ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
সরকারি কর্মচারীদের ৯ম পে-স্কেলের দাবিতে প্রতিবাদ সমাবেশ, কঠোর কর্মসূচির ঘোষণা
ঋণের ফাঁদ গভীরতর: বৈদেশিক ঋণের দায় ছাড়িয়েছে ৭৪ বিলিয়ন ডলার
চরম ভারতবিদ্বেষের মাঝেও বন্ধ নেই আমদানি, এলো ১১ লাখ ৮৮ হাজার কেজি ভারতীয় চাল
জুলাই ২০২৪: যা দেখেছি, যা অভিজ্ঞতা করেছি
জনসংখ্যার বড় অংশ ভোট দিতে না পারা অস্থিরতার পথ প্রশস্ত করে: শেখ হাসিনা
প্রক্সি পলিটিক্স : জামাত-বিএনপি যেভাবে দায় এড়িয়ে ক্ষমতা নিয়ে খেলে
ইউনূসের দুঃশাসন: দেশে ১২ লাখ চাকরি হারিয়েছেন, আগামী ৬ মাসে আরো ১২ লাখ
নগদ টাকায় ভোট ক্রয় আর নতুন; বাংলাদেশের পবিত্র গণতন্ত্র
টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলার অর্জুনা ইউনিয়নে হাজার টাকার নোট বিতরণ করতে গিয়ে জনতার হাতে ধরা পড়েছেন জামায়াতের নেতা কাজী নূরুল ইসলাম। ভিডিও ভাইরাল হয়েছে, প্রমাণ হাতেনাতে। কিন্তু এই ঘটনাটা আসলে বিচ্ছিন্ন কোনো ব্যাপার নয়, বরং ২০২৪ সালের জুলাইয়ের পর যে রাজনৈতিক বাস্তবতা তৈরি হয়েছে তার একটা স্বাভাবিক পরিণতি।
মজার ব্যাপার হলো, যারা গত কয়েক বছর ধরে দেশের নির্বাচিত সরকারকে অবৈধ বলে প্রচার করে এসেছেন, সেই তারাই এখন ভোট কেনার মতো অবৈধ কাজে জড়িত। যে জামায়াত ইসলাম একসময় ইসলামি মূল্যবোধ আর নৈতিকতার কথা বলে মানুষের কাছে যেতো, সেই সংগঠনের নেতারা এখন মাদ্রাসার শিক্ষকের পরিচয় নিয়ে ভোটারদের হাতে হাজার টাকার নোট গুঁজে দিচ্ছেন। প্রশ্ন
হলো, এই টাকাটা আসছে কোথা থেকে? কোন উৎস থেকে এই বিশাল অংকের নগদ অর্থ সংগ্রহ করা হচ্ছে? মুহাম্মদ ইউনূস আর তার অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে জামায়াত ইসলাম যে রাজনৈতিক পুনর্জাগরণ পেয়েছে, সেটা এখন আর গোপন কিছু নয়। ২০১৩ সালে যুদ্ধাপরাধের দায়ে সংগঠনটির নিবন্ধন বাতিল হয়েছিল। সেই সংগঠনটাই এখন পুরো দেশজুড়ে প্রকাশ্যে রাজনীতি করছে, নির্বাচনে প্রার্থী দিচ্ছে, আর এখন দেখা যাচ্ছে টাকা দিয়ে ভোট কিনছে। এটা কীভাবে সম্ভব হলো? কোন শক্তির মদদে এই রাজনৈতিক পুনর্বাসন ঘটলো? জুলাই ২০২৪ এর ঘটনাবলী নিয়ে যতই বিতর্ক থাকুক, একটা বিষয় পরিষ্কার যে একটা নির্বাচিত সরকারকে জনগণের ম্যান্ডেট ছাড়াই ক্ষমতা থেকে সরানো হয়েছে। সেই সরকারের জায়গায় এসেছে একটা অনির্বাচিত
কাঠামো, যার কোনো গণতান্ত্রিক বৈধতা নেই। আর এই কাঠামোর ছত্রছায়ায় যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে অভিযুক্ত একটা সংগঠন পুরোদমে রাজনীতিতে ফিরে এসেছে। বিদেশি অর্থায়নের প্রশ্নটাও এড়িয়ে যাওয়ার নয়। জামায়াত ইসলামের আন্তর্জাতিক যোগাযোগ আর অর্থায়নের নেটওয়ার্ক নিয়ে বহু দিনের অভিযোগ রয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ থেকে আসা অর্থ যে এই সংগঠনের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে ব্যবহৃত হয়, সেটা তথ্য সংস্থাগুলো বারবার উল্লেখ করেছে। টাঙ্গাইলে যে হাজার টাকার নোট বিতরণ হচ্ছিল, সেটা কি স্থানীয় চাঁদার টাকা, নাকি বাইরে থেকে আসা কোনো ফান্ড, সেটা তদন্ত করা দরকার। সামরিক বাহিনীর ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। জুলাইয়ের ঘটনাবলীর সময় সেনাবাহিনী যে নিরপেক্ষ ছিল না, সেটা এখন আর বিতর্কের বিষয় নয়। একটা নির্বাচিত সরকারকে সরিয়ে
