ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
সরকারি কর্মচারীদের ৯ম পে-স্কেলের দাবিতে প্রতিবাদ সমাবেশ, কঠোর কর্মসূচির ঘোষণা
চরম ভারতবিদ্বেষের মাঝেও বন্ধ নেই আমদানি, এলো ১১ লাখ ৮৮ হাজার কেজি ভারতীয় চাল
জুলাই ২০২৪: যা দেখেছি, যা অভিজ্ঞতা করেছি
জনসংখ্যার বড় অংশ ভোট দিতে না পারা অস্থিরতার পথ প্রশস্ত করে: শেখ হাসিনা
নগদ টাকায় ভোট ক্রয় আর নতুন; বাংলাদেশের পবিত্র গণতন্ত্র
প্রক্সি পলিটিক্স : জামাত-বিএনপি যেভাবে দায় এড়িয়ে ক্ষমতা নিয়ে খেলে
ইউনূসের দুঃশাসন: দেশে ১২ লাখ চাকরি হারিয়েছেন, আগামী ৬ মাসে আরো ১২ লাখ
ঋণের ফাঁদ গভীরতর: বৈদেশিক ঋণের দায় ছাড়িয়েছে ৭৪ বিলিয়ন ডলার
বাজেট সহায়তায় সাময়িক বৈদেশিক মুদ্রা স্বস্তি মিললেও বাংলাদেশের সামষ্টিক অর্থনীতিতে বৈদেশিক ঋণের চাপ দ্রুত বাড়ছে। সদ্য সমাপ্ত ২০২৪–২৫ অর্থবছর শেষে সরকারি খাতে বৈদেশিক ঋণের স্থিতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৪.৩৪ বিলিয়ন ডলার, যা এক বছরের ব্যবধানে প্রায় ৮ শতাংশ বৃদ্ধি নির্দেশ করছে। অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি)-এর প্রাথমিক হিসাবে এই চিত্র উঠে এসেছে।
তবে এই হিসাব এখনও চূড়ান্ত নয়। বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হারের ওঠানামার কারণে শেষ পর্যন্ত ঋণের ডলারমূল্য কিছুটা কমতে বা বাড়তে পারে বলে ইআরডি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, এই হিসাবে কেবল কেন্দ্রীয় সরকারের মাধ্যমে নেওয়া উন্নয়ন প্রকল্প ঋণ ও বাজেট সহায়তা অন্তর্ভুক্ত হয়েছে; সরকারের গ্যারান্টিযুক্ত ঋণ এবং আইএমএফের ঋণ এখানে ধরা হয়নি।
ফলে প্রকৃত বৈদেশিক দায় আরও বেশি হওয়ার আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। এর আগে ২০২৩–২৪ অর্থবছর শেষে বৈদেশিক ঋণের স্থিতি ছিল ৬৮.৮২২ বিলিয়ন ডলার। আর পাঁচ বছর আগেও, অর্থাৎ ২০২০–২১ অর্থবছরে, এ ঋণের পরিমাণ ছিল মাত্র ৫০.৮৭৯ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ পাঁচ বছরে বৈদেশিক ঋণের দায় বেড়েছে প্রায় ৪৬ শতাংশ—যা দেশের ঋণনির্ভর উন্নয়ন কাঠামোর গভীরতর হওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে। ছাড় কম, দায় বাড়ার পেছনে বাজেট সহায়তার প্রভাব ইআরডির হিসাবে দেখা যায়, ২০২৪–২৫ অর্থবছরে বৈদেশিক ঋণের নিট প্রবাহে উন্নয়ন প্রকল্পের চেয়ে বাজেট সহায়তার ভূমিকা বেশি ছিল। আগের অর্থবছরে বৈদেশিক ঋণের ছাড় ছিল ৮.১১৪ বিলিয়ন ডলার। অন্যদিকে সদ্য সমাপ্ত বছরে সরকার উন্নয়ন সহযোগীদের কাছে আসল বাবদ পরিশোধ
