ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
গ্রাম থেকে শহর আজ সংখ্যালঘুদের ভোট দিতে বলা হচ্ছে না, ভয় দেখিয়ে হাজির করানো হচ্ছে
দখলদার ইউনুস অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলের পর থেকেই বাংলাদেশ কার্যত এক শূন্য নিরাপত্তার রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে।
সার্বভৌমত্বের সংকটে যখন র্যাবকে পালিয়ে আসতে হয় : যেখানে রাষ্ট্রের চেয়ে মাফিয়া বেশি ক্ষমতাবান, সেখানে সংস্কারের গল্প শোনান ইউনুস
মরে গেলে সবাই আফসোস করে, কিন্তু বেঁচে থাকতে কেউ দেখে না”: চার মাস ধরে জেলবন্দি স্বামীর চিন্তায় ও অনাহারে এক স্ত্রীর হাহাকার
আবেদন করা হয়নি’ বলে অপপ্রচার
আওয়ামী লীগ মাঠে নেই, তাই নির্বাচন ‘প্রতিদ্বন্দ্বীতাহীন’: মেজর হাফিজ
ইউনুসের অপশাসনে দেশ, আইনের শাসনের বদলে মববাজির রাজত্ব
কারাগারে নেতা, কবরে স্ত্রী–সন্তান ভোটের জন্য আদর্শ বিসর্জন
বিএনপি–জামায়াতের ‘রিসাইকেল বিন’ রাজনীতি
বাংলাদেশের রাজনীতি এখন এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে, যেখানে আদর্শ আর নীতির জায়গায় বসেছে রিসাইকেলযোগ্য সুবিধাবাদ। নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসছে, ততই স্পষ্ট হচ্ছে—বিএনপি ও জামায়াত রাজনীতি করতে নামেনি, তারা নেমেছে ভোটের জন্য আত্মসমর্পণের মহড়ায়। গতকাল যাদের ভাষণে শেখ হাসিনা ছিলেন “ফ্যাসিস্ট”, “খুনি”, “স্বৈরাচার”—আজ সেই একই নেতারা আওয়ামী ভোটারদের উদ্দেশে হাতজোড় করে বলছেন, “আপনারাই আমাদের ভরসা।” রাজনীতি যদি আয়না হতো, তাহলে এ দৃশ্য দেখে নিজের মুখই চিনতে পারত না তারা।
তুলনা এক: শেখ হাসিনা কি বদলালেন, নাকি বিএনপি?
প্রশ্নটা সহজ—গত ছয় মাসে শেখ হাসিনার চরিত্র কি বদলে গেছে? রাষ্ট্রের কাঠামো কি পাল্টে গেছে? না। বদলেছে কেবল বিএনপির হিসাব-নিকাশ। যিনি ছিলেন
“ফ্যাসিস্ট”, তিনি রাতারাতি হয়ে গেলেন ‘আপা’। এই রূপান্তর কোনো রাজনৈতিক প্রজ্ঞার ফল নয়, এটি পরিসংখ্যানের নির্মম বাস্তবতা। বিএনপি জানে— আওয়ামী লীগের ভোট ব্যাংক: আনুমানিক ৩০–৪৮% বিএনপি–জামায়াতের নিজস্ব কোর ভোট: সীমিত ও ভঙ্গুর ফলে ফ্যাসিবাদ বিরোধিতা নয়, এখন প্রধান শ্লোগান—ভোট চাই, যেকোনো দামে। তুলনা দুই: জামায়াতের ইতিহাস বনাম