ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বিএনপি নেতাদের দৃষ্টিতে ‘অপ্রয়োজনীয়’ রূপপুর বিদ্যুৎ কেন্দ্রই এখন সংকটে সরকারের শেষ ভরসা
মৃত্যুঞ্জয়ী বঙ্গবন্ধু: ইতিহাসের আয়নায় আমাদের পরিচয়, আত্মমর্যাদা ও অস্তিত্বের প্রতীক
জাতির পিতার জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে আওয়ামী লীগ সভাপতি-বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার বাণী
ডিজেলের পর এবার এলো ১৬ হাজার মেট্রিক টন ভারতীয় চাল, নামল মোংলায়
শিক্ষক রাজনীতি নাকি শিক্ষার্থীদের থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার রাজনীতি
একটি বন্দিত্ব: বাংলাদেশ রাষ্ট্রের জন্মের অনিবার্যতা
তেল সরবরাহে হরমুজ ঝুঁকি: ৩ লাখ টন ক্রুডের চালান নিয়ে তেহরানের দ্বারস্থ ঢাকা
রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে নির্বাচন? সরকারের নিষ্ক্রিয়তায় দেশে প্রতিদিন গড়ে ১১ খুন
দেশজুড়ে সহিংসতা এখন আর বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, এটি এক ধরনের দৈনন্দিন বাস্তবতা। ২০২৫ সালে প্রতিদিন গড়ে ১১ জন মানুষ হত্যার শিকার হয়েছেন—যার মধ্যে রাজনৈতিক হত্যার সংখ্যা একশ’র বেশি। নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর এই রক্তপাত আরও প্রকাশ্য ও নির্লজ্জ রূপ নিয়েছে। ফলে প্রশ্ন উঠছে—এই পরিস্থিতিতে আদৌ কি সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ আছে?
গত ১৭ নভেম্বর মিরপুরে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করা হয় বিএনপি নেতা গোলাম কিবরিয়াকে। ১২ ডিসেম্বর বিজয়নগরে গুলি করে খুন হন ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ওসমান হাদী। সর্বশেষ গত বুধবার তেজগাঁওয়ে গুলি করে হত্যা করা হয় স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা আজিজুর রহমান মুসাব্বিরকে। এসব হত্যাকাণ্ড কোনো অন্ধকার গলিতে নয়, প্রকাশ্য রাস্তায়—যেন খুনই এখন
রাজনৈতিক ভাষা। আইন ও সালিস কেন্দ্রের উদ্ধৃত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশে অন্তত ৪০১টি রাজনৈতিক সহিংসতার ঘটনায় ১০২ জন নিহত এবং আহত হয়েছেন ৪ হাজার ৭৪৪ জন। পুলিশের তথ্যে বলা হয়েছে, গত বছর সারা দেশে ৩ হাজার ৭৮৫টি হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। এর আগে ২০২৪ সালে ৩ হাজার ৪৩২ এবং ২০২৩ সালে ৩ হাজার ২৩টি খুনের ঘটনা নথিভুক্ত হয়। এই পরিসংখ্যানগুলো সংশ্লিষ্ট সংস্থার উদ্ধৃতি হিসেবে প্রচারিত হলেও, স্বাধীন কোনো উৎস থেকে সব তথ্য পূর্ণাঙ্গভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। তবে সংখ্যার চেয়েও ভয়াবহ হলো বাস্তবতা—৫ আগস্ট ’২৪–এর পর সরকারের রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে পুলিশ কার্যকরভাবে দায়িত্ব পালন করতে পারছে না বলে অভিযোগ উঠেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, প্রশাসনের এই পক্ষপাত ও নিষ্ক্রিয়তাই রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ডকে কার্যত উৎসাহ দিচ্ছে। খুনিরা জানে, জবাবদিহি নেই। শাস্তির ভয় নেই। সরকারের আশ্রয়–প্রশ্রয়েই এসব হত্যাকাণ্ড ঘটছে—এমন অভিযোগ এখন আর শুধু বিরোধী দলের নয়, এটি জনমতের অংশ হয়ে উঠছে। দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা না গেলে এর সরাসরি প্রভাব পড়বে নির্বাচনী প্রক্রিয়ায়। ভয়, আতঙ্ক আর রক্তের মধ্যে কোনো নির্বাচনই বিশ্বাসযোগ্য হতে পারে না। প্রশ্নটা তাই সোজা—সরকার কি আইনশৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে চায়, নাকি রক্তের রাজনীতির ওপর ভর করেই ক্ষমতার হিসাব কষছে? এই প্রশ্নের উত্তর না এলে, নির্বাচনের আগেই গণতন্ত্রের লাশ গুনতে হতে পারে দেশকে।
রাজনৈতিক ভাষা। আইন ও সালিস কেন্দ্রের উদ্ধৃত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশে অন্তত ৪০১টি রাজনৈতিক সহিংসতার ঘটনায় ১০২ জন নিহত এবং আহত হয়েছেন ৪ হাজার ৭৪৪ জন। পুলিশের তথ্যে বলা হয়েছে, গত বছর সারা দেশে ৩ হাজার ৭৮৫টি হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। এর আগে ২০২৪ সালে ৩ হাজার ৪৩২ এবং ২০২৩ সালে ৩ হাজার ২৩টি খুনের ঘটনা নথিভুক্ত হয়। এই পরিসংখ্যানগুলো সংশ্লিষ্ট সংস্থার উদ্ধৃতি হিসেবে প্রচারিত হলেও, স্বাধীন কোনো উৎস থেকে সব তথ্য পূর্ণাঙ্গভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। তবে সংখ্যার চেয়েও ভয়াবহ হলো বাস্তবতা—৫ আগস্ট ’২৪–এর পর সরকারের রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে পুলিশ কার্যকরভাবে দায়িত্ব পালন করতে পারছে না বলে অভিযোগ উঠেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, প্রশাসনের এই পক্ষপাত ও নিষ্ক্রিয়তাই রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ডকে কার্যত উৎসাহ দিচ্ছে। খুনিরা জানে, জবাবদিহি নেই। শাস্তির ভয় নেই। সরকারের আশ্রয়–প্রশ্রয়েই এসব হত্যাকাণ্ড ঘটছে—এমন অভিযোগ এখন আর শুধু বিরোধী দলের নয়, এটি জনমতের অংশ হয়ে উঠছে। দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা না গেলে এর সরাসরি প্রভাব পড়বে নির্বাচনী প্রক্রিয়ায়। ভয়, আতঙ্ক আর রক্তের মধ্যে কোনো নির্বাচনই বিশ্বাসযোগ্য হতে পারে না। প্রশ্নটা তাই সোজা—সরকার কি আইনশৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে চায়, নাকি রক্তের রাজনীতির ওপর ভর করেই ক্ষমতার হিসাব কষছে? এই প্রশ্নের উত্তর না এলে, নির্বাচনের আগেই গণতন্ত্রের লাশ গুনতে হতে পারে দেশকে।