করেছে ২.৫৯৫ বিলিয়ন ডলার। সাধারণ হিসাবে, আগের বছরের ঋণের স্থিতির সঙ্গে নতুন ছাড় যোগ এবং আসল পরিশোধ বাদ দিয়েই সর্বশেষ ঋণের পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়েছে। কিন্তু বিশ্লেষকরা বলছেন, প্রকল্পভিত্তিক ঋণপ্রবাহ কিছুটা নিয়ন্ত্রিত থাকলেও বাজেট সহায়তা ঋণের দ্রুত বৃদ্ধি সামগ্রিক ঋণচাপ বাড়িয়ে দিয়েছে। সদ্য সমাপ্ত অর্থবছরে সরকার রেকর্ড ৩.৪১৪ বিলিয়ন ডলার বাজেট সহায়তা নিয়েছে, যার পুরো অর্থই ছাড় হয়েছে। এর আগে সর্বোচ্চ বাজেট সহায়তা নেওয়া হয়েছিল ২০২১–২২ অর্থবছরে, পরিমাণ ছিল ২.৫৯৭ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ রাজস্ব ও বৈদেশিক মুদ্রা চাপে সরকার ক্রমেই স্বল্পমেয়াদি ম্যাক্রো স্থিতিশীলতার জন্য বৈদেশিক ঋণের ওপর বেশি নির্ভরশীল হয়ে উঠছে। মেগা প্রকল্পের শেষ ধাপ, তবু দায়ের চাপ অব্যাহত ইআরডি কর্মকর্তারা জানান, রূপপুর পারমাণবিক
বিদ্যুৎ প্রকল্প, মেট্রোরেল (এমআরটি-৬), পদ্মা রেল সংযোগ, কর্ণফুলী টানেল ও শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালসহ বড় কয়েকটি প্রকল্পের বাস্তবায়ন শেষ হয়েছে বা শেষ পর্যায়ে রয়েছে। ফলে এসব প্রকল্পে আগের প্রতিশ্রুত ঋণের বড় অংশ শেষ সময়ে এসে ছাড় হয়েছে। সরকারের কৌশল ছিল নতুন বড় মেগা প্রকল্পে ঋণ না নিয়ে ভবিষ্যতের দায় সীমিত রাখা। কিন্তু অতীতের নেওয়া প্রতিশ্রুত ঋণের ছাড় এবং বাজেট সহায়তার নতুন প্রবাহ মিলিয়ে সামগ্রিক বৈদেশিক দায় কমেনি, বরং বেড়েছে। ইয়েন ঝুঁকি: বিনিময় হারেই বেড়েছে প্রায় ১ বিলিয়ন ডলারের দায় বৈদেশিক ঋণের ঝুঁকির আরেকটি উৎস হয়ে উঠেছে মুদ্রা বিনিময় হার। ইআরডি কর্মকর্তারা জানান, জাপানি ইয়েনে নেওয়া ঋণের বিপরীতে ডলারের মান পরিবর্তনের কারণে ঋণের
ডলারমূল্য বেড়েছে। ২০২৩–২৪ অর্থবছরে প্রতি ইয়েনের মূল্য ছিল ০.০০৬৩৩৮০ ডলার, যা ২০২৪–২৫ অর্থবছরে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ০.০০৬৯১২৫ ডলার। এই পরিবর্তনের ফলে বিনিময় হারজনিত প্রভাবে বাংলাদেশের বৈদেশিক ঋণের দায় প্রায় ১ বিলিয়ন ডলার বেড়েছে। ভবিষ্যতেও ইয়েন–ডলার বিনিময় হারের অস্থিরতা ঋণ পরিশোধে অতিরিক্ত চাপ তৈরি করতে পারে। ‘ঋণ বাড়ছে, পরিশোধের চাপ আরও দ্রুত বাড়বে’ পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মাসরুর রিয়াজ বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার উন্নয়ন প্রকল্পে নতুন বৈদেশিক ঋণ নেওয়ার ক্ষেত্রে সতর্ক ছিল এবং বড় নতুন মেগা প্রকল্পে যায়নি। এমনকি পাইপলাইনে থাকা কিছু প্রকল্পও পুনর্মূল্যায়ন করা হয়েছে। তবে তিনি বলেন, সামষ্টিক অর্থনীতির স্থিতিশীলতা রক্ষা, ব্যালান্স অব পেমেন্টের চাপ মোকাবিলা এবং রিজার্ভে স্বস্তি আনতে বিশ্বব্যাংক,