বর্তমান ভাষা একদিকে জামায়াতের অতীত— ১৯৭১-এর ভূমিকা নিয়ে অনুশোচনার অভাব বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক নেতৃত্ব অস্বীকার মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ‘বিতর্কিত’ করার চেষ্টা অন্যদিকে বর্তমান— হঠাৎ করে বঙ্গবন্ধু “স্বাধীনতার স্থপতি” মুক্তিযুদ্ধ “অস্বীকার নয়, ভুল বোঝাবুঝি” এই পরিবর্তন কি আদর্শিক পুনর্জন্ম? না, এটি রাজনৈতিক মেকআপ। ক্ষমতার দরজা খুলতে হলে ইতিহাসকেও প্রয়োজনে ভাড়া নেওয়া যায়—জামায়াত সেই বার্তাই দিচ্ছে। মাঠের রাজনীতি বনাম মঞ্চের ভাষণ মঞ্চে দাঁড়িয়ে বিএনপি–জামায়াত নেতারা বলছেন— “আওয়ামী লীগের কেউ নির্যাতিত হবেন না।” মাঠের বাস্তবতা
বলছে— আওয়ামী কর্মীদের বিরুদ্ধে মব অ্যাটাক গণহারে মামলা এলাকা ছাড়তে বাধ্য হওয়া নেতাকর্মী সামাজিকভাবে টার্গেটেড পরিবার বাগেরহাটে ছাত্রলীগ নেতার স্ত্রী স্বর্ণালী ও নবজাতক সন্তানের মৃত্যু এই দ্বিচারিতার রক্তাক্ত প্রমাণ। রাজনীতিতে যখন প্রতিপক্ষ আর মানুষ থাকে না, তখন কবরই হয়ে ওঠে শেষ ঠিকানা। তুলনা তিন: প্রতিশ্রুতি বনাম ইতিহাস বাংলাদেশের ভোটাররা নতুন নয়। তারা দেখেছে— ২০০১–২০০৬: সংখ্যালঘু নির্যাতন আওয়ামী সমর্থকদের ওপর দমন-পীড়ন বিচারহীনতার সংস্কৃতি আজ যারা নিরাপত্তার আশ্বাস দিচ্ছেন, ইতিহাস বলছে—ক্ষমতায় গেলে তারাই প্রথম প্রতিশ্রুতি ভুলে যান। এই কারণেই আওয়ামী ভোটারদের কাছে বিএনপি–জামায়াতের আহ্বান বিশ্বাসযোগ্য নয়, বরং সন্দেহজনক। ‘নিষিদ্ধ ফল’ তত্ত্ব বিএনপি–জামায়াত ভাবছে, আওয়ামী ভোট ব্যাংক একটা নিষিদ্ধ ফল—একটু লোভ দেখালে, একটু ভাষা নরম করলে, ফল নিজে থেকেই ঝরে পড়বে। তারা ভুলে যাচ্ছে, এই ভোট
কোনো ভাসমান সংখ্যা নয়; এটি ইতিহাস, পরিচয় ও নিরাপত্তাবোধের সঙ্গে যুক্ত। সার্বিক বার্তা আজকের বাংলাদেশের রাজনীতি দুই ভাগে বিভক্ত— একদিকে আদর্শের সঙ্গে থাকা ভোট অন্যদিকে ক্ষমতার জন্য আদর্শ বিসর্জন দেওয়া রাজনীতি বিএনপি–জামায়াত দ্বিতীয় পথ বেছে নিয়েছে। কারাগারে তাদের নেতা, কবরে পড়ছে প্রতিপক্ষের পরিবার—আর মাঝখানে চলছে ভোটের জন্য কৃত্রিম মানবিকতার প্রদর্শনী। জনগণের প্রশ্ন এখন একটাই— যারা আদর্শ ছুঁড়ে ফেলতে পারে ডাস্টবিনে, তারা ক্ষমতায় গেলে দেশটাকে কোথায় ফেলবে?