দেওয়ার ক্ষেত্রে সামরিক বাহিনীর নীরবতা আর পরবর্তী ঘটনাবলী অনেক কিছুই স্পষ্ট করে দেয়। আর সেই পটভূমিতেই জামায়াত ইসলামের মতো সংগঠনগুলো রাজনৈতিক স্পেস পেয়েছে। মুহাম্মদ ইউনূসের ব্যাপারটাও খুবই আয়রনিক। যিনি একসময় দরিদ্রদের জন্য ক্ষুদ্রঋণ দিয়ে নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন, তিনিই এখন একটা অগণতান্ত্রিক কাঠামোর মুখ হয়ে আছেন। যে মানুষটা সুদের বিরুদ্ধে ইসলামি অবস্থান থেকে সবসময় সমালোচিত হয়েছেন, তিনিই এখন ইসলামি জঙ্গি সংগঠনের সাথে একই রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মে দাঁড়িয়ে আছেন। এটা কেমন সমীকরণ? টাঙ্গাইলের ঘটনাটা আসলে একটা বড় সমস্যার ছোট্ট নমুনা। যখন একটা দেশে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ভেঙে পড়ে, যখন নির্বাচিত সরকারের বদলে অনির্বাচিত কাঠামো ক্ষমতায় বসে, তখন রাজনীতিতে যে শূন্যতা তৈরি হয়, সেখানে টাকা আর পেশিশক্তির
প্রভাব বেড়ে যায়। আর ঠিক এই সুযোগেই জামায়াতের মতো সংগঠনগুলো নিজেদের অবস্থান শক্ত করে নিচ্ছে। যে জনতা জামায়াত নেতাকে ধরে ফেলেছে, সেই জনতাই কিন্তু আসল গণতন্ত্রের ধারক। তারা বুঝতে পেরেছে যে তাদের ভোট বিক্রি করে দেওয়া মানে নিজেদের ভবিষ্যৎ বিক্রি করে দেওয়া। কিন্তু কতদিন এই জনতার সচেতনতা টিকবে, যখন রাষ্ট্রীয় কাঠামোই অগণতান্ত্রিক? বাংলাদেশে এখন যেটা চলছে, সেটা গণতন্ত্র নয়। এটা একটা পরিকল্পিত রাজনৈতিক প্রকল্প, যেখানে নির্বাচিত সরকারকে সরিয়ে দিয়ে যুদ্ধাপরাধী আর জঙ্গি সংগঠনগুলোকে পুনর্বাসিত করা হচ্ছে। আর এই পুরো প্রক্রিয়ায় বিদেশি অর্থায়ন, সামরিক মদদ আর একজন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদের নাম ব্যবহার করা হচ্ছে বৈধতা দেওয়ার জন্য। টাঙ্গাইলের ভোটাররা হয়তো এই টাকা নেননি। কিন্তু পুরো
দেশ কি এই প্রলোভন এড়াতে পারবে? যখন রাষ্ট্রীয় কাঠামোই দুর্বল, যখন গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো ধ্বংস করা হয়েছে, তখন টাকার শক্তিই শেষ কথা হয়ে দাঁড়ায়। আর এটাই হয়তো পরিকল্পনা ছিল শুরু থেকেই।
হলো, এই টাকাটা আসছে কোথা থেকে? কোন উৎস থেকে এই বিশাল অংকের নগদ অর্থ সংগ্রহ করা হচ্ছে? মুহাম্মদ ইউনূস আর তার অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে জামায়াত ইসলাম যে রাজনৈতিক পুনর্জাগরণ পেয়েছে, সেটা এখন আর গোপন কিছু নয়। ২০১৩ সালে যুদ্ধাপরাধের দায়ে সংগঠনটির নিবন্ধন বাতিল হয়েছিল। সেই সংগঠনটাই এখন পুরো দেশজুড়ে প্রকাশ্যে রাজনীতি করছে, নির্বাচনে প্রার্থী দিচ্ছে, আর এখন দেখা যাচ্ছে টাকা দিয়ে ভোট কিনছে। এটা কীভাবে সম্ভব হলো? কোন শক্তির মদদে এই রাজনৈতিক পুনর্বাসন ঘটলো? জুলাই ২০২৪ এর ঘটনাবলী নিয়ে যতই বিতর্ক থাকুক, একটা বিষয় পরিষ্কার যে একটা নির্বাচিত সরকারকে জনগণের ম্যান্ডেট ছাড়াই ক্ষমতা থেকে সরানো হয়েছে। সেই সরকারের জায়গায় এসেছে একটা অনির্বাচিত