এডিবি ও আইএমএফের কাছ থেকে বড় অঙ্কের বাজেট সহায়তা নেওয়া হয়েছে—যার ফলে বৈদেশিক দায় বেড়েছে। তিনি বলেন, আমাদের ঋণ যেমন বাড়ছে, তেমনি পরিশোধের চাপ আরও দ্রুত বাড়ছে। আগামী বছরগুলোতে বৈদেশিক ঋণ পরিশোধের চাপ প্রায় ৬৫ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে। তাই এখন থেকেই কঠিন শর্তযুক্ত ঋণ এড়িয়ে চলা এবং দ্রুত অর্থনৈতিক রিটার্ন দেয়—এমন প্রকল্পেই ঋণ নেওয়া জরুরি। পাইপলাইনে এখনও ৪২ বিলিয়ন ডলারের বেশি দায় ইআরডির প্রাথমিক হিসাবে, ২০২৪–২৫ অর্থবছর শেষে পাইপলাইনে বৈদেশিক ঋণ ও অনুদানের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৪২.৬০৫ বিলিয়ন ডলার। এর মধ্যে সামান্য অংশ ছাড়া প্রায় পুরোটা ঋণ। আগের অর্থবছর শেষে এই পরিমাণ ছিল ৪২.৮৫০ বিলিয়ন ডলার। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, নতুন বড় প্রকল্প কমলেও অতীতের প্রতিশ্রুত
ঋণ, বাজেট সহায়তার ওপর বাড়তি নির্ভরতা এবং বিনিময় হার ঝুঁকি—সব মিলিয়ে বাংলাদেশের বৈদেশিক ঋণ এখন কেবল উন্নয়ন অর্থায়নের বিষয় নয়, বরং ম্যাক্রো অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার একটি কেন্দ্রীয় ঝুঁকি উপাদান হয়ে উঠছে।
ফলে প্রকৃত বৈদেশিক দায় আরও বেশি হওয়ার আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। এর আগে ২০২৩–২৪ অর্থবছর শেষে বৈদেশিক ঋণের স্থিতি ছিল ৬৮.৮২২ বিলিয়ন ডলার। আর পাঁচ বছর আগেও, অর্থাৎ ২০২০–২১ অর্থবছরে, এ ঋণের পরিমাণ ছিল মাত্র ৫০.৮৭৯ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ পাঁচ বছরে বৈদেশিক ঋণের দায় বেড়েছে প্রায় ৪৬ শতাংশ—যা দেশের ঋণনির্ভর উন্নয়ন কাঠামোর গভীরতর হওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে। ছাড় কম, দায় বাড়ার পেছনে বাজেট সহায়তার প্রভাব ইআরডির হিসাবে দেখা যায়, ২০২৪–২৫ অর্থবছরে বৈদেশিক ঋণের নিট প্রবাহে উন্নয়ন প্রকল্পের চেয়ে বাজেট সহায়তার ভূমিকা বেশি ছিল। আগের অর্থবছরে বৈদেশিক ঋণের ছাড় ছিল ৮.১১৪ বিলিয়ন ডলার। অন্যদিকে সদ্য সমাপ্ত বছরে সরকার উন্নয়ন সহযোগীদের কাছে আসল বাবদ পরিশোধ
করেছে ২.৫৯৫ বিলিয়ন ডলার। সাধারণ হিসাবে, আগের বছরের ঋণের স্থিতির সঙ্গে নতুন ছাড় যোগ এবং আসল পরিশোধ বাদ দিয়েই সর্বশেষ ঋণের পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়েছে। কিন্তু বিশ্লেষকরা বলছেন, প্রকল্পভিত্তিক ঋণপ্রবাহ কিছুটা নিয়ন্ত্রিত থাকলেও বাজেট সহায়তা ঋণের দ্রুত বৃদ্ধি সামগ্রিক ঋণচাপ বাড়িয়ে দিয়েছে। সদ্য সমাপ্ত অর্থবছরে সরকার রেকর্ড ৩.৪১৪ বিলিয়ন ডলার বাজেট সহায়তা নিয়েছে, যার পুরো অর্থই ছাড় হয়েছে। এর আগে সর্বোচ্চ বাজেট সহায়তা নেওয়া হয়েছিল ২০২১–২২ অর্থবছরে, পরিমাণ ছিল ২.৫৯৭ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ রাজস্ব ও বৈদেশিক মুদ্রা চাপে সরকার ক্রমেই স্বল্পমেয়াদি ম্যাক্রো স্থিতিশীলতার জন্য বৈদেশিক ঋণের ওপর বেশি নির্ভরশীল হয়ে উঠছে। মেগা প্রকল্পের শেষ ধাপ, তবু দায়ের চাপ অব্যাহত ইআরডি কর্মকর্তারা জানান, রূপপুর পারমাণবিক