“ফ্যাসিস্ট”, তিনি রাতারাতি হয়ে গেলেন ‘আপা’। এই রূপান্তর কোনো রাজনৈতিক প্রজ্ঞার ফল নয়, এটি পরিসংখ্যানের নির্মম বাস্তবতা। বিএনপি জানে— আওয়ামী লীগের ভোট ব্যাংক: আনুমানিক ৩০–৪৮% বিএনপি–জামায়াতের নিজস্ব কোর ভোট: সীমিত ও ভঙ্গুর ফলে ফ্যাসিবাদ বিরোধিতা নয়, এখন প্রধান শ্লোগান—ভোট চাই, যেকোনো দামে। তুলনা দুই: জামায়াতের ইতিহাস বনাম বর্তমান ভাষা একদিকে জামায়াতের অতীত— ১৯৭১-এর ভূমিকা নিয়ে অনুশোচনার অভাব বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক নেতৃত্ব অস্বীকার মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ‘বিতর্কিত’ করার চেষ্টা অন্যদিকে বর্তমান— হঠাৎ করে বঙ্গবন্ধু “স্বাধীনতার স্থপতি” মুক্তিযুদ্ধ “অস্বীকার নয়, ভুল বোঝাবুঝি” এই পরিবর্তন কি আদর্শিক পুনর্জন্ম? না, এটি রাজনৈতিক মেকআপ। ক্ষমতার দরজা খুলতে হলে ইতিহাসকেও প্রয়োজনে ভাড়া নেওয়া যায়—জামায়াত সেই বার্তাই দিচ্ছে। মাঠের রাজনীতি বনাম মঞ্চের ভাষণ মঞ্চে দাঁড়িয়ে বিএনপি–জামায়াত নেতারা বলছেন— “আওয়ামী লীগের কেউ নির্যাতিত হবেন না।” মাঠের বাস্তবতা
বলছে— আওয়ামী কর্মীদের বিরুদ্ধে মব অ্যাটাক গণহারে মামলা এলাকা ছাড়তে বাধ্য হওয়া নেতাকর্মী সামাজিকভাবে টার্গেটেড পরিবার বাগেরহাটে ছাত্রলীগ নেতার স্ত্রী স্বর্ণালী ও নবজাতক সন্তানের মৃত্যু এই দ্বিচারিতার রক্তাক্ত প্রমাণ। রাজনীতিতে যখন প্রতিপক্ষ আর মানুষ থাকে না, তখন কবরই হয়ে ওঠে শেষ ঠিকানা। তুলনা তিন: প্রতিশ্রুতি বনাম ইতিহাস বাংলাদেশের ভোটাররা নতুন নয়। তারা দেখেছে— ২০০১–২০০৬: সংখ্যালঘু নির্যাতন আওয়ামী সমর্থকদের ওপর দমন-পীড়ন বিচারহীনতার সংস্কৃতি আজ যারা নিরাপত্তার আশ্বাস দিচ্ছেন, ইতিহাস বলছে—ক্ষমতায় গেলে তারাই প্রথম প্রতিশ্রুতি ভুলে যান। এই কারণেই আওয়ামী ভোটারদের কাছে বিএনপি–জামায়াতের আহ্বান বিশ্বাসযোগ্য নয়, বরং সন্দেহজনক। ‘নিষিদ্ধ ফল’ তত্ত্ব বিএনপি–জামায়াত ভাবছে, আওয়ামী ভোট ব্যাংক একটা নিষিদ্ধ ফল—একটু লোভ দেখালে, একটু ভাষা নরম করলে, ফল নিজে থেকেই ঝরে পড়বে। তারা ভুলে যাচ্ছে, এই ভোট
কোনো ভাসমান সংখ্যা নয়; এটি ইতিহাস, পরিচয় ও নিরাপত্তাবোধের সঙ্গে যুক্ত। সার্বিক বার্তা আজকের বাংলাদেশের রাজনীতি দুই ভাগে বিভক্ত— একদিকে আদর্শের সঙ্গে থাকা ভোট অন্যদিকে ক্ষমতার জন্য আদর্শ বিসর্জন দেওয়া রাজনীতি বিএনপি–জামায়াত দ্বিতীয় পথ বেছে নিয়েছে। কারাগারে তাদের নেতা, কবরে পড়ছে প্রতিপক্ষের পরিবার—আর মাঝখানে চলছে ভোটের জন্য কৃত্রিম মানবিকতার প্রদর্শনী। জনগণের প্রশ্ন এখন একটাই— যারা আদর্শ ছুঁড়ে ফেলতে পারে ডাস্টবিনে, তারা ক্ষমতায় গেলে দেশটাকে কোথায় ফেলবে?



