ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ইউনুসের অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাও মনে করছেন মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি দেশের কৃষি ও প্রাণি সম্পদের জন্য ক্ষতিকর
বেশি দামে এলএনজি কেনা ও মার্কিন চুক্তি: সরকারের ভুল নাকি ইচ্ছাকৃত সিদ্ধান্ত!
আওয়ামী লীগ আমলে খননকৃত শ্রীকাইল গ্যাসক্ষেত্রের ৫ম কূপ উদ্বোধন, যুক্ত হচ্ছে দৈনিক ৮ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস
কুর্মিটোলা এভিয়েশন ডিপো থেকে বিমানের ৭২ হাজার লিটার জেট ফুয়েল গায়েব!
স্পিকার–ডেপুটি স্পিকারের পদত্যাগ নিয়ে সংবিধানিক প্রশ্ন: সামাজিক মাধ্যমে বিতর্ক
বাংলাদেশের জ্বালানী নিরাপত্তায় কি ব্যবস্থা নিয়েছিল আওয়ামী লীগ সরকার?
কোহিনূর মিয়ার প্রত্যাবর্তন এবং ‘নারীবান্ধব’ বিএনপি সরকারের নারীবান্ধব পুরস্কার!
গ্রাম থেকে শহর আজ সংখ্যালঘুদের ভোট দিতে বলা হচ্ছে না, ভয় দেখিয়ে হাজির করানো হচ্ছে
গ্রাম থেকে শহর আজ সংখ্যালঘুদের ভোট দিতে বলা হচ্ছে না, ভয় দেখিয়ে হাজির করানো হচ্ছে। বলা হচ্ছে, ভোট দিতে না গেলে হামলা হবে, ঘর জ্বালানো হবে, ব্যবসা পুড়িয়ে দেওয়া হবে। এটার নাম কি নির্বাচন?
না—এটা ভোট না, এটা ভয়ভিত্তিক নিপীড়ন।
এটা গণতন্ত্র না, এটা রাষ্ট্রীয় প্রহসন।
দখলদার ইউনুস ক্ষমতা দখলের পর থেকেই সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা, অপমান আর আতঙ্ক যেন নিয়মিত ঘটনায় পরিণত হয়েছে। আর এখন তার “মেটিক্যুলাস ডিজাইন”-এর সাজানো নির্বাচনে সংখ্যালঘুরা শুধু ভোটার না তারা সিনেমার প্রপস। তাদের ডাকা হচ্ছে অধিকার প্রয়োগের জন্য না, ক্যামেরার সামনে লাইনে দাঁড় করানোর জন্য, ছবি তোলার জন্য, বিদেশকে দেখানোর জন্য, মিথ্যা বৈধতার নাটক সাজানোর জন্য।
যে নির্বাচনে আগেই
সিট ভাগাভাগি হয়ে গেছে, ফল আগেই লেখা সেখানে সংখ্যালঘুদের ভয় দেখিয়ে ভোটকেন্দ্রে টানার মানে একটাই: ভয়ের ওপর দাঁড়িয়ে বৈধতার অভিনয়। আজ দখলদার ইউনুসের অবৈধ শাসনে সংখ্যালঘু মানেই যেন যা খুশি তাই করা যায়। মারধর, হুমকি, অগ্নিসংযোগ..আর দেখার কেউ নেই, শোনার কেউ নেই, আইনের কোনো অস্তিত্ব নেই। এটা শুধু নির্বাচন নিয়ে জালিয়াতি না, এটা মানবাধিকারের ওপর প্রকাশ্য আক্রমণ। এটা সংবিধানের মুখে থুতু ছেটানো। এটা প্রমাণ করে, অবৈধ শাসকের আমলে সংখ্যালঘুরা নাগরিক না তারা জিম্মি। ইতিহাস ভুলবে না এই সময়টা ছিল যখন রাষ্ট্র নিজেই সংখ্যালঘুদের ভয় দেখিয়ে ভোটকেন্দ্রে হাঁটতে বাধ্য করেছিল, আর সেই ভয়কে ব্যবহার করে নিজের অবৈধতা ঢাকতে চেয়েছিল। এই লজ্জার নাম সাজানো নির্বাচন।
এই অপরাধের নাম দখলদার ইউনুসের অপশাসন।
সিট ভাগাভাগি হয়ে গেছে, ফল আগেই লেখা সেখানে সংখ্যালঘুদের ভয় দেখিয়ে ভোটকেন্দ্রে টানার মানে একটাই: ভয়ের ওপর দাঁড়িয়ে বৈধতার অভিনয়। আজ দখলদার ইউনুসের অবৈধ শাসনে সংখ্যালঘু মানেই যেন যা খুশি তাই করা যায়। মারধর, হুমকি, অগ্নিসংযোগ..আর দেখার কেউ নেই, শোনার কেউ নেই, আইনের কোনো অস্তিত্ব নেই। এটা শুধু নির্বাচন নিয়ে জালিয়াতি না, এটা মানবাধিকারের ওপর প্রকাশ্য আক্রমণ। এটা সংবিধানের মুখে থুতু ছেটানো। এটা প্রমাণ করে, অবৈধ শাসকের আমলে সংখ্যালঘুরা নাগরিক না তারা জিম্মি। ইতিহাস ভুলবে না এই সময়টা ছিল যখন রাষ্ট্র নিজেই সংখ্যালঘুদের ভয় দেখিয়ে ভোটকেন্দ্রে হাঁটতে বাধ্য করেছিল, আর সেই ভয়কে ব্যবহার করে নিজের অবৈধতা ঢাকতে চেয়েছিল। এই লজ্জার নাম সাজানো নির্বাচন।
এই অপরাধের নাম দখলদার ইউনুসের অপশাসন।