বিদ্যুৎ প্রকল্প, মেট্রোরেল (এমআরটি-৬), পদ্মা রেল সংযোগ, কর্ণফুলী টানেল ও শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালসহ বড় কয়েকটি প্রকল্পের বাস্তবায়ন শেষ হয়েছে বা শেষ পর্যায়ে রয়েছে। ফলে এসব প্রকল্পে আগের প্রতিশ্রুত ঋণের বড় অংশ শেষ সময়ে এসে ছাড় হয়েছে। সরকারের কৌশল ছিল নতুন বড় মেগা প্রকল্পে ঋণ না নিয়ে ভবিষ্যতের দায় সীমিত রাখা। কিন্তু অতীতের নেওয়া প্রতিশ্রুত ঋণের ছাড় এবং বাজেট সহায়তার নতুন প্রবাহ মিলিয়ে সামগ্রিক বৈদেশিক দায় কমেনি, বরং বেড়েছে। ইয়েন ঝুঁকি: বিনিময় হারেই বেড়েছে প্রায় ১ বিলিয়ন ডলারের দায় বৈদেশিক ঋণের ঝুঁকির আরেকটি উৎস হয়ে উঠেছে মুদ্রা বিনিময় হার। ইআরডি কর্মকর্তারা জানান, জাপানি ইয়েনে নেওয়া ঋণের বিপরীতে ডলারের মান পরিবর্তনের কারণে ঋণের
ডলারমূল্য বেড়েছে। ২০২৩–২৪ অর্থবছরে প্রতি ইয়েনের মূল্য ছিল ০.০০৬৩৩৮০ ডলার, যা ২০২৪–২৫ অর্থবছরে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ০.০০৬৯১২৫ ডলার। এই পরিবর্তনের ফলে বিনিময় হারজনিত প্রভাবে বাংলাদেশের বৈদেশিক ঋণের দায় প্রায় ১ বিলিয়ন ডলার বেড়েছে। ভবিষ্যতেও ইয়েন–ডলার বিনিময় হারের অস্থিরতা ঋণ পরিশোধে অতিরিক্ত চাপ তৈরি করতে পারে। ‘ঋণ বাড়ছে, পরিশোধের চাপ আরও দ্রুত বাড়বে’ পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মাসরুর রিয়াজ বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার উন্নয়ন প্রকল্পে নতুন বৈদেশিক ঋণ নেওয়ার ক্ষেত্রে সতর্ক ছিল এবং বড় নতুন মেগা প্রকল্পে যায়নি। এমনকি পাইপলাইনে থাকা কিছু প্রকল্পও পুনর্মূল্যায়ন করা হয়েছে। তবে তিনি বলেন, সামষ্টিক অর্থনীতির স্থিতিশীলতা রক্ষা, ব্যালান্স অব পেমেন্টের চাপ মোকাবিলা এবং রিজার্ভে স্বস্তি আনতে বিশ্বব্যাংক,
এডিবি ও আইএমএফের কাছ থেকে বড় অঙ্কের বাজেট সহায়তা নেওয়া হয়েছে—যার ফলে বৈদেশিক দায় বেড়েছে। তিনি বলেন, আমাদের ঋণ যেমন বাড়ছে, তেমনি পরিশোধের চাপ আরও দ্রুত বাড়ছে। আগামী বছরগুলোতে বৈদেশিক ঋণ পরিশোধের চাপ প্রায় ৬৫ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে। তাই এখন থেকেই কঠিন শর্তযুক্ত ঋণ এড়িয়ে চলা এবং দ্রুত অর্থনৈতিক রিটার্ন দেয়—এমন প্রকল্পেই ঋণ নেওয়া জরুরি। পাইপলাইনে এখনও ৪২ বিলিয়ন ডলারের বেশি দায় ইআরডির প্রাথমিক হিসাবে, ২০২৪–২৫ অর্থবছর শেষে পাইপলাইনে বৈদেশিক ঋণ ও অনুদানের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৪২.৬০৫ বিলিয়ন ডলার। এর মধ্যে সামান্য অংশ ছাড়া প্রায় পুরোটা ঋণ। আগের অর্থবছর শেষে এই পরিমাণ ছিল ৪২.৮৫০ বিলিয়ন ডলার। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, নতুন বড় প্রকল্প কমলেও অতীতের প্রতিশ্রুত
ঋণ, বাজেট সহায়তার ওপর বাড়তি নির্ভরতা এবং বিনিময় হার ঝুঁকি—সব মিলিয়ে বাংলাদেশের বৈদেশিক ঋণ এখন কেবল উন্নয়ন অর্থায়নের বিষয় নয়, বরং ম্যাক্রো অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার একটি কেন্দ্রীয় ঝুঁকি উপাদান হয়ে উঠছে।



