ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
গ্রাম থেকে শহর আজ সংখ্যালঘুদের ভোট দিতে বলা হচ্ছে না, ভয় দেখিয়ে হাজির করানো হচ্ছে
দখলদার ইউনুস অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলের পর থেকেই বাংলাদেশ কার্যত এক শূন্য নিরাপত্তার রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে।
সার্বভৌমত্বের সংকটে যখন র্যাবকে পালিয়ে আসতে হয় : যেখানে রাষ্ট্রের চেয়ে মাফিয়া বেশি ক্ষমতাবান, সেখানে সংস্কারের গল্প শোনান ইউনুস
মরে গেলে সবাই আফসোস করে, কিন্তু বেঁচে থাকতে কেউ দেখে না”: চার মাস ধরে জেলবন্দি স্বামীর চিন্তায় ও অনাহারে এক স্ত্রীর হাহাকার
আবেদন করা হয়নি’ বলে অপপ্রচার
আওয়ামী লীগ মাঠে নেই, তাই নির্বাচন ‘প্রতিদ্বন্দ্বীতাহীন’: মেজর হাফিজ
কারাগারে নেতা, কবরে স্ত্রী–সন্তান ভোটের জন্য আদর্শ বিসর্জন
ইউনুসের অপশাসনে দেশ, আইনের শাসনের বদলে মববাজির রাজত্ব
আজকের রাষ্ট্রবাস্তবতায় “অপশাসন” ও “মববাজি” আর আলাদা কোনো ধারণা নয়; বরং একে অপরের পরিপূরক হয়ে উঠেছে। ইউনুসের নেতৃত্বে যে শাসনচিত্র ক্রমে স্পষ্ট হচ্ছে, তা গণতন্ত্রের মূল ভিত্তি আইনের শাসন, ন্যায়বিচার ও নাগরিক নিরাপত্তা থেকে সরে গিয়ে জনতার নামে পরিচালিত বিশৃঙ্খলা ও সহিংসতাকে প্রশ্রয় দিচ্ছে। যুক্তি ও আইনের পরিবর্তে এখানে ক্রমেই মুখ্য হয়ে উঠছে মবের রায়।
রাষ্ট্র যখন তার দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়, তখন সেই শূন্যস্থান দখল করে মব। ইউনুসের অপশাসনে এই ব্যর্থতাই প্রকটভাবে দৃশ্যমান। প্রশাসনের নীরবতা, কখনো কখনো পক্ষপাতিত্ব মবকে কার্যত বৈধতা দিচ্ছে। ফলে সাধারণ নাগরিক আজ রাষ্ট্রের কাছে নিরাপত্তা খুঁজে পায় না সে আশ্রয় নেয় ক্ষমতাবান গোষ্ঠীর ছায়ায়। এটি কেবল
রাজনৈতিক সংকট নয়, বরং গভীর সামাজিক অবক্ষয়ের লক্ষণ। মববাজি কখনোই জনরায় নয় এটি সংঘবদ্ধ ভয়ের বহিঃপ্রকাশ। এই ভয়কে প্রশ্রয় দেওয়া মানে রাষ্ট্র নিজেই তার সাংবিধানিক দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানো। ইউনুসের শাসনামলে সেই সরে দাঁড়ানোর দৃশ্য বারবার দেখা যাচ্ছে যেখানে অন্যায় ঘটে প্রকাশ্যে, আর ন্যায়বিচার আড়ালে হারিয়ে যায়। এতে আইন শুধু বইয়ে বন্দি থাকে, বাস্তবে তার কোনো প্রতিফলন দেখা যায় না। ইতিহাস সাক্ষ্য দেয় অপশাসন দীর্ঘস্থায়ী হয় না। মবের উপর দাঁড়িয়ে কোনো রাষ্ট্র স্থিতিশীল থাকতে পারে না। আজ যারা এই বিশৃঙ্খলাকে উৎসব মনে করছে, আগামীকাল তারাই এর প্রথম শিকার হবে। কারণ মবের কোনো বিবেক নেই, কোনো দায় নেই সে কেবল ধ্বংস করতে জানে। এই
অচলাবস্থা থেকে মুক্তির একমাত্র পথ হলো আইনের শাসন পুনঃপ্রতিষ্ঠা, নৈতিক নেতৃত্বের উত্থান এবং মানবিক রাষ্ট্রচিন্তার বাস্তব প্রয়োগ। নইলে অপশাসন ও মববাজির এই যুগলবন্দি দেশকে আরও গভীর অন্ধকারের দিকে ঠেলে দেবে যেখান থেকে ফিরে আসা ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠবে।
রাজনৈতিক সংকট নয়, বরং গভীর সামাজিক অবক্ষয়ের লক্ষণ। মববাজি কখনোই জনরায় নয় এটি সংঘবদ্ধ ভয়ের বহিঃপ্রকাশ। এই ভয়কে প্রশ্রয় দেওয়া মানে রাষ্ট্র নিজেই তার সাংবিধানিক দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানো। ইউনুসের শাসনামলে সেই সরে দাঁড়ানোর দৃশ্য বারবার দেখা যাচ্ছে যেখানে অন্যায় ঘটে প্রকাশ্যে, আর ন্যায়বিচার আড়ালে হারিয়ে যায়। এতে আইন শুধু বইয়ে বন্দি থাকে, বাস্তবে তার কোনো প্রতিফলন দেখা যায় না। ইতিহাস সাক্ষ্য দেয় অপশাসন দীর্ঘস্থায়ী হয় না। মবের উপর দাঁড়িয়ে কোনো রাষ্ট্র স্থিতিশীল থাকতে পারে না। আজ যারা এই বিশৃঙ্খলাকে উৎসব মনে করছে, আগামীকাল তারাই এর প্রথম শিকার হবে। কারণ মবের কোনো বিবেক নেই, কোনো দায় নেই সে কেবল ধ্বংস করতে জানে। এই
অচলাবস্থা থেকে মুক্তির একমাত্র পথ হলো আইনের শাসন পুনঃপ্রতিষ্ঠা, নৈতিক নেতৃত্বের উত্থান এবং মানবিক রাষ্ট্রচিন্তার বাস্তব প্রয়োগ। নইলে অপশাসন ও মববাজির এই যুগলবন্দি দেশকে আরও গভীর অন্ধকারের দিকে ঠেলে দেবে যেখান থেকে ফিরে আসা ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠবে।