কাঠামো, যার কোনো গণতান্ত্রিক বৈধতা নেই। আর এই কাঠামোর ছত্রছায়ায় যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে অভিযুক্ত একটা সংগঠন পুরোদমে রাজনীতিতে ফিরে এসেছে। বিদেশি অর্থায়নের প্রশ্নটাও এড়িয়ে যাওয়ার নয়। জামায়াত ইসলামের আন্তর্জাতিক যোগাযোগ আর অর্থায়নের নেটওয়ার্ক নিয়ে বহু দিনের অভিযোগ রয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ থেকে আসা অর্থ যে এই সংগঠনের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে ব্যবহৃত হয়, সেটা তথ্য সংস্থাগুলো বারবার উল্লেখ করেছে। টাঙ্গাইলে যে হাজার টাকার নোট বিতরণ হচ্ছিল, সেটা কি স্থানীয় চাঁদার টাকা, নাকি বাইরে থেকে আসা কোনো ফান্ড, সেটা তদন্ত করা দরকার। সামরিক বাহিনীর ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। জুলাইয়ের ঘটনাবলীর সময় সেনাবাহিনী যে নিরপেক্ষ ছিল না, সেটা এখন আর বিতর্কের বিষয় নয়। একটা নির্বাচিত সরকারকে সরিয়ে
দেওয়ার ক্ষেত্রে সামরিক বাহিনীর নীরবতা আর পরবর্তী ঘটনাবলী অনেক কিছুই স্পষ্ট করে দেয়। আর সেই পটভূমিতেই জামায়াত ইসলামের মতো সংগঠনগুলো রাজনৈতিক স্পেস পেয়েছে। মুহাম্মদ ইউনূসের ব্যাপারটাও খুবই আয়রনিক। যিনি একসময় দরিদ্রদের জন্য ক্ষুদ্রঋণ দিয়ে নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন, তিনিই এখন একটা অগণতান্ত্রিক কাঠামোর মুখ হয়ে আছেন। যে মানুষটা সুদের বিরুদ্ধে ইসলামি অবস্থান থেকে সবসময় সমালোচিত হয়েছেন, তিনিই এখন ইসলামি জঙ্গি সংগঠনের সাথে একই রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মে দাঁড়িয়ে আছেন। এটা কেমন সমীকরণ? টাঙ্গাইলের ঘটনাটা আসলে একটা বড় সমস্যার ছোট্ট নমুনা। যখন একটা দেশে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ভেঙে পড়ে, যখন নির্বাচিত সরকারের বদলে অনির্বাচিত কাঠামো ক্ষমতায় বসে, তখন রাজনীতিতে যে শূন্যতা তৈরি হয়, সেখানে টাকা আর পেশিশক্তির
প্রভাব বেড়ে যায়। আর ঠিক এই সুযোগেই জামায়াতের মতো সংগঠনগুলো নিজেদের অবস্থান শক্ত করে নিচ্ছে। যে জনতা জামায়াত নেতাকে ধরে ফেলেছে, সেই জনতাই কিন্তু আসল গণতন্ত্রের ধারক। তারা বুঝতে পেরেছে যে তাদের ভোট বিক্রি করে দেওয়া মানে নিজেদের ভবিষ্যৎ বিক্রি করে দেওয়া। কিন্তু কতদিন এই জনতার সচেতনতা টিকবে, যখন রাষ্ট্রীয় কাঠামোই অগণতান্ত্রিক? বাংলাদেশে এখন যেটা চলছে, সেটা গণতন্ত্র নয়। এটা একটা পরিকল্পিত রাজনৈতিক প্রকল্প, যেখানে নির্বাচিত সরকারকে সরিয়ে দিয়ে যুদ্ধাপরাধী আর জঙ্গি সংগঠনগুলোকে পুনর্বাসিত করা হচ্ছে। আর এই পুরো প্রক্রিয়ায় বিদেশি অর্থায়ন, সামরিক মদদ আর একজন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদের নাম ব্যবহার করা হচ্ছে বৈধতা দেওয়ার জন্য। টাঙ্গাইলের ভোটাররা হয়তো এই টাকা নেননি। কিন্তু পুরো
দেশ কি এই প্রলোভন এড়াতে পারবে? যখন রাষ্ট্রীয় কাঠামোই দুর্বল, যখন গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো ধ্বংস করা হয়েছে, তখন টাকার শক্তিই শেষ কথা হয়ে দাঁড়ায়। আর এটাই হয়তো পরিকল্পনা ছিল শুরু থেকেই।



