ভারতে থেকেও ‘দেশে অপরাধ’: মিথ্যে মামলার বলি সাদ্দামের পরিবার – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ২৫ জানুয়ারি, ২০২৬

ভারতে থেকেও ‘দেশে অপরাধ’: মিথ্যে মামলার বলি সাদ্দামের পরিবার

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২৫ জানুয়ারি, ২০২৬ |
পাসপোর্টে প্রমাণ - মামলার এজাহারে উল্লেখিত অপরাধের সময়ে সাদ্দাম চিকিৎসার জন্য ভারতে অবস্থান করছিলেন। ইমিগ্রেশন সিল - ১০ জুলাই ২০২৪ ভারতে প্রবেশের সিল রয়েছে পাসপোর্টে, অথচ আগস্টের ঘটনায় তাকে আসামি করা হয়েছে। আইনি লঙ্ঘন - উচ্চ আদালত থেকে জামিন পাওয়ার পরও বারবার গ্রেফতার এবং একই অপরাধে একাধিকবার আটকের (ডাবল জিওপার্ডি) অভিযোগ। চরম পরিণতি - বিনা অপরাধে মাসের পর মাস কারাগারে থাকায় তৈরি হওয়া আর্থিক ও মানসিক সংকটে স্ত্রী-সন্তানের আত্মাহুতি। অপরাধ সংগঠনের সময় তিনি দেশে ছিলেন না, ছিলেন প্রতিবেশী দেশ ভারতে চিকিৎসার জন্য। পাসপোর্টে স্পষ্ট ইমিগ্রেশন সিল এবং ভিসা থাকার পরও দেশে নাশকতার মামলায় আসামি করা হয় তাকে। আর এই ‘মিথ্যে’ মামলার জাঁতাকলে পিষ্ট হয়েই

কি শেষ পর্যন্ত প্রাণ দিতে হলো বাগেরহাটের ছাত্রলীগ কর্মী জুয়েল হাসান সাদ্দামের স্ত্রী ও শিশু সন্তানকে? যশোরের কারাফটকে স্ত্রী-সন্তানের লাশের সামনে সাদ্দামের ২ মিনিটের নির্বাক উপস্থিতি এমন হাজারো প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছে। মামলার নথিপত্রে দেখা যায়, সাদ্দামের বিরুদ্ধে ২০২৪ সালের আগস্ট মাসে সংঘটিত একটি অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছে। অথচ তার পাসপোর্ট ও ট্রাভেল ডকুমেন্ট সম্পূর্ণ ভিন্ন কথা বলছে। ভারতীয় ডেপুটি হাইকমিশন (খুলনা) থেকে ইস্যুকৃত মেডিক্যাল ভিসা (ভিসা নং- ১৬ জুন ২০২৪ থেকে ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪ পর্যন্ত বৈধ) নিয়ে তিনি দেশ ত্যাগ করেন। পাসপোর্টের ইমিগ্রেশন স্ট্যাম্প অনুযায়ী, তিনি ২০২৪ সালের ১০ জুলাই হরিদাসপুর চেকপোস্ট দিয়ে ভারতে প্রবেশ করেন। অর্থাৎ, যখন তার বিরুদ্ধে বাংলাদেশে

অপরাধ সংগঠনের অভিযোগ আনা হয়, তখন তিনি শারীরিকভাবে দেশেই ছিলেন না। এরপর সেপ্টেম্বর মাসেও তিনি পুনরায় চিকিৎসার জন্য ভারতে যান। সাদ্দামের আইনজীবীদের মতে, প্রশাসন ছাত্রলীগ কর্মীদের গ্রেফতারে এতটাই বেপরোয়া ছিল যে আইনি নীতিনৈমত্তিকতার তোয়াক্কা করা হয়নি। সাদ্দামকে একবার গ্রেফতারের পর জামিন মিললেও জেলগেট থেকে পুনরায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। উচ্চ আদালত (হাইকোর্ট ডিভিশন) থেকে জামিন পাওয়ার পরও তাকে মুক্তি দেওয়া হয়নি। একই ধরনের অভিযোগে বারবার গ্রেফতার বা বিচার করা ‘ডাবল জিওপার্ডি’ নীতির স্পষ্ট লঙ্ঘন। সাদ্দামের ক্ষেত্রে মোট ৫টি মামলায় তাকে ধারাবাহিকভাবে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। সাদ্দামের পরিবারের দাবি, মাসের পর মাস এই আইনি হয়রানি ও কারাগারে থাকার ফলে পরিবারটি চরম আর্থিক ও মানসিক সংকটে

