবদ্ধ হই এবং এই সাজানো নির্বাচন ও একতরফা সংস্কার মেনে না নিই।” ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে তিনি তার ভিডিও বার্তাটি শেষ করেন।
প্রগতিশীল দল, তাদের সবাইকে বাদ দেওয়া হয়েছে।” তার অভিযোগ, শুধুমাত্র বিএনপি ও জামায়াতকে ক্ষমতায় বসানোর উদ্দেশ্যেই এই নির্বাচনের আয়োজন করা হচ্ছে। জয় আরও বলেন, নির্বাচন কমিশন আগে থেকেই ভোটের ফলাফল এবং কত শতাংশ ভোট পড়বে তা নির্ধারণ করে রেখেছে। তাই এই নির্বাচনে ভোট দিয়ে জনগণের কোনো লাভ হবে না বলে তিনি মন্তব্য করেন। রাজনৈতিক সংস্কার প্রসঙ্গে তিনি পঁচাত্তর পরবর্তী সময়ের উদাহরণ টেনে বলেন, “গায়ের জোরে একতরফা সংস্কার করলে তা টেকে না। ৭৫-এর পর যারা সামরিক শাসন করেছেন, তারাও গণভোট ও সংস্কার করে রাজনৈতিক উন্নয়ন আনার চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু তাতে গণতন্ত্র আরও দুর্বল হয়েছে।” দেশের গণতন্ত্রের উন্নয়নে সময় প্রয়োজন উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশ
এখনো একটি নতুন দেশ। সংস্কার করতে হলে সকল মানুষের ভোট এবং সকল দলের মতামত নেওয়া আবশ্যক। একতরফা সিদ্ধান্তে রাজনীতির কোনো উন্নয়ন হবে না বলে তিনি হুঁশিয়ারি দেন। বক্তব্যের শেষে তিনি আওয়ামী লীগের সমর্থকসহ দলমত নির্বিশেষে সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, “বাংলাদেশের ভালো যদি চান, ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে চান, তবে এই নির্বাচনে ভোট দেবেন না। আসুন আমরা ঐক্যবদ্ধ হই এবং এই সাজানো নির্বাচন ও একতরফা সংস্কার মেনে না নিই।” ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে তিনি তার ভিডিও বার্তাটি শেষ করেন।