পড়ে। আয়ের পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় গত ২৩ জানুয়ারি সাদ্দামের স্ত্রী কানিজ সুবর্ণা স্বর্ণালী তার ৯ মাসের শিশু সন্তান শেহজাদ হোসেন নজিবকে বিষ খাইয়ে হত্যা করে নিজেও আত্মহত্যা করেন। বিশ্লেষকদের মতে, যদি সাদ্দামের বিরুদ্ধে এই ‘গায়েবি’ বা ভিত্তিহীন মামলা না হতো এবং তিনি স্বাভাবিক জীবনে থাকার সুযোগ পেতেন, তবে হয়তো আজ এই মর্মান্তিক ট্রাজেডি দেখতে হতো না। মানবাধিকার সংগঠনগুলো রাজনৈতিক বিবেচনায় এমন ঢালাও গ্রেফতার ও মামলার ব্যাপারে নিশ্চুপ থাকায় জনমনে ক্ষোভ আরও ঘনীভূত হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
চাল চুরির সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে সাংবাদিকের ওপর ছাত্রদল নেতার হামলা! আওয়ামী লীগ ফিরবেই, তবে পুরনো নাকি নতুন নেতৃত্বে— এটিই এখন মিলিয়ন ডলার প্রশ্ন”: মাসুদ কামাল সাতক্ষীরায় মন্দিরে চুরি: স্বর্ণালংকার ও দানবাক্সের টাকা লুট, আতঙ্কে সংখ্যালঘু সম্প্রদায় সংস্কারের মুখোশে দমন : অবৈধ ইউনূস সরকারের তেলেসমাতি এবার জেলা পরিষদে নেতা-কর্মী বসিয়ে লুটপাটের প্ল্যান তারেকের রাষ্ট্রকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আর জাতীয় সংসদকে রাজু ভাস্কর্য মনে করছে নির্বোধ হাসনাত আবারো সংকটে জাতি, আবারো তিনিই প্রেরণা মব, মিথ্যা মামলা আর কারাগারে মৃত্যু; এটাই কি বিএনপির “নতুন রাজনীতি”? থার্টি পার্সেন্টের সরকার! ভূমি দস্যুদের হাতেই প্রশাসন! দখলদারকে প্রশাসক বানিয়ে বিএনপি দেখাল তাদের আসল চেহারা বিএনপির বাংলাদেশ: রাতে গুলি, সকালে তদন্ত, বিকেলে ভুলে যাওয়া ফেনীতে মাটিলুট ও চাঁদাবাজির জেরে যুবদল-ছাত্রদলের দুপক্ষের সংঘর্ষে নিহত ১ মূল্যবান জিনিস থানায় জমা রেখে ঈদযাত্রার অভিনব পরামর্শ ডিএমপির মিসাইল আতঙ্ক, কাছে গিয়েও হরমুজ পেরোতে পারেনি বাংলাদেশি জাহাজ একমাসের ব্যবধানে মাদকসহ আটকের পর এবার চাঁদাবাজির মামলায় গ্রেপ্তার ছাত্রদলের আহ্বায়ক মডেল মেঘনার দাবি: মির্জা আব্বাসের অসুস্থতার পেছনে দায়ী ‘ডার্বি নাসির’ শেখ হাসিনার খাদ্য ব্যবস্থাপনা: ইউনূসের পর বিএনপি সরকারও চাহিদা মেটাচ্ছে সেই মজুদে ভারতের সরবরাহকৃত তেলে মজুদ পর্যাপ্ত, জ্বালানি তেলের রেশনিং প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে চট্টগ্রাম বন্দরে জাহাজ কেনায় ৪৮৬ কোটি টাকার আর্থিক অসঙ্গতি ইউনুসের অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাও মনে করছেন মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি দেশের কৃষি ও প্রাণি সম্পদের জন্য ক্ষতিকর